কোন কোন দেশে সরকারি উপায়ে যাওয়া যায়
কোন কোন দেশে সরকারি উপায়ে যাওয়া যায়। আমাদের বাংলাদেশে এমন অনেক মানুষ আছেন
যারা বিদেশে কাজের জন্য যেতে চান।কেউ কেউ হয়তো অন্যান্য কারনেও যেতে চান।
কিন্তু সেগুলো দেশে যাওয়ার জন্য সঠিক নিয়ম না জানায় যেতে পারেন না।এ
সমস্যা আমাদের প্রায় অনেক এরই দেখা যায় যারা দেশের বাইরে যেতে চান তাদের।
বিদেশে যাওয়ার খরচ বিদেশে যাওয়ার নিয়ম বিদেশে যাওয়ার বয়স এগুলি সহ আরো
অনেক ব্যাপার ই জানেন না।যে কারনে তারা সহজে দেশের বাইরে যেতে পারেন না।
বর্তমানে এ সমস্যা বড় রকমের রুপ নিছে।যেটা ব্যাপারে কেউ কোনো পদক্ষেপ নিতে
পারেনা।
তাদের সমস্যাগুলি গুরুতর হয়ে যায়। অনেক শিক্ষার্থী রা পড়ালেখা করার
জন্যে ও যেতে চায়। মানুষের বিদেশে যাওয়ার আগ্রহ থাকলেও নিয়ম না জানায় আর
দালাল এর পাল্লায় অনেক বেশি পরিমাণে টাকা খরচ হওয়াসহ প্রতারিত হওয়ার ভয়ে
ইচ্ছে থাকলেও কেউ আর যেতে চান না। বিশ্বাস করতে ভয় পান। আপনার ও এই সমস্যা
থাকলে আজকের আর্টিকেলটি মন দিয়ে পড়ুন।
আরো পড়ুনঃকোন কোন দেশে সরকারি উপায়ে যাওয়া যায়
- কোন কোন দেশে সরকারি উপায়ে যাওয়া যায়
- যে যে দেশে সরকারি উপায়ে যাওয়া যায়
- সরকারি ভাবে যেভাবে বিদেশে যাওয়া যায়
- শিক্ষার জন্য সরকারিভাবে বিদেশে যাওয়ার উপায়
- চাকরির জন্য সরকারিভাবে বিদেশে যাওয়ার উপায়
- শ্রমিক হিসেবে সরকারিভাবে বিদেশে যাওয়ার উপায়
- যে যে দেশগুলোতে কম খরচে যাওয়া যায়
- বিনা খরচে যেভাবে বিদেশে যাওয়া যায়
- দালাল ছাড়া যেভাবে বিদেশে যাওয়া যায়
- সরকারি ভাবে বিদেশে যাওয়ার উপায়
- সরকারি ভাবে বিদেশে যেতে কত টাকা লাগে
- বিদেশে যাওয়ার জন্য কত বছর বয়স লাগে
- কোন কোন দেশে সরকারি উপায়ে যাওয়া যায় এর ইতিকথা
কোন কোন দেশে সরকারি উপায়ে যাওয়া যায়
আমাদের বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর অনেক পরিমাণে মানুষ বিদেশে যান।কেউ কাজের
জন্য কেউ থাকার জন্য কেউ বেড়াতে আবার কেউ পড়ালেখা করতে। বিদেশে লোকজনদের এই
কাজের জন্য দেশে প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করে ফেলে।যারা
এগুলো কারনে যান তাদের মধ্যে অনেক আশা থাকে।সে আশা পূরণ করতেই তারা যান।
কিন্তু বর্তমানে পরিস্থিতি এমন জায়গায় দাঁড়াইছে যে এখন মানুষ বিদেশে যাইতে
চাইলেও দালাল এর ভয়ে আর প্রতারণার ভয়ে সরকারি উপায়ে দেশের বাইরে যাইতে
চায়।যেটা আমাদের জন্যে লজ্জাজনক।তো এই সমস্যা অনেক বেশি দেখা যায়। কিন্তু
মানুষ সরকারি ভাবে দেশের বাইরে যাইতে চাইলেও অনেক নিয়ম না জানায় কারনে
অনেকেই যেতে পারেনা।
তো এই সমস্যা টা যেহেতু বাড়তেছে আর বেশিরভাগ লোকজন ই দালাল ছাড়া সরকারি
ভাবে বিদেশি দেশগুলিতে যাইতে চায় তাদের জন্য আমাদের আজকের লেখা এই আর্টিকেল
