আমেরিকা কোন কোন কাজের চাহিদা বেশি।আমেরিকার ভিসা কিভাবে পাওয়া যাবে
আমেরিকা কোন কোন কাজের চাহিদা বেশি। আপনারা এমন অনেকেই আছেন যারা বিভিন্ন
কাজের জন্য আমেরিকা তে যেতে চান কিন্তু কি কাজের জন্য আমেরিকা তে যাবেন তা
বুঝে উঠতে পারেন না। আমেরিকা তে কাজের সন্ধানে যেতে চাইছেন কিন্তু সেখানকার
কাজের ব্যাপারে কোনো ধারনা নাই।এমন অনেকেই আছেন যারা এই ব্যাপারে কিছু ই
জানেন না।
আপনি কি আমেরিকা তে কাজের সন্ধানে যেতে চান? কিন্তু বুঝতে পারছেন না কি কাজ
করতে পারবেন সেখানে? আমেরিকার ভিসা কিভাবে পাবেন এটা জানেন না?তাহলে আমাদের
আজকের আর্টিকেল টা পড়ুন।
পোষ্ট সূচিপত্রঃআমেরিকা কোন কোন কাজের চাহিদা বেশি।আমেরিকার ভিসা কিভাবে পাওয়া যাবে?
- আমেরিকা কোন কোন কাজের চাহিদা বেশি
- আমেরিকার ভিসা কিভাবে পাওয়া যাবে
- আপনি আমেরিকা তে কেন যাবেন
- আমেরিকাতে যে ধরনের কাজের চাহিদা বেশী
- আমেরিকাতে স্টোর কিপারের কাজের চাহিদা বেশি
- আমেরিকাতে নার্সিং জবের চাহিদা বেশি
- আমেরিকাতে শিক্ষকতা পেশার চাহিদা বেশি
- আমেরিকাতে ইন্জিনিয়ারিং জবের চাহিদা বেশি
- আমেরিকাতে ন্যানিস জবের চাহিদা বেশি
- আমেরিকাতে ফ্লাওয়ার শপের কাজের চাহিদা বেশি
- আমেরিকাতে রাঁধুনির চাকরির চাহিদা বেশি
- আমেরিকাতে থেরাপিস্ট এর চাকরির চাহিদা বেশি
- আমেরিকাতে দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা বেশি
- সম্পূর্ণ আর্টিকেল ব্যাপারে লেখকের মতামত
আমেরিকা কোন কোন কাজের চাহিদা বেশি
বর্তমান সময়ে বাংলাদেশের অনেক মানুষ জন কাজের সন্ধানে দেশের বাইরে পাড়ি
জমাচ্ছেন।তারা নিজেদের জীবিকা নির্বাহ করার জন্য ই মূলত দেশের বাইরে যান
তারপর সেখানে গিয়ে কাজ করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে নিজের দেশে থাকা নিজের
পরিবারের কাছে সেটা পাঠান। এমন মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি ই আছে। যারা জীবিকা
নির্বাহ করার জন্য বা টাকা আয় করার জন্য দেশের বাইরে পাড়ি জমায়ে কাজ করে
টাকা আয় করেন তাদের আমরা প্রবাসী বলে থাকি।তারা দেশের বাইরে কাজ করে বৈদেশিক
মুদ্রা আয় করে বাংলাদেশের অনেক সহায়তা করেন প্রতি বছর।এ বৈদিশিক মুদ্রা
বাংলাদেশ এর অনেক কাজে লাগে। প্রতিবছর প্রায় এক লাখ এর ও বেশি মানুষ বিদেশে
পাড়ি জমায়ে থাকেন।তারা তাদের জীবিকা নির্বাহ করে নিজের পরিবারের পাশাপাশি দেশের অনেক সাহায্য
কর থাকেন।তো এমন অনেক মানুষ ই আছেন যারা দেশের বাইরে পাড়ি জমাতে চান।কেউ কেউ আছে
আমেরিকা তে যেতে চান।
কিন্তু তারা জানেন না কিভাবে কি করবেন। আসলে তারা বুঝে উঠতে পারেন না।এটা
এখন অনেক ই দেখা যায়। শুধু মাত্র এই একটা কারনে অনেকেই দেশের বাইরে যেতে
পারেন না। আপনাদের এই সমস্যা টা নিত্যদিনের একটা কমন সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে
এখন। তাই আপনাদের সুবিধার জন্য আমরা আমাদের আজকের আর্টিকেল আমেরিকা কোন কোন
কাজের চাহিদা বেশি তে লিখে দিছি বিস্তারিত সবকিছু।আপনারা যদি আমাদের আজকের আর্টিকেল টা মন দিয়ে পড়েন তাহলে আশা করি আপনাদের
সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে। আমাদের আজকের এই আর্টিকেল টা তে আমরা লিখছি আমেরিকা তে আপনি কি কি কাজ করে
