ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর ১০টি ঘরোয়া উপায়
ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর ১০টি ঘরোয়া উপায়। আপনার কি মেদ বা ভুঁড়ি বেড়ে
গেছে?ওজন দিন দিন বাড়তিছে?ওজন বাড়তিছে সেজন্য লজ্জা পাচ্ছেন?ওজন বেড়ে বেড়ে
পেটের ভুঁড়ি বেড়ে যেয়ে জামার উপর দিয়ে পেট ফুলে উঠতিছে?এ ওজন বাড়া আর
চর্বি বাড়ার চিন্তা তে শেষ হয়ে যাচ্ছেন?ওজন এর উপর নিজের কোনো কন্ট্রোল
থাকতিছে না?তাহলে আমাদের আর্টিকেলটি আপনার জন্য।মন দিয়ে পড়লে শুধু বুঝতে
পারবেন।আশা করি মন দিয়ে পড়বেন।
মেদ বেড়ে যাওয়া একটা কমন সমস্যা হয়ে দাঁড়াইছে। অনেক রকমের অনিয়ম এর
কারনে এই মেদ বা ভুঁড়ি বা ওজন যেটাই বলেন না কেন বেড়ে যাচ্ছে দিন এর পর
দিন।আপনার মন খারাপ করার কোনো রকম দরকার ই নাই। আপনার সমস্যা নিয়ে সমাধান
করার জন্যে ই আমাদের আজকের এ আর্টিকেল টা লেখা হইছে।ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর
১০টি ঘরোয়া উপায়।তো তাইলে চলেন শুরু করা যাক।
পোষ্ট সূচিপত্রঃঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর ১০টি ঘরোয়া উপায়
- ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর ১০টি ঘরোয়া উপায়
- ফাস্ট ফুড বর্জন করা ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর সর্বশ্রেষ্ঠ উপায়
- নিয়মিত সুষম খাদ্য গ্রহণ করা ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর গুরুত্বপূর্ণ উপায়
- নিয়মিত ব্যায়াম করা ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর জলদি উপায়
- অধিক ফলমূল ও শাকসবজি খাওয়া ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর সবচেয়ে সহজ উপায়
- অত্যাধিক পানি খাওয়া ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর স্বাস্থ্যকর উপায়
- পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানো ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর মূল উপায়
- মানসিক চাপমুক্ত থাকা পেটের মেদ কমানোর অন্যতম উপায়
- কোমল পানীয় পরিহার করা ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর অন্যতম উপায়
- খাবার খাওয়ার পর পরই শুয়ে পড়া বর্জন করা ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর সাহায্যকর উপায়
- অ্যালকোহল ত্যাগ করা পেটের মেদ কমানোর কার্যকরী উপায়
- ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর ১০টি ঘরোয়া উপায় এর ইতি / কথা
ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর ১০টি ঘরোয়া উপায়