টা।এটা আপনাদের অনেক কিছু জানাবে আর সহজ উপায়ে সরকারী ভাবে বিদেশে যাওয়ার
সহজ উপায়গুলি বলে দিবে।যদি মন দিয়ে পড়বেন এই আর্টিকেল টা তাহলে আপনার কাজে
আসবে এটা।তো চলেন দেরি না করে শুরু করা যাক আজকের আর্টিকেল।কোন কোন দেশে
সরকারি উপায়ে যাওয়া যায়।
যে যে দেশে সরকারি উপায়ে যাওয়া যায়
আপনি যে দেশে সরকারি উপায়ে যেতে চান আপনাকে অবশ্যই সে দেশ সম্পর্কে আগে
জানতে হবে।জেনে নিতে হবে দেশের নিয়মগুলি।ঐ দেশে গিয়ে কোথায় থাকতে হবে
কিভাবে কাজ করতে হবে কি কি আইন কি কি বেআইনি কাজ এগুলি সব কিছু। বর্তমানে
বাংলাদেশ থেকে সরকারি উপায়ে কাতার, সিঙ্গাপুর, জর্ডান, দক্ষিণ কোরিয়া,
কানাডা, জাপান, জার্মানি, সুইডেন, চীন,
অস্ট্রেলিয়া,লয়েশিয়া,রোমানিয়া,হ্যাঙ্গেরি,সৌদি আরব সহ আরো ১৭৫ টির মতো
দেশে সরকারি উপায়ে যাওয়া যায়।
| সরকারিভাবে যাওয়া জনপ্রিয় কয়টি দেশ | সরকারিভাবে যাওয়া জনপ্রিয় কয়টি দেশ |
|---|---|
| চীন | সিঙ্গাপুর |
| ফ্রান্স | যুক্তরাজ্য |
| কাতার | যুক্তরাষ্ট্র |
| কুয়েত | থাইল্যান্ড |
| ওমান | কম্বডিয়া |
| ইরাক | ফিনল্যান্ড |
| জাপান | রোমানিয়া |
| কানাডা | অস্ট্রেলিয়া |
| ভারত | বাহারাইন |
| ইটালি | মালোশিয়া |
| লিবিয়া | সৌদিআরব |
| জর্ডান | জ্যামাইকো |
| শ্রীলঙ্কা | নিউলিল্যান্ড |
| লেবালন | সুইজারল্যান্ড |
| মরিশাস | দক্ষিণ কোরিয়া |
| ডেনমার্ক | ব্রুনাই দারুসসালয়াম |
| মালদ্বীপ | সংযুক্ত আরবয়ামিরাত |
উপরের লিখিত ও ছবিতে বর্নিত দেশগুলিতে সরকারিভাবে যাওয়া যায়।দেশগুলি
সরকারি উপায়ে অনুমোদিত। এছাড়াও দেশগুলি পুরোপুরি আইনসম্মত আর পড়ালেখার
জন্য আদর্শ।কোন কোন দেশে সরকারি উপায়ে যাওয়া যায়।দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম
সুন্দর কলেজ আর ইউনিভার্সিটি ও আছে।সরকারি দেশগুলিতে যাওয়ার জন্য বিদেশি
ওয়েবসাইটে দেখতে পারেন। আপনার সুবিধার জন্য সরকারি কিছু দেশের নাম লিখে
দেওয়া হইছে আর ছবি দেওয়া হইছে।
সরকারি ভাবে যেভাবে বিদেশে যাওয়া যায়
কোন কোন দেশে সরকারি উপায়ে যাওয়া যায়।সরকারি ভাবে বিদেশে যাওয়ার জন্য
আপনাকে আর দালালের খোঁজ করতে হবে না বা প্রতারণার শিকার হতে হবে না।এখন সহজেই
আপনি বিদেশে সরকারি ভাবে যেতে পারবেন।তবে আপনি যে দেশে সরকারি ভাবে যেতে
চান সে দেশ সরকারিভাবে অনুমোদিত হতে হবে। সাধারণত বিদেশে কর্মজীবী এবং
শিক্ষার্থীদের ওপর সরকারি ভাবে যাওয়ার নিয়ম আরোপ করে দেওয়া থাকে।আপনি যদি
এগুলোর বাইরে হন তাহলে আমি প্রবাসী নামের ওয়েবসাইটে গিয়ে আপনাকে নিজের
এনাআইডি আর যাবতীয় কাগজপত্রের ছবি দিয়ে একাউন্ট খুলতে হবে।এরপর ওখানে যে
কাজ চান সে কাজের সন্ধান করে সিভি দিতে হবে।আপনি যদি তাদের ম্যানেজমেন্টে
সিলেক্ট হন তাহলে আপনাকে তারা ই যেইল করবে এবং তারপর আপনি সে দেশে যাওয়ার
অনুমতি পেয়ে যাবেন।