জীবিকা নির্বাহ করতে পারবেন কোন কাজ টা আপনার জন্য প্রথমেই সহজ হবে আর কিভাবে
আপনি আমেরিকা তে যাওয়ার ভিসা পাবেন সেগুলোর সব কিছু আমরা আমাদের আজকের
আর্টিকেল টা তে লিখে দিছি।যদি মন দিয়ে পড়েন তাহলে অবশ্যই উপকৃত হতে
পারবেন।তো চলেন দেরি না করে শুরু করা যাক আজকের আর্টিকেল।
আমেরিকার ভিসা কিভাবে পাওয়া যাবে
বর্তমানে আমেরিকা তে কাজের সন্ধানে যাওয়ার জন্য মানুষের সংখ্যা অনেক
বেশি।তবে আমেরিকা তে যাওয়ার জন্য ভিসা দরকার।ভিসা ছাড়া আমেরিকা তে যাওয়া
সম্ভব নয়।ভিসা হলো একটা অনুমতি পত্র যেটা দিয়ে কোনো দেশে প্রবেশ করা যায়।
আমেরিকার ভিসা নেওয়া মানে হলো সেই দেশে যাওয়ার জন্য অনুমতি নেওয়া।এই
অনুমতি পত্র ছাড়া আমেরিকা তে ঢোকা আইন বিরুদ্ধ।ভিসা নিয়ে আমেরিকা তে ঢোকা
গেলে সেটা একদম আইন সম্মত আর বৈধ হয়ে থাকে। কিন্তু ভিসা ছাড়া চোরাই পথে
ঢুকলে সেটা অবৈধ হয়ে যায় আর এই চোরাই পথে ঢুকলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া
হয়। এছাড়া আপনি যদি ভিসা ছাড়া আমেরিকা তে ঢোকেন তাহলে আপনি ভালো বেতনের
কোনো কাজ পাবেন না। মালিক এরা আপনার ভিসা দেখতে চাইবে তখন ভিসা না দিতে পারলে
তারা কাজে নিবে না।আর যদি কাজে নেয় ও তাও আপনাকে অনেক কম বেতন দিবে তাই
অবশ্যই ভিসা নিয়ে আমেরিকা তে ঢুকতে হবে।
আপনাদের সুবিধার জন্য আমরা আজকের আর্টিকেল এ সবকিছু বিস্তারিত ভাবে লিখে
দিছি।আমেরিকা দেশ টাতে ঢোকার জন্য অবশ্যই ভিসা দরকার।এই ভিসা পাওয়ার জন্য ভিসা
আবেদন কার্যালয়ে আবেদন করতে হয়। এরপরে তারা আপনাকে ফর্ম পূরণ করতে দিবে
সেটা তে আপনার ব্যাপারে আপনার সব সঠিক তথ্য দিয়ে ফরম পূরণ করে তাদের জমা
দিতে হবে।এরপর তারা আমেরিকা সরকার এর কাছে এটা পাঠাবে তারা তখন ভিসা তৈরি করে
আপনার কাছে পাঠায়ে দিবে।ভিসা তৈরির খরচ হবে ২৫০০০ থেকে ৫০০০০ টাকা।ভিসা তৈরি
করে এরপর আমেরিকা যে যাওয়া সম্ভব। ভিসা সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে।একটা
হলো শর্ট টার্ম ভিসা এবং আরেকটা হলো লং টার্ম ভিসা।
শর্ট টার্ম ভিসা অল্প মেয়াদি হয়ে থাকে।মেয়াদ শেষ হলে আবার মেয়াদ বাড়ায়
নিতে হয়। অন্যদিকে লং টার্ম ভিসা হলো দীর্ঘ মেয়াদি ভিসা যেটা বেশী দিনের
মেয়াদি হয়ে থাকে।ভিসার ধরন অনুযায়ী দাম কম বেশি হয়ে থাকে।তবে সরকারি ভাবে
কম খরচে যাওয়ার জন্য ভিসা আবেদন করতে প্লে স্টোর থেকে Ami probashi অ্যাপ
ডাউনলোড করে সেখানের ওয়েব সাইটে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সাবমিট করে ভিসার
জন্য আবেদন করতে পারবেন এবং কতটা লাভজনক হবে সেটাও বুঝতে পারবেন।এই ভাবে ভিসা
এর জন্য আবেদন করলে আপনার খরচ খুব কম হবে। ভিসা আবেদন করার পর ২০থেকে ৩০
দিনের মধ্যেই আপনার হাতে ভিসা চলে আসবে।
আপনি আমেরিকা তে কেন যাবেন
আমেরিকা একটি উন্নয়নশীল দেশ।এই দেশ টা পৃথিবীর ধনী দেশ গুলোর মধ্যে একটি।
আমেরিকা তে কেন যাবেন এই ব্যাপারে আমাদের আজকের আর্টিকেলএ বিস্তারিত ভাবে
আমরা লিখে দিছি। আমেরিকা যে যাওয়ার অনেক কারন আছে।যার মধ্যে একটা হলো
এখানে কাজের পরিমাণ বেশি কিন্তু সে তুলনায় কাজের শ্রমিক কম। আমেরিকার