আমরা অনেকেই আছি যারা ওজন বাড়া,মেদ বাড়া আর ভুঁড়ি বেড়ে যাওয়ার সমস্যা তে ভুগি।এ সমস্যা আমাদের নিত্য দিনের একটা চেনা সমস্যা।এটা আমাদের অনেক ভোগান্তি তে ফেলে।এ মেদ এর কারনে আমরা অনেক এই নিজেদের দামী কাপড় আর পছন্দের কাপড় পড়তে পারতেছি না।এটা আমাদের জন্য অনেক কষ্টের।তো এ মেদের কারনে আমাদের সমস্যা হয় কি যে আমরা আমাদের পছন্দের কাপড় গায়ে দেই ঠিক ই কিন্তু হয় কি যে গায়ের বিভিন্ন বিভিন্ন জায়গা যেমন হাতের বাহু বুকের জায়গা পেট কোমড়ে কাপড় টাইট হয়ে যায়।যেটা দেখতে বাজে লাগে আর গায়ে দেওয়ার পরও অস্বস্তি লাগে।যেটা কষ্টদায়ক ব্যাপার আমাদের জন্যে।তো এ সমস্যা আমাদের প্রায় সবার ই দেখা যায়।এটা দেখতেও খারাপ লাগে। লজ্জা লাগে।তো আপনারা যারা এ ধরনের সমস্যা যে ভুগতিছেন চিন্তা করছিতেন তাদের জন্য আমরা আজকের আর্টিকেলটি তৈরি করছি।এ আর্টিকেল এ দেওয়া আছে।ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর ১০টি ঘরোয়া উপায়।এটা পড়ে আপনারা অবশ্যই উপকার পাবেন এটা ই আশা করতেছি।তো এ আর্টিকেল টা অবশ্যই মন দিয়ে পড়বেন নয়তো কিছুই বুঝতে পারবেন না।তো এ আর্টিকেল এ কি কি লেখা হইছে সেটা পড়ে দেখি চলেন।তাহলে চলেন শুরু করা যাক আজকের আর্টিকেল।ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর ১০টি ঘরোয়া উপায়।
ফাস্ট ফুড বর্জন করা ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর সর্বশ্রেষ্ঠ উপায়
আপনারা অনেকেই আছেন বাইরে গিয়ে ফাস্টফুড কিনে খান।এখন তো আধুনিক যুগ।সবাই ঘরে বসেই খান। শুধু ফোন টা নেন আর অর্ডার করেন।সাথে সাথে অর্ডার চলে আসে।আপনারা শুধু দরজা খুলে খাবারটা নেন।দরজা বন্ধ করে রুমে এসে প্যাকেট খুলে খাবারটা খান। মনে করতিছেন যে জীবন অনায়াসে যাচ্ছে আর জীবন টা খুব সহজ তাইনা?মুখ দিয়ে খাবার গিলতেছেন আর এদিকে যে পেট বাড়তিছে গা বাড়তিছে তার দিকে খেয়াল আছে কি?তা তো আর দেখবেন না।পরে ঠিক ই চিল্লাচিল্লি করবেন কাঁদবেন যে আমার ওজন বাড়তিছে গা আর পেট ফুলে যাচ্ছে।তখন তো কান্না কাটি করে লাভ নাই। শুধু স্বাদের জন্যে খাইলেন কিন্তু স্বাস্থ্য আর শরীর দেখলেন না তা করলে তো এমনিতেই ওজন বাড়বে।তো তাহলে আপনার কি করা উচিত?
এখন ওজন কে কমাতে চাইলে প্রথমেই ফাস্ট ফুড ছেড়ে দেন। ঘরে বসে পেটের মেদ
কমানোর ১০টি ঘরোয়া উপায় ।এর মধ্যে এটাই প্রথম উপায়। বাইরের অস্বাস্থ্যকর
খাবার ছেড়ে দেন। নিজের শরীর আর স্বাস্থ্যের দিকে তাকান। ফাস্ট ফুডে অনেক
কোলেস্টেরল আর ফ্যাট থাকে। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আর বারবার ব্যবহার করা তেল
দিয়ে খাবারগুলি তৈরি করে।এটা স্বাস্থ্যের অনেক মারাত্মক ক্ষতি
করে।হৃদপিন্ডের ঝুঁকি বাড়ায় আর গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা করে।লিভারকে অকেজো করে
দেয়। এগুলি আপনার শরীরকে আর কমতে দেয় না।তাই মেদ কমানোর জন্য প্রথমেই আপনে
বাইরের খাবার খাওয়া ছেড়ে দেন।এটা ছাড়লে অনেক টাকাও জমা হবে আপনার।
নিয়মিত সুষম খাদ্য গ্রহণ করা ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর গুরুত্বপূর্ণ উপায়