সাধারণত পড়ালেখা আর কাজের ব্যাপারে বিদেশে যাওয়ার জন্য সরকারীভাবে আরোপ
করা থাকে। কিন্তু এর বাইরে যদি কেউ কাজ খুঁজতে যেতে চায় বা অন্য আরো কারনে
তাহলে তাকে আমি প্রবাসী নামক ওয়েবসাইটের মাধ্যমে যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করে
এরপর যেতে হবে।দালাল ধরার ব্যাপার আর প্রতারণা এড়াতে চাইলে এই পন্থা
অবলম্বন করে এরপর ই সরকারি ভাবে বিদেশে যাওয়ার ব্যাপার টা সম্পূর্ণ করতে
হবে।সরকারি ভাবে বিদেশে যাওয়ার জন্য এটাই সবচেয়ে সহজ, বিশ্বস্ত আর
কার্যকারী উপায়।যেটা আপনার জন্য ক্ষতিকারক হবে না।
শিক্ষার জন্য সরকারিভাবে বিদেশে যাওয়ার উপায়
কোন কোন দেশে সরকারি উপায়ে যাওয়া যায়। বাংলাদেশে বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থী
আছে যারা মেধাবী। অনেক এই চায় বিদেশে গিয়ে লেখাপড়া করে বড় ডিগ্রি অর্জন
করতে। সেজন্য তারা বিদেশে যেতে চায়। অনেক শিক্ষার্থী এমন আছে প্রথম থেকে ই
শুরু করে বিদেশে গিয়ে লেখাপড়া করে বড় কিছু করতে চায়।বলতে গেলে উচ্চ
আকাঙ্ক্ষা থাকে তাদের।মূলত মেধাবী শিক্ষার্থীরা ই এসব করার চিন্তা ভাবনা করে
থাকে। তাদের কোনো বড় স্বপ্ন বা শিক্ষিত হওয়ার আশা থাকে।সেই আশা নিয়ে
ভালোভাবে এগোনোর জন্য তারা দেশের বাইরে গিয়ে পড়ালেখা করতে চায়।বড় স্বপ্ন
পূরণের জন্য ভালোভাবে পড়তে হয়।আর এই ভালোবাসা পড়ার জন্য বাংলাদেশের বেশ
মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিদেশে যাওয়ার চেষ্টা করে।
যেসব মেধাবী শিক্ষার্থীরা বিদেশে গিয়ে লেখাপড়া করার চিন্তাভাবনা আর চেষ্টা
করে সরকার তাদের জন্য স্কলারশিপের ব্যবস্থা করেছে। সরকারি দেশগুলোতে তাদের
জন্য ফ্যাসিলিটিজ আছে।তো যে শিক্ষার্থীরা স্কলারশিপ পেয়ে থাকে তাদের বাইরের
দেশের নাম করা ইউনিভার্সিটি থেকে পড়ালেখার অফার আসে।এটা যাদের আসে তাঁরা এই
স্কলারশিপ নিয়ে সরকারিভাবে বিদেশে গিয়ে লেখাপড়া করার সুযোগ পায়।তাদের
সরকারিভাবে বিদেশে যাওয়ার জন্য আর কিছু করতে হয়না।আর যে শিক্ষার্থীরা
স্কলারশিপ পায়নি কিন্তু বাহিরে গিয়ে লেখাপড়া করতে চায় তাদের আমি প্রবাসী
নায়ক ওয়েবসাইটে থেকে সাহায্য নিয়ে সরকারিভাবে বিদেশে যাওয়া টা নিরাপদ
হবে।
চাকরির জন্য সরকারিভাবে বিদেশে যাওয়ার উপায়
কোন কোন দেশে সরকারি উপায়ে যাওয়া যায়।আপনি যদি নরমালি চাকরি করার জন্য
বিদেশে যেতে চান তাহলে আপনাকে হয় তাদের ইন্টারভিউ এ সফল হতে হবে নয়তো
বিদেশি কোনো কম্পানি থেকে আপনার জবের জন্য অফারের ই মেইল আসতে হবে।এই দুটা
মাধ্যমের যে কেনো একটা আসলে সেটার সাহায্যে আপনি কোনো ঝামেলা ছাড়াই সরকারি
ভাবে বিদেশে যেতে পারবেন। সাধারণত বাইরের দেশে থেকে চাকরির অফার আসলে সরকারি
ভাবে ই সে দেশে যাওয়ার নিয়ম আছে যেটা সম্পুর্ণ বৈধ এবং আইনগত।ঐ মাধ্যম