মানুষ জন ধনী হয়ে থাকেন আর দেশটাও বেশ বড় এবং সুনামধন্য।আর এই আমেরিকা
বড় দেশ তাই এই দেশে কাজের পরিমাণ ও বেশি।তবে কাজের পরিমাণ যেমন বেশি তেমন
কাজের বেতন ও বেশি। মানুষের নানা রকমের চাহিদা এই কাজগুলোর মাধ্যমে মেটানো
সম্ভব।
আমেরিকার কাজগুলো করার জন্য প্রতি বছর নানা রকমের বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে।
প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণে মানুষ জন বাংলাদেশ থেকে আমেরিকা গিয়ে থাকে নিজেদের
জীবিকা নির্বাহ করে টাকা আয় করার জন্য।আমাদের আজকের আর্টিকেল আমেরিকা কোন কোন কাজের চাহিদা বেশি এ আমরা সবকিছু
বিস্তারিত ভাবে লিখে দিছি। আপনার যদি বিদেশে কাজের জন্য যাওয়ার ইচ্ছা থাকে
তাহলে আপনার অবশ্যই আমেরিকা তে যাওয়া উচিত।এই দেশের কাজ গুলোতে অনেক সুবিধা
আছে।তবে কাজ করার জন্য এবং কাজের বেশি পরিমাণে বেতনের জন্য আপনাকে প্রথমে ই
ভিসা করে যেতে হবে।
আমেরিকা তে কাজ করার পাশাপাশি বেতন তো বেশি ই সাথে মালিকেরা নানা রকমের
সুবিধা ও দিয়ে থাকে।কাজের ধরন গুলোও হয় কোনো রকমের ঝুঁকি ছাড়া ই এক কথায়
কাজগুলো একদম নিরাপদ। এছাড়া কোনো যেহেতু ক্ষয়ক্ষতি বা অসুস্থ হলে মালিকেরা
যথাযথ সহায়তা করে থাকে এবং সেই অর্থ বেতন থেকেও কাটে না।আমেরিকার কাজের
পরিমাণেল পাশাপাশি কাজের বেতন ও বেশি তাই আপনার কাজগুলো করাল জন্য অবশ্যই
আমেরিকা যাওয়া উচিত।
আমেরিকাতে যে ধরনের কাজের চাহিদা বেশী
আমেরিকা তে এমন অনেক কাজ আছে যেগুলি আপনি প্রথম অবস্থায় গিয়েই সহজ ভাবে
করতে পারবেন আর এ কাজ গুলোর মূল্যও অনেক বটে।তবে আমেরিকা তে কাজের তুলনায়
শ্রমিকের পরিমাণ খুব কম।তাই এখানে কাজ বেশি আর কাজের বেতন ও বেশি।তো এই
কাজগুলো করতে অবশ্যই কাজগুলো ব্যাপারে জ্ঞান থাকতে হবে। কিন্তু এটার আগে
প্রথমে ই আপনার ভিসা থাকতে হবে।এমন কিছু সহজ কাজের নাম যেগুলি আপনারা প্রথম
অবস্থাতে ই সহজ ভাবে করতে পারবেন সেগুলোর তালিকা আমরা আমাদের আজকের আর্টিকেল
আমেরিকা কোন কোন কাজের চাহিদা বেশি এ লিখে দিছি। নিচে কাজগুলো বর্ননা করা
হলো:
- স্টোর কিপার
- নার্সিং জব
- শিক্ষকতা পেশা
- ইন্জিনিয়ারিং জব
- ন্যানিস জব
- ফ্লাওয়ার শপ
- রাঁধুনির চাকরি
- থেরাপিস্ট
- দক্ষ শ্রমিক
উপরোক্ত সারিতে লেখা কাজগুলো আমেরিকা তে প্রথম অবস্থায় করে ভালো পরিমানে
বেতন পেতে পারবেন। উল্লেখ করা কাজ গুলো করে আমেরিকা যে ভালো পরিমানে বেতন
পাওয়া যায়। এছাড়া এই কাজ গুলো বৈধ এবং নিরাপদ ও বটে।এই কাজগুলোর বিস্তারিত
তথ্য নিচে লিখে দেওয়া হইছে।
আমেরিকাতে স্টোর কিপারের কাজের চাহিদা বেশি
বর্তমানে আমেরিকাতে স্টোর কিপারের কাজের জন্য চাহিদা খুব বেশি। আপনাদের
সুবিধার জন্য আমরা আজকের আর্টিকেল আমেরিকা কোন কোন কাজের চাহিদা বেশি যে সব
কিছু বিস্তারিত ভাবে লিখে দিছি। আমেরিকাতে স্টোর কিপারের কাজের চাহিদা
বেশী।কারন এখানে মানুষ জন অনেক কেনাকাটা করে থাকেন।তাদের সামাল দেওয়ার জন্য
স্টোরের এসিস্ট্যান্ট এর খুব দরকার হয়। বর্তমানে আমেরিকা তে স্টোরের পরিমাণ
বেশি কিন্তু সে তুলনায় স্টোর কিপারের পরিমাণ খুব ই কম।যার জন্য স্টোরের