সুষম খাবার মানে হলো শাকসবজি ফলমূল মাছ মাংস দুধ ডিম। এগুলি কে সুষম খাদ্য বলে।এগুলি আমাদের শরীরের জন্য ভালো আর শুধু ভালো না জরুরি আর অনেক অনেক অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।এগুলি খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তো বাড়ে ই সাথে শরীর সুস্থ থাকে।এই সুস্থ থাকাটা আমাদের জন্য খুবই দরকার।শরীর সুস্থ থাকলে পড়ালেখা কাজ যাবতীয় কার্যকলাপ সব ঠিকভাবে চলে।মন ও ভালো থাকবে।সুষম খাবার আমাদের শরীরের ভারসাম্য কে ঠিক রাখে যার জন্য আমরা সুস্থ আর স্বাস্থ্যবান থাকি।এই সুস্থতা আমাদের সব কাজ ভালোভাবে হতে সাহায্য করে। এজন্য আমাদের রোজ সুষম খাবার খাওয়া উচিত। বিশেষ করে বয়ঃসন্ধিকালের ছেলে মেয়েদের।কারন এই সময়টায় তাদের শরীর গঠন হতে শুরু করে আর শরীরে অনেক ভিটামিন সহ অনেক কিছুর দরকার হয়। সুষম খাদ্য খেলে এ ঘাটতিগুলি পুরন হয়।তো আমাদের শরীরের মেদ কমানোর জন্যেও এই সুষম খাবার খেতে হবে।ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর ১০টি ঘরোয়া উপায়।এর মধ্যে এটা দুই নাম্বার উপায়।যদি এটা ঠিক মতো খাওয়া হয় তাহলে আমাদের শরীরে আর কোনো সমস্যা হবে না।আর সুষম খাবার খেলে আমাদের মেদ ও বাড়বে না। শাকসবজি বেশি করে খেলেও কখনো ই ওজন বাড়ে না। বরং শাকসবজি বেশি খাইলে শরীর তো সুস্থ থাকবে ই সাথে মেদ ও কেটে যাবে। মাছ মাংস খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়ে যায় যার জন্য শরীরে কোনো অসুখ হয় না।আর এই মাছ মাংস খেলে শরীরের মেদ ও বাড়বে না। বিশেষ করে মাছ খেলে। মাংস টা পরিমাণ করে খেলে ভালো। ফলমূল খাওয়া সবচেয়ে বেশি ভালো। খালি পেটে ফলমূল খাইলে আর এ ফলমূল খেয়ে পেট ভরা রাখলেও মেদ বাড়বে না। ভিটামিন সি থাকা ফল বেশি খেতে হবে।লেবু বাতাবি লেবু কমলা লেবু আমলকি মাল্টা।এগুলি খাইলে মেদ চরচর করে কমে যাবে।
নিয়মিত ব্যায়াম করা ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর জলদি উপায়
ব্যায়াম করলে মেদ কমে।এটা আমরা অনেক শুনছি আর শুনিও। ডায়েটিশিয়ান রা বলে ব্যায়াম করলে মেদ ঝরে যায়। আসলেই তাই।ব্যায়াম করলে মেদ ঝরে যায়। কিন্তু এ ব্যায়াম করার জন্য বাইরে জগিং এর দরকার নাই।ঘরে বসে ই করা যাবে। ব্যায়াম অনেক রকম আছে। যেগুলি করলে মেদ তাড়াতাড়ি ধরানো যায়। ব্যায়াম করলে শরীর ও তরতাজা থাকে।যেটা খুব দরকার। ব্যায়াম করলে শরীর ভালো থাকে শরীর সুস্থ থাকে আর মন ফুরফুরে থাকে।পাখির মতো উড়ে বেড়ানো যায়। আমরা ঘরে গিয়ে ব্যায়াম করতে পারি।যেটা করলে আমাদের কিন্তু অনেক সুবিধা ই হবে।লাভ ছাড়া ক্ষতি হবে না একদম ই। ব্যায়াম করার জন্য জিমেও যাওয়া লাগবে না। বাসায় বসেই মেদ কমানো যাবে কিছু ব্যায়াম করেব্যায়াম হলো ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর ১০টি ঘরোয়া উপায়।এর মধ্যে তিন নাম্বার উপায়।ব্যায়াম গুলির মধ্যে একটা হলো স্কিপিং বা দড়ি খেলা।