মালিক দের খুব সমস্যায় পড়তে হয়। তাদের স্টোর টাকে সামলানোর জন্য পর্যাপ্ত
পরিমাণে লোক থাকে না যার কারণে তাদের চিন্তায় থাকতে হয়।
তারা তাদের স্টোরের জন্য স্টোর কিপার রাখতে স্টোরের বাইরে বিজ্ঞাপন দিয়ে
থাকেন।এছাড়া বিভিন্ন পোস্টারে কাজের বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকেন বেশি বেতনে।এই স্টোর
কিপার রা তাদের স্টোরের যাবতীয় সব কাজ করে থাকে এবং স্টোর কে সামলায়ে থাকে।
জিনিসপত্রের মেয়াদ দেখাশোনা করা মেয়াদ উত্তীর্ণ পন্য গুলো সরিয়ে নতুন পন্য
আনা পন্য ঠিক ভাবে সাজায় রাখা গ্রাহক দের প্রয়োজন অনুযায়ী জিনিস গুলো আনা
এসব ব্যাপারে কাজগুলো স্টোর কিপার দের করতে হয়।তো আপনি যদি নতুন হিসাবে আমেরিকা তে যান তাহলে নিজের খরচ জোগাড় করতে
প্রথমেই এই সহজ কাজ টা করতে পারেন।এই স্টোর কিপারের কাজ।কারন আমেরিকা দেশ টা
বড় হয়ে যাচ্ছে আর দিন দিন আরো আধুনিক হচ্ছে।
এই শহরে নানা রকমের স্টোর ও হচ্ছে কিন্তু স্টোর কিপারের সংখ্যা কম তাই আপনি
নিজেকে এই কাজের মধ্যে সহজেই জড়াতে পারেন।তারা বেতন ও ভালো দিবে।আর কাজটা
আপনার জন্য একদম সহজ ও। আমেরিকার এই স্টোর কিপারের কাজ হলো কাস্টমার দের
প্রয়োজন অনুযায়ী জিনিস গুলো এনে দেওয়া তাদের পছন্দ অপছন্দ দেখা তাদের
বাজেট অনুযায়ী জিনিস দেখানো তাদের নির্বাচন করতে সাহায্য করা এগুলো একজন
স্টোর কিপারের কাজ।এই কাজ গুলো যদি আপনি ভালো ভাবে করতে পারেন তাহলে মালিকেরা
শিঘ্রই আপনার বেতন বেশি করে দিবেন।যেটা আপনার জন্য লাভজনক আর সহজেই নিরাপদ
ভাবে কাজ করার উপায় হয়ে দাঁড়াবে।
আমেরিকাতে নার্সিং জবের চাহিদা বেশি
বর্তমানে উন্নয়নশীল দেশ আমেরিকাতে নার্সিং জবের চাহিদা বেশি। আমেরিকা একটি
উন্নয়নশীল দেশ।এই দেশ টা পৃথিবীর ধনী দেশ গুলোর মধ্যে একটি।দিন দিন এই
আমেরিকা আরো বেশি আধুনিক হয়ে উঠছে। আধুনিক শহর হয়ে উঠার পাশাপাশি এই দেশের
বিভিন্ন শহরে অনেক বড় বড় হসপিটাল আর ক্লিনিক তৈরি হচ্ছে।এগুলোর কোনোটা
সরকারি আবার কোনোটা বেসরকারি।তবে এগুলো তৈরি হওয়ার পাশাপাশি এগুলোতে কাজ
করার জন্য নার্স এর চাহিদা ও অনেক বেশি হচ্ছে।যে পরিমানে এই সরকারি এবং
বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক তৈরি হচ্ছে সে পরিমাণে নার্স নাই সেখানে। এজন্য
নার্সিং জবের চাহিদা আমেরিকা যে বেশি। আপনাদের সুবিধার জন্য আমরা আজকের
আর্টিকেল আমেরিকা কোন কোন কাজের চাহিদা বেশি যে সবকিছু বিস্তারিত ভাবে লিখে
দিছি।
আমেরিকাতে নানা রকমের ও অনেক বেশি পরিমাণে হাসপাতাল ও ক্লিনিক তৈরি হচ্ছে
কিন্তু সেগুলো তে কাজ করার জন্য নার্স এর ব্যাপক অভাব। আপনি যদি এই নার্সিং
জবের জন্য উপযুক্ত হয়ে থাকেন তাহলে আমেরিকা তে গিয়ে প্রথমেই নার্সিং জবের
জন্য এপ্লাই করে কাজটা করতে পারবেন। আপনি সরকারি বা বেসরকারি যে কোনো হসপিটাল
বা ক্লিনিক এ জব করেন না কেন তাও আপনার বেতন তারা বেশি দিবে। আমেরিকার গ্রাম
বা শহরের যেকোনো হসপিটাল বা ক্লিনিক এ সরকারিভাবে বা বেসরকারি ভাবে যেভাবেই
চাকরি করেন না কেন আপনার বেতন বেশি হবে ই।আমেরিকা তে দিন দিন বয়স্ক লোকজন এর
সংখ্যা বেড়ে যাচ্ছে আর অসুস্থ রোগীরাও বাড়ছে।তারা হসপিটাল আর ক্লিনিক এ