দড়ি খেললে শরীর নড়ে ঘেমে যায়।এ ঘামের মধ্যে দিয়ে ই শরীর থেকে মেদ কেটে যায়।আর শরীর হালকা লাগতে শুরু হয়।আরেকটা ব্যায়াম হইলো পুশ আপ দেয়া।পুশ আপ দিলে চেস্ট এর মেদ কমে আর মেরুদন্ড আর পায়ের হাড্ডি শক্ত হয়।আরো একটা ব্যায়াম হলো বোতল পুশ।এটা একটা ব্যায়াম যেটা করলে পেটের ভুঁড়ি সহজেই কমে যায়। বোতল সামনে রেখে একটু দূরে বসে মাথার পিছে হাত বেঁধে দুটা পা একসাথে লাগায়ে সমান করে বেতলের গায়ে না ঠেকায়ে একবার ডানে আবার একবার বামে পা নিয়ে এ ব্যায়াম করতে হয়।এটা করলে পেট ঘামে আর পেটূ চাপ পড়ে মেদ ঝরে যায়।আরো অনেক ব্যয়াম আছে যেগুলি করলে মেদ তাড়াতাড়ি কমে যায়। সেগুলি জানতে চাইলে কমেন্ট করবেন।
অধিক ফলমূল ও শাকসবজি খাওয়া ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর সবচেয়ে সহজ উপায়
ঠিক ই বলছি আর আপনিও ঠিক ই শুনছেন। বেশি পরিমাণে ফলমূল আর শাকসবজি খাওয়ার ফলে মেদ সহজেই কমে যায়।আর এটা ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর ১০টি উপায়।এর মধ্যে চার নাম্বার উপায়। ফলমূল এ ফ্যাট থাকে না। শুধু থাকে যথেষ্ট পরিমাণে ভিটামিন। শাকসবজি তেও তাই।এ ফলমূল আর শাকসবজি মেদ কমাতে সাহায্য করে। এগুলো বেশী করে খেলেও মেদ বাড়ে না।যেটা সবচেয়ে বেশি আর বড় উপকারী।শরীর সুস্থ ও থাকে আর মেদ ও কমে।এগুলি সুষম খাবার এর মধ্যে ও পড়ে।তাই এগুলি খাওয়া শরীরের জন্য খুব ই জরুরি। সাহায্যকারী খাবার এগুলি।
শাকসবজি আর ফলমূল পেট ভরে খেলেও ওজন আর মেদ বাড়ে না।তাই আপনার বাসায়
সবসবময় কাঁচা খাওয়ার মতো সবজি আর ফল রাখবেন।যখন খুদা লাগবে তখন কাঁচা সবজি
মানে গাজর টমেটো শসা এগুলি খাবেন।আবার ফলমূল পেট ভরে খাবেন।খুদা লাগলেই এগুলো
খাবেন। ফাস্ট ফুড এর জায়গায় মানে ওটার পরিবর্তে ফল আর সবজি খাবেন।পেট ভরে
খাবেন।এগুলো পেট ভরে ফুলে তুলে খাইলেও ভুড়ি আর হবে না। মিষ্টি মিষ্টি ফল
খাবেন।তাজা তাজা সবজিও।তাহলে পেট ও ভরা থাকবে আর মেদ ও কমবে।শরীর সুস্থ
থাকবে।মন ভালো থাকবে।শরীরে শক্তি আসবে।ভুড়ি কমবে।এটা একটা স্মার্ট
ট্রিকস।
অত্যাধিক পানি খাওয়া ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর স্বাস্থ্যকর উপায়
পানি খাওয়া স্বাস্থ্যের জন্য ভালো মানে খুবই ভালো এটা আমরা সবাই জানি।ছোট থেকে ই আমাদের বাবা রা বলে পানি বেশি খাও।পানি খাও।পানি খেয়ে যাও মানে আমাদের দেখলেই বলবেন পানি খাও পানি খাও আর পানি খাও।তখন আমরা কথাটা এড়াই যাইতাম বুঝতাম না আর বিরক্ত হতাম। কিন্তু এখন আমরা ভালো মতোই বুঝি পানির গুরুত্ব কতটা।পানি না খাইলে কত ক্ষতি হয় আর পানি খাইলে কত উপকার হয় এটা এখন আমরা জানি।এখন অনেক এই বলবে পানি খাওয়া কেন বলতেছে?আসলে তো ওটা পানি পান করা হবে ইত্যাদি ইত্যাদি।ভাই!পানি খাওয়া পান করা একই লাগে আমার কাছে। খাচ্ছি তো মুখ দিয়েই আর যাচ্ছে তো পেটেই তাই নয় কি?তো আমি পানি খাওয়া ই বলবো।