ভর্তি হচ্ছে।আর তাদের দেখাশোনা করার জন্য এসব প্রতিষ্ঠান গুলো নার্স দের
হায়ার করছে।
আমেরিকাতে শিক্ষকতা পেশার চাহিদা বেশি
বর্তমানে উন্নয়নশীল ও আধুনিক শহর আমেরিকাতে শিক্ষকতা পেশার চাহিদা অনেক
বেশি। আমাদের আজকের আর্টিকেল আমেরিকা কোন কোন কাজের চাহিদা বেশি এ আমরা
সবকিছু বিস্তারিত ভাবে বর্ননা করে দিছি। আমেরিকা আধুনিক শহর হয়ে উঠছে।এটার
পাশাপাশি এখানে অনেক স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হচ্ছে। আমেরিকা দেশ কে
শিক্ষিত দেশ হিসেবে তৈরির জন্য সরকার এসব নির্মাণ করছেন। কিন্তু এই
প্রতিষ্ঠান গুলোতে শিক্ষার্থীদের তুলনায় শিক্ষকদের পরিমান খুব ই কম।যার
কারনে শিক্ষার্থীরা ভালো ভাবে পড়ালেখার সুযোগ সুবিধা পাচ্ছে না। তাদের জন্য
আরো শিক্ষকদের দরকার।
তো এই কারনে আমেরিকান সরকার প্রতি বছর নানা দেশে শিক্ষকতা পেশার জন্য বেশি
বেতন দিয়ে বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে। আপনি যদি নতুন হিসাবে আমেরিকা তে কাজের জন্য
গিয়ে থাকেন আর যদি শিক্ষিত হয়ে থাকেন তাহলে তাদের প্রতিষ্ঠানগুলো তে আবেদন
করে চাকরি টা করতে পারেন। সরকারি বা বেসরকারি যে কোনো টাতেই চাকরি করলে আপনার
বেতন বেশি ই দিবে। এছাড়া আমেরিকা তে হোম টিউটর এর চাহিদাও অনেক বেশি। অনেক বাবা মা আছেন যারা
তাদের সন্তানদের আলাদা ভাবে বড় করতে চান তারা বাসায় হোম টিউটর রাখেন।হোম
টিউটর এর বেতন ও বেশি হয়ে থাকে।
তারা শিক্ষার্থীদের বাসায় গিয়ে তাদের পড়ালেখা করান। এগুলো ছাড়াও আমেরিকা
তে ল্যাংগুয়েজ টিচার বা ভাষা শিক্ষকের চাহিদা ও অনেক বেশি।তারা
শিক্ষার্থীদের নানা দেশের ভাষা শিখিয়ে থাকেন।এটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ আর
আমেরিকা তে এটার মূল্য অনেক বেশি। ল্যাঙ্গুয়েজ টিচারের কাছে শিক্ষার্থীরা
ভালোভাবে তাদের ইচ্ছাকৃত দেশের ভাষা শিখতে পারে। ল্যাংগুয়েজ টিচার এর বেতন
অনেক বেশি হয়ে থাকে।আর তাদের চাহিদাও অনেক বেশি।
আমেরিকাতে ইন্জিনিয়ারিং জবের চাহিদা বেশি
বর্তমানে উন্নয়নশীল দেশ আমেরিকাতে ইন্জিনিয়ারিং জবের চাহিদা অনেক বেশি।
ইন্জিনিয়ারিং জবের জন্য এই দেশটি যে অনেক চাহিদা আছে। আপনাদের সুবিধার জন্য
আমরা আমাদের আজকের আর্টিকেল আমেরিকা কোন কোন কাজের চাহিদা বেশি যে সব তথ্য
বিস্তারিত ভাবে বর্ননা করে দিছি।আমেরিকা আধুনিক শহর হয়ে উঠছে দিন দিন।মূলত
একটি আধুনিক শহরে বড় বড় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ব্যাংক স্টোর ক্লিনিক সরকারি
অফিস আদালত কোর্ট শপিং মল মজুদ থাকে।এগুলো নির্মাণ করতে হয়।এই নির্মান কাজ
করার জন্য ইন্জিনিয়ার এর দরকার হয়।তবে আমেরিকা যে এই ইন্জিনিয়ার এর সংখ্যা
কম কিন্তু কাজের সংখ্যা বেশি।
আমেরিকান সরকার প্রতি বছর এই ইন্জিনিয়ারিং কাজের জন্য বিভিন্ন দেশে
ইঞ্জিনিয়ারিং কাজের বেশি বেতন দিয়ে বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে।আপনি যদি নতুন হিসাবে আমেরিকা তে কাজের জন্য গিয়ে থাকেন আর যদি অভিজ্ঞ হয়ে
থাকেন তাহলে আপনি অবশ্যই এই চাকরি টা করতে পারবেন।আপনাকে শুধু তাদের
প্রতিষ্ঠানে আবেদন করতে হবে এরপর চাকরি পেয়ে যাবেন।এই ইন্জিনিয়ারিং জবের