যাইহোক পানি খাওয়া টা হলো ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর ১০টি ঘরোয়া উপায়।এর
মধ্যে পাঁচ নাম্বার উপায়।পানি খাইলে শরীর সুস্থ থাকে। সুস্থ রাখার জন্য হলে
ও পানি খাইতে হবে দিনে ৮ থেকে ১০ গ্লাস।পানি খাইলে শরীর সুস্থ থাকে সতেজ থাকে
আর মেদ জমতে দেয় না এই পানি।মনে করেন যে আপনে পেট ভরে ফাস্ট ফুড খাইলেন
তাইলে আপনার মেদ বাড়বে কিন্তু আপনে যদি পেট ভরে পানি খান তাই আপনার মেদ তো
কমবে ই সাথে শরীর তাজা থাকবে।তাছাড়া আপনে যে কাঁদবেন ঐ কাঁদার জন্যে চোখের
পানি তো লাগে ঐ পানিটাও তো চোখে থাকা লাগবে। বেশি বেশি পানি খাবেন চোখের পানি
যেন থাকে কাঁদার জন্যে আর মেদ কমানোর জন্যে।
পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমানো ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর মূল উপায়
যেটা বলছি ওটা ই সত্যি। পর্যাপ্ত ঘুমানো মেদ কমাতে সাহায্য করে।এটা সব থেকে বেশি সহজ উপায়। কিভাবে জানেন?আমাদের শরীরের জন্য ঘুম অত্যাবশ্যকীয় বিষয়।এই ঘুম ঠিকমতো না হলে আমাদের মন মস্তিষ্ক আর শরীর কোনোটাই ঠিক থাকে। ভালো ভাবে কাজ করতে পারে না। শরীরের প্রতিটি অঙ্গের বিশ্রামের দরকার হয়। ঘুম এ বিশ্রাম টা শরীরের প্রতিটি অঙ্গ কে দেয়।ঘুমের কারনে আমরা ঠিকমতো চলতে পারি। মোবাইলের যেররকম চার্জ লাগে চলার জন্যে আমাদের শরীরেও সেরকম ঘুম লাগে ঠিক ভাবে চলার জন্যে।ঘুম আমাদের হরমোনাল ব্যালেন্স ও ঠিক রাখে।একজন মানুষ ঠিকমতো না ঘুমাইলে ধীরে ধীরে সে দুর্বল হয়ে মৃত্যুর দিকে আগায় যাবে। আবার বেশি ঘুম ও ভালো না শরীরের জন্য।ঘুম যেটা আমাদের অবশ্যই দরকার।ঘুম এর কারনে আমরা সুস্থ থাকি।এ ঘুম আমাদের শরীরের জন্য চার্জ। পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম সবার দরকার।তবে বেশি ঘুম ও শরীরের জন্য ভালো না। বেশি ঘুমালে শরীরের মেদ বাড়ে যেটা সহজে কমতে চায় না। একজন স্বাভাবিক মানুষের দৈনিক ৮ ঘন্টা ঘুম প্রয়োজন।আর এ ঘুম হলো ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর ১০ টি উপায় ।এর মধ্যে ছয় নাম্বার উপায়। স্বাভাবিক ভাবে না ঘুমালে বা ঘুমের ঘাটতি হইলে ওজন বেড়ে যায়। সেজন্য প্রতিদিন ৮ ঘন্টা করে ঘুমাবেন যেন শরীরে চার্জ হয় আর শরীরকে আরাম দিতে পারেন।শরীরকে আরাম দেওয়ার উপায় হলো ঘুমানো।তাই যদি মেদ কমাতে চান তাহলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমান।
মানসিক চাপমুক্ত থাকা পেটের মেদ কমানোর অন্যতম উপায়