জন্য আপনাকে তারা অবশ্যই বেশি পরিমাণে বেতন দিবে।তবে আপনাকেও এই কাজের জন্য
অবশ্যই দক্ষ ও অভিজ্ঞ হতে হবে।
তার ফলে আপনার বেতন বেশি হবে। ইন্জিনিয়ারিং কাজ কে আমেরিকা তে অনেক মূল্য
দেওয়া হয়।এই জব প্রথম স্তরের জব।সবাই এই কাজের জন্য উপযুক্ত হয় না তবে
যারা হয় তাদের মূল্য অনেক বেশি।আর আপনিও যদি এই কাজটা করতে চান তাহলে
আপনাকেও হতে হবে উপযুক্ত।কারন ইঞ্জিনিয়ারিং চাকরির বেতন যেমন বেশি তেমন এই
কাজের জন্য দক্ষতা সম্পুর্ন আর অভিজ্ঞতা সম্পন্ন লোকদের দরকার হয়।এছাড়া
তারা নিবেন না।তাই আপনি যদি আমেরিকা যে এই কাজ টা করতে চান তাহলে আপনাকে
উপযুক্ত হতেই হবে।
আমেরিকাতে ন্যানিস জবের চাহিদা বেশি
বর্তমান সময়ে আধুনিক দেশ আমেরিকাতে ন্যানিস জব এর চাহিদা অনেক বেশি পরিমাণে
দেখা যাচ্ছে। আপনাদের সুবিধার জন্য আমরা আমাদের আজকের আর্টিকেল আমেরিকা কোন
কোন কাজের চাহিদা বেশি যে সব তথ্য বিশ্লেষণ করে দিছি।ন্যানিস জব হলো ছোট
বাচ্চাদের দেখাশোনা করার একটা কাজ।এখানে যিনি বাচ্চার খেয়াল রাখেন তিনি হলেন
ন্যানি। সাধারনত আমেরিকা তে সুনামধন্য পরিবারের সদস্যরা তাদের সন্তানদের
বিশেষ ভাবে দেখাশোনা আর খেয়াল রাখার জন্য ন্যানি রাখেন।ন্যানি রা বাচ্চাদের
সাথে সবসময় থাকে।এছাড়া আমেরিকা তে এমন পরিবার আছে যেখানে বাবা মা উভয় ই
চাকরি করার জন্য বাচ্চাদের খেয়াল রাখতে পারেন না।তারা সময় পান না।এমন বাবা
মায়েরাও তাদের বাচ্চাদের জন্য ন্যানি রেখে দেন।ন্যানি রা বাচ্চাদের সাথে
থেকে তাদের প্রয়োজনীয় সব কাজ করতে থাকে।
ন্যানির কাজ সময় অনুযায়ী করতে হয়।বাবা মায়েরা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত
তাদের সন্তানদের জন্য ন্যানিদের রাখেন।সেই সময়টাতে তারা কাজে থাকেন আর
ন্যানি থাকে বাচ্চাদের সাথে। বাচ্চাদের খাওয়ানো তাদের কাপড় বদলে দেওয়া
তাদের ঘুম পাড়ানো তাদের সঙ্গে খেলা করা এসব ন্যানি রা করে। নির্দিষ্ট সময়
পর বাবা মা কাজ থেকে ফিরে ন্যানি কে তার উপযুক্ত বেতন দিয়ে দেন তখন ন্যানি
চলে যায়।কখনো কখনো কিছু পরিবার সবসময় থাকার জন্য বাচ্চাদের জন্য ন্যানি
রেখে দেন।তবে এসব ন্যানিদের ও অভিজ্ঞ ও দক্ষতা সম্পন্ন হতে হয়। বাচ্চাদের
ব্যাপারে সব কিছু জানতে হয়।ন্যানি দের বেতন বেশি হয়ে থাকে। এছাড়া আপনি যদি
নতুন হিসাবে আমেরিকা তে গিয়ে থাকেন আপনি নিঃসন্দেহে এই কাজটা করে ভালো
পরিমানে অর্থ উপার্জন করতে পারবেন।এটা আপনার জন্য বেশ লাভজনক হবে।
আমেরিকাতে ফ্লাওয়ার শপের কাজের চাহিদা বেশি
বর্তমানে আমেরিকাতে ফ্লাওয়ার শপের কাজের জন্য লোকজন নিতে বেশি দেখা যায়।
ফ্লাওয়ার শপে কাজ করার জন্য প্রায় ই অনেক বিজ্ঞাপন দেখা যায়।এ থেকে বোঝা
যায় এখানে ফ্লাওয়ার শপের কাজের চাহিদা বেশি। অনেক কাজেই আমেরিকান রা ফুল
ব্যবহার করে থাকে।ফুলের গুরুত্ব তাদের কাজে অনেক বেশি।
সে অনুযায়ী আমেরিকা তে ফ্লাওয়ার শপ ও আছে অনেক। আমেরিকা তে বিভিন্ন
অনুষ্ঠান যেমন
- বিয়ে
- জন্মদিন
- মৃত্যুবার্ষিকী
- উপহার
- কাউকে শুভেচ্ছা জানাতে
- সাজার জন্য
- অ্যানিভার্সারি
- ঘর সাজাতে
- হোটেলে
- খাওয়ার টেবিলে সাজায় রাখতে
- যেকোনো অনুষ্ঠান
- খাওয়ার জন্য (কিছু ফুল খাবারে ব্যবহার করা হয়)
উল্লেখিত কাজগুলো তে ফুল ব্যবহার করে থাকে আমেরিকানরা।এসকল কাজের জন্য ফুল
ব্যবহার করা হয়।তো এই কাজগুলো করার জন্য ফুলের অনেক চাহিদা হয়।এই চাহিদা
পুরন করতে ফ্লাওয়ার শপ কে অনেক ফুল আনতে হয়।তবে কাস্টমার দের তাদের পছন্দ
মতো ফুল বাছায় করে দিয়ে সেই ফুল রাপিং করে কখনো বুকেট বানায় দিতে স্টাফ
দের দরকার হয়।আর এ কারনে আমেরিকার ফ্লাওয়ার শপের বাইরে প্রায় ই সেখানে কাজ
করার জন্য লোকের বিজ্ঞাপন দেখা যায়। তারা লোক নেয় এবং তাদের সেই শপ
সামলানোর দায়িত্ব দেয়।ফুলে পানি দেওয়া ভালো ফুল গুলো সামনে রাখা ফুল
বাছায় করতে সাহায্য করা এসব কিছু হলো ফ্লাওয়ার শপের স্টাফ দের কাজ।আপনি যদি
নতুন হিসাবে আমেরিকা তে কাজের জন্য গিয়ে থাকেন তাহলে এই ফ্লাওয়ার শপে কাজ
করা টা আপনার জন্য সবচেয়ে বেশি সহজ হবে।আর বেতন ও ভালো পাবেন।এতে আপনি উপকৃত
হতে পারবেন।
আমেরিকাতে রাঁধুনির চাকরির চাহিদা বেশি
বর্তমানে আমেরিকাতে অনেক ধরনের রেস্টুরেন্ট তৈরি হয়েছে।শহরটা যেহেতু আধুনিক
শহরে পরিণত হচ্ছে তাই রেস্টুরেন্ট ও তৈরি হচ্ছে বেশি পরিমাণে।আর এসব
রেস্টুরেন্ট ও আলাদা আলাদা ভিন্ন ভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। এক এক রেস্টুরেন্টে
খাবার পাওয়া যায় এক এক রকমের। কিছু রেস্টুরেন্ট যেমন
- নুডুলস এর রেস্টূরেন্ট
- রাইস এর রেস্টূরেন্ট
- সি ফুডের রেস্টূরেন্ট
- ফ্রাই এর রেস্টূরেন্ট
- ভেজিটেবল এর রেস্টূরেন্ট
উপরোক্ত সারিতে লিখিত রেস্টুরেন্ট গুলো আমেরিকা তে আছে।এছাড়া আরো অনেক
রকমের ভিন্ন ভিন্ন রেস্টুরেন্ট ও আছে।তবে আমেরিকা তে রেস্টুরেন্ট এর পরিমাণ
বেশি হচ্ছে দিন দিন।এই রেস্টুরেন্ট গুলো যে কাজ করার জন্য অনেক বিজ্ঞাপন ও
দেখতে পাওয়া যায়। অনেক মানুষ ই যায় সেখানে কাজ করতে। আমেরিকার প্রতি টা
রেস্টুরেন্টে বেতন অনেক বেশি।তারা
- সেফ
- হেল্পিং স্টাফ
- ক্লিনিং স্টাফ
- কুকিং স্টাফ
- ওয়েবার
- ফুড কাটিং স্টাফ
এসব পর্যায়ে কাজ করার জন্য লোকজন নিয়ে থাকেন।আপনি যদি বাংলাদেশ থেকে
আমেরিকা যে নতুন হিসাবে গিয়ে থাকেন আর যদি বাঙালি রান্না জেনে থাকেন তাহলে
আমেরিকার যেকোনো রেস্টুরেন্টে গিয়ে এ কথা জানাবেন তারা তখন আপনার রান্না
টেস্ট করে পছন্দ হলে আপনাকে হ্যায়ার করে নিবে।আর আমেরিকান রা অন্যান্য দেশের
নানা রকমের খাবার টেস্ট করতে খুব পছন্দ করে থাকে।তাই আপনার জন্য এটা লাভজনক
হবে কারন এই রেস্টুরেন্টে কাজের বেতন বেশি হয়ে থাকে।
আমেরিকাতে থেরাপিস্ট এর চাকরির চাহিদা বেশি
বর্তমানে উন্নয়নশীল আমেরিকা তে কাজের জন্য অনেক অপশন ই দেখা যায়।যার মধ্যে
একটা হলো থেরাপিস্ট এর চাকরি। আমেরিকা দেশ টাতে থেরাপিস্ট দের কাজের চাহিদা
অনেক বেশি। আমেরিকা তে কাজ এর পরিমান বেশি কিন্তু কাজ করার জন্য লোকজন এর
পরিমাণ খুব কম।এই কাজগুলো করার জন্য আমেরিকার সরকার প্রতিবছর বিভিন্ন দেশে
বেশি বেতনে কাজের বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে।এমনি একটা কাজ হলো থেরাপিস্ট এর কাজ।
বর্তমানে বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষ সহ আরো অনেক মানুষ জন আছেন যাদের থেরাপি দেওয়ার