মানসিক চাপ যেটা আমাদের অনেক ভোগান্তি তে ফেলায়।আমাদের মন কে খারাপ করে দেয়। শরীরকে অসুস্থ করে তোলে।শরীর অসুস্থ হলে আমরা কোনো কাজ করতে পারিনা।তবে এই মানসিক চাপ কিন্তু আমাদের মেদ বাড়ায় ফেলে।এটা একদম সত্য। মানসিক চাপ ব সময় ই সবকিছুর জন্য ক্ষতিকর।আর তাই আমাদের নিজেদের ভালোর জন্য মানসিক চাপ কম রাখা উচিত। সবসময় হাসি খুশি থাকা উচিত। মানসিক চাপ সবার ই থাকে।কারোর বেশি তো আবার কারোর কম।তবে এ মানসিক চাপ যে আমাদের জন্য কতটা ক্ষতিকর তাও কিন্তু আমরা ভালো ভাবে ই জানি।তাইনা? মানসিক চাপ সব মানুষের ই থাকে।নানা রকমের দুশ্চিন্তা। কিন্তু এ মানসিক চাপ কেও কম রাখা উচিত নয়তো এটা বাড়তে থাকলে আমাদের ই ক্ষতি করবে।মানসিক চাপমুক্ত থাকা ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর ১০টি ঘরোয়া উপায়। এর মধ্যে সাত নাম্বার উপায়।মানসিক চাপ যখন মানুষের বেড়ে যায় তখন তারা নিজের শরীরের আর খেয়াল রাখে না। সবসময় এক মনে বসে থাকে।খাবার খায় না।ঠিক মতো ঘুমায় না। নিজে দের দিকে তাকায় না।মানে নিজেই নিজেকে অজান্তে কষ্টে রাখে।নিজের শরীর কে কষ্টে রাখে।এ মানসিক চাপ কম রাখা তাই ভালো। মানসিক চাপে থাকলে মানুষ ঠিক মতো খায় না।ঘুমায় না।নিজের যত্ন করে না তখন এমনিতেই মেদ বা শরীরের ওজন বেড়ে যায়।যেটা কোনো কিছু না করেও সবকিছু নিজের ক্ষতি করা।তাই নিজেকে ভালো রাখতে চাইলে আর মেদ কমাইতে তাইলে মানসিক চাপমুক্ত থাকতে হবে।
কোমল পানীয় পরিহার করা ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর অন্যতম উপায়
মিষ্টি পানীয় মানে হলো কোমল পানীয়।যেমন ধরেন কোকাকোলা আর্সি সেভেন আপ মোজো মাউন্টেন ডিউ স্পিড ফান্টাসহ আরো অনেক ধরনের কোমল পানীয় বা মিষ্টি পানীয় আছে। এই কোমল পানীয় বা মিষ্টি পানীয় খেলে শরীরের মানে পেটের মেদ খুব তাড়াতাড়ি বেড়ে যায়।কারন এই মিষ্টি পানীয় তে থাকে ফ্যাট চর্বি কেমিক্যাল আর চিনি যেটা পান করার পর পেটে সহজেই হজম হয়ে পেটে লেগে যায়।যে জন্য পেটের মেদ বাড়ে।এ কোমল পানীয় যেমন পেটের মেদ বাড়ায় তেমনি লিভারের হজম ক্ষমতা কমায় দেয় আস্তে আস্তে। খুব স্বাদের যেমন এটা তেমনি খুব ক্ষতিকর ও। এগুলি খেয়ে শরীর ঠান্ডা হয় ঠিকই কিন্তু শরীরে মেদ জমতে শুরু করে।তাই এই কোমল পানীয় বা মিষ্টি পানীয় এড়ানো ই ভালো।
ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর ১০টি ঘরোয়া উপায় ।এর মধ্যে আট নম্বর উপায়।পেটের
মেদ কমানোর জন্য মিষ্টি পানীয় বা কোমল পানীয় বাদ দেওয়া জরুরি।কারন এই কোমল
পানীয় খুব বেশি করে মেদ জমায় পেটে।এ মেদ সহজে জমলেও সহজে কাটতে চায় না।তাই
কোমল পানীয় বাদ দেওয়া জরুরি।কোমল পানীয় এর বদলে আপনি চাইলে ডাবের পানি
নারিকেল এর পানি খেতে পারেন।এগুলি খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়
আর মেদ বাড়ে না। কোমল পানীয় খেতে মন করলেই এগুলি খাবেন। ডাবের পানি নারিকেল
এর পানি খেতে মন না চাইলে ফলের রস খাবেন।টক ফলের রস খেলে তাড়াতাড়ি পেটের
মেদ ঝরে যায়।কমলা লেবুর রস মাল্টার রস লেবুর রস এই সব ফলের রস খেলে পেটের
মেদ চরচর করে কমে যায়।
খাবার খাওয়ার পর পরই শুয়ে পড়া বর্জন করা ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর সাহায্যকর উপায়