প্রয়োজন হয়ে থাকে।তাদের শরীরের যে কোনো ব্যথা কমাতে এই থেরাপি বেশ ভালো কাজ করে থাকে।
তবে এই থেরাপি দেওয়ার জন্য থেরাপিস্ট কে দক্ষ আর অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হতে হয়।
একমাত্র দক্ষ থেরাপিস্টরা ই ঠিক ভাবে থেরাপি দিতে পারে।কারন থেরাপি দেওয়ার ও
সঠিক নিয়ম কানুন আছে আর সেই নিয়ম কানুন মেনে থেরাপি দিলে সহজেই ব্যথা কমানো
যায়।এ জন্য আমেরিকা যে থেরাপিস্ট দের চাহিদা অনেক বেশি পরিমাণে আছে। আপনি
যদি এই থেরাপি দেওয়ার জন্য অভিজ্ঞ হয়ে থাকেন তাহলে আপনাকে তারা অবশ্যই নিবে
আর থেরাপিস্ট দের বেতন সবসময় ই বেশি হয়ে থাকে।এতে করে আপনি অনেক লাভবান হতে
পারেন।
আমেরিকাতে দক্ষ শ্রমিকের চাহিদা বেশি
বর্তমানে আমেরিকাতে দক্ষ শ্রমিকের কাজের বেশ চাহিদা দেখা যায়।তাদের কাজের
জন্য অনেক জায়গায় খোঁজ আর বিজ্ঞাপন দেওয়া থাকে। দক্ষ শ্রমিকের সংখ্যা
আমেরিকা তে অনেক কম। কিন্তু তাদের কাজ বেশি।তাই আমেরিকার সরকার প্রতি বছর
বেশি বেতনের কথা উল্লেখ করে নানা দেশে দক্ষ শ্রমিকের চাকরির জন্য বিজ্ঞাপন
দিয়ে থাকে।সেই বিজ্ঞাপন অনুযায়ী অনেক শ্রমিকেরা ই যায় কাজ করতে।তারা বেশ
ভালো পরিমানে বেতন ও পেয়ে থাকে। দক্ষ শ্রমিক যেমন
- ক্লিনিং ম্যান
- ট্রাক ড্রাইভার
- টুরিস্ট গাইড
- হসপিটাল স্টাফ
উপরোক্ত সারিতে উল্লেখ করা সেসব শ্রমিকের চাহিদা আমেরিকাতে খুব বেশি।এ সব
কাজের জন্য চাহিদা খুব বেশি কিন্তু এই কাজ গুলো করার জন্য শ্রমিকের সংখ্যা
খুব কম। তাই এই কাজ গুলোর জন্য শ্রমিকের খুব দরকার।তবে তারা তাদের কাজের জন্য
ভালো পরিমানে বেতন ও পেয়ে থাকে।আপনি যদি এই কাজগুলো তে দক্ষ হয়ে থাকেন এবং
অভিজ্ঞতা সম্পন্ন হয়ে থাকেন তাহলে আমেরিকা তে গেলে সহজেই এই কাজ গুলো পেয়ে
যাবেন এবং ভালো পরিমানে অর্থ উপার্জন করে লাভবান হতে পারবেন।
সম্পূর্ণ আর্টিকেল ব্যাপারে লেখকের মতামত
কাজের সন্ধানে দেশের বাইরে যাওয়া ব্যাপারটি স্বাভাবিক।আমাদের দেশ থেকে
প্রতিবছর ই অনেক পরিমাণে মানুষ জন দেশের বাইরে যান কাজের সন্ধানে।সেখানে তারা
জীবিকা নির্বাহ করে অর্থ উপার্জন করে পরিবারের সাহায্য করে থাকেন। তেমনি এমন
অনেক মানুষ ই আছে যারা জীবিকা নির্বাহ করার জন্য আমেরিকা তে যেতে চান কিন্তু
সেখানে কোন কোন কাজ তারা সহজেই করে উপকৃত হতে পারবেন সেটা তারা জানেন না।
শুধু মাত্র এই একটা কারনেই তারা থেমে যান আমেরিকা যাওয়া থেকে।তো তাদের
অসুবিধার সমাধান করার জন্য আমরা আজকের আর্টিকেল টা লিখছি।আমাদের আজকের
আর্টিকেল টা তে আমরা লিখছিলাম আমেরিকা তে কোন কোন কাজের চাহিদা বেশি এই
ব্যাপারে।
আমরা আমাদের সর্বোচ্চটা দিয়ে আপনাদের সুবিধার জন্য সবটুকু
জানাইছি।সহজ ভাবে সব কথা গুলোকে উপস্থাপন করে আপনাদের সামনে তুলে
ধরেছি।আশা করি আপনাদের ভালো লেগেছে।যদি ভালো লেগে থাকে তাহলে অবশ্যই নিকটস্থ
বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না।যদি আরো কিছু জানার থাকে তাহলে
অবশ্যই একটা কমেন্ট করবেন। এতক্ষণ ধরে আমাদের পাশে থাকার জন্য আপনাদের
অসংখ্য ধন্যবাদ। আজকের জন্য এই পর্যন্তই।বিদায়!

.webp)

আপনি নিবোর্ন সাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url