বাংলাদেশ এর মানুষজনেরা খাবার খাওয়ার পর পরই শোয়ার জন্য চলে যায়। খাওয়া শেষ করে ই তারা বিছানায় চলে যায়।যেটা মেদ বাড়ার সবচেয়ে বাজে একটা ব্যাপার।এটা অনেক খারাপ। খাওয়ার পর পরই শুইলে পেটের খাবার টা হজম হয় না বরং গ্যাস এর সমস্যা হয়।সাথে হয় মেদ।মেদ বেড়ে পেট ফুলে উঠে।যেটা ক্ষতিকর।খাবার খাওয়ার পর পরই তাই শুইতে হয় না।ভরা পেটে শুইলে নিঃশ্বাস নিতেও সমস্যা হয়। শ্বাসকষ্ট হয়।এটা ভালো নয়। আমাদের শরীরের একটা সঠিক ব্যালেন্স আছে।এ ব্যালেন্স নড়বড়ে হয়ে যায়।যার জন্য শরীরে অনেক সমস্যা দেখা দেয়।খাবারের গুনাগুণ শরীরে আর লাগে না।কাজ করে না।এতে শরীরের ব্যালেন্স নড়বড়ে হয়ে যায়।
পেটের মেদ সেজন্য কমানোর জন্য খাবার খাওয়ার পর পরই শুয়ে যাওয়ার ব্যাপারটা
ছেড়ে দিতে হবে যেন শরীরে আর কোনো সমস্যা না হয়।এটা ঘরে বসে পেটের মেদ
কমানোর ১০টি ঘরোয়া উপায়।এর মধ্যে নয় নম্বর উপায়।খাবার খাওয়ার পর অন্তত
আধাঘণ্টা থেকে শুরু করে এক ঘন্টা পর শুতে হবে।এর মধ্যে একটূও শোয়া যাবে না।এ
সময়ের মধ্যে পেটের খাবার ঠিকভাবে হজম হতে শুরু করবে তখন শুইলে আর সমস্যা হবে
না।খাবারের গুনাগুণ শরীরে ঠিকমতো লাগবে আর গ্যাস এর সমস্যা হবে না।আর খাবাথ
খাওয়ার পর আধা ঘন্টা থেকে এক ঘন্টা পর শুইলে পেটে আর মেদ লাগবে না।পেট ভালো
থাকবে।মেদ লাগবে না। বিশেষ করে দুপুর বেলার খাবার খাওয়ার পর পরই শুয়ে পড়ার
অভ্যাস টা সবার আগে ছাড়তে হবে মেদ কমাতে চাইলে।
অ্যালকোহল ত্যাগ করা পেটের মেদ কমানোর কার্যকরী উপায়
অ্যালকোহল যেটা অনেক এই নিয়ে থাকে।এটা স্বাস্থ্যের জন্য তো ক্ষতিকর তার পাশাপাশি এটা পেটের মেদ ও বাড়ায় খুব সহজেই। অ্যালকোহল পান করলে মেদ অনেক তাড়াতাড়ি বাড়তে থাকে।মেদ বাড়ে তো বাড়েই সাথে লিভারের হজম ক্ষমতা কমায় দেয় আর ক্যান্সার এর মতো মরনব্যাধী রোগ তৈরি করে।এই অ্যালকোহল আমাদের শরীরের খুব ক্ষতি করে।সাথে এ অ্যালকোহল পান করলে পেটের মেদ জমে যায়। অ্যালকোহল এ চিনি আর এসিডের মাত্রা খুব বেশি পরিমাণে থাকে।যেটা আমাদের শরীরের জন্য ক্ষতিকর।এখানে চিনি থাকায় এটা আমাদের পেটে সহজেই মেদ জমায় ফেলে।পেটের মেদ কমাতে অ্যালকোহল নেওয়া বন্ধ করা উচিত।কারন এই অ্যালকোহল শরীরের তো ক্ষতি করেই সাথে পেটে মেদ জমায়। অ্যালকোহল এর এসিড পেটে মেদ তৈরি করলে সহজে ঐ মেদ কমানো যায় না।তাই মেদ যদি কমাতে চান তাহলে অ্যালকোহল নেওয়া বাদ দিন।এটা ঘরে বসে পেটের মেদ কমানোর ১০টি ঘরোয়া উপায়।এর মধ্যে দশ নম্বর উপায়।পেটের মেদ কমানো সম্ভব কিন্তু যদি অ্যালকোহল নেওয়ার জন্য মেদ বেড়ে গিয়ে থাকে তাহলে এই মেদ সহজে কমাতে পারবেন না। শরীরের সুস্থতা আর পেটের মেদ কমানোর জন্য অ্যালকোহল নেওয়া ছেড়ে দিন।
.webp)


আপনি নিবোর্ন সাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url