গুলোর সাহায্য নিয়ে আপনি সহজেই কোনো সমস্যা জড়ায়ে বিদেশে যেতে পারবেন।
যেটা আপনার জন্য নিরাপদ হবে।
এই দুইটা মাধ্যম যদি না থাকে তাহলে আপনাকে আমি প্রবাসী ওয়েব সাইট এর
মাধ্যমে যাবতীয় কার্যকলাপ সম্পূর্ণ করে তারপর যেতে হবে।এতে করে আপনার সকল
কার্যক্রম বৈধ আর নিরাপদ হবে।তবে আপনি বিদেশে যে চাকরি করতে যেতে চাচ্ছেন
আপনাকে অবশ্যই সেই চাকরির সব আপডেট নিউজ এর ব্যাপারে খোঁজ রাখতে হবে এবং সঠিক
সময়ে আবেদন করতে হবে। আপনি যে কাজটা করতে বিদেশে যেতে চাইছেন মানে যেই দেশে
যাইতে চাচ্ছেন সেই দেশের সেই চাকরি,চাকরির নিয়ম, দেশের সব নিয়ম সম্পর্কে
জেনে নিবেন।এটা জরুরী।আমি প্রবাসী ওয়েব সাইট এর মাধ্যমে বিদেশে যাওয়াটা
আপনার জন্য নিরাপদ একটা উপায়।
শ্রমিক হিসেবে সরকারিভাবে বিদেশে যাওয়ার উপায়
কোন কোন দেশে সরকারি উপায়ে যাওয়া যায়।আপনি যদি নরমালি শ্রমিক হিসেবে
বিদেশে যেতে চান বা শ্রমিক এর কাজ করার জন্য বিদেশে যেতে চান তাহলে আপনাকে
হয় তাদের ইন্টারভিউ এ সফল হতে হবে নয়তো বিদেশি কোনো কম্পানি থেকে আপনার
পেশার জন্য অফারের ই মেইল আসতে হবে।এই দুটা মাধ্যমের যে কেনো একটা আসলে সেটার
সাহায্যে আপনি কোনো ঝামেলা ছাড়াই সরকারি ভাবে বিদেশে যেতে পারবেন। সাধারণত
বাইরের দেশে থেকে পেশা টির অফার আসলে সরকারি ভাবে ই সে দেশে যাওয়ার নিয়ম
আছে যেটা সম্পুর্ণ বৈধ এবং আইনগত।ঐ মাধ্যম গুলোর সাহায্য নিয়ে আপনি সহজেই
কোনো সমস্যা জড়ায়ে বিদেশে যেতে পারবেন। যেটা আপনার জন্য নিরাপদ হবে।
এই দুইটা মাধ্যম যদি না থাকে তাহলে আপনাকে আমি প্রবাসী ওয়েব সাইট এর
মাধ্যমে যাবতীয় কার্যকলাপ সম্পূর্ণ করে তারপর যেতে হবে।এতে করে আপনার সকল
কার্যক্রম বৈধ আর নিরাপদ হবে।তবে আপনি বিদেশে শ্রমিক এর যে পেশাটি করার জন্য
যেতে চাচ্ছেন আপনাকে অবশ্যই সেই পেশার সব আপডেট নিউজ আর বিজ্ঞাপন এর ব্যাপারে
খোঁজ রাখতে হবে এবং সঠিক সময়ে আবেদন করতে হবে।আর আপনি যে কাজটা করতে
বিদেশে যেতে চাইছেন আর কাজটা করতে যেই দেশে যাইতে চাচ্ছেন সেই দেশের সেই
শ্রমিক এর পেশা,পেশার নিয়ম, সে দেশের সব নিয়ম সম্পর্কে জেনে নিবেন।এটা
জরুরী।আমি প্রবাসী ওয়েব সাইট এর মাধ্যমে বিদেশে যাওয়াটা আপনার জন্য নিরাপদ
একটা উপায়।
যে যে দেশগুলোতে কম খরচে যাওয়া যায়
কোন কোন দেশে সরকারি উপায়ে যাওয়া যায়। বর্তমানে এমন অনেক দেশ আছে যেগুলোতে
খুব কম খরচে যাওয়া যায়।সেটা কোনো কাজের জন্য হতে পারে।ঘুরতে যাওয়া,কাজের
জন্য, শিক্ষার জন্য,থাকার জন্য। যেকোনো কাজেই।এমন অনেক দেশ ই আছে যেগুলো তে
খুব কম খরচে ই সহজে যাওয়া যায়। আপনাদের সুবিধার জন্য সেসব দেশের মধ্যে কিছু
দেশের নাম নিচে লিখে দেওয়া হইছে। সারিবদ্ধ ভাবে নিচে কম খরচে যাওয়া যাবে
এমন দেশের নামগুলো হলো
- দক্ষিণ কোরিয়া
- মালয়েশিয়া
- রোমানিয়া
- হ্যাঙেরি
- সুইডেন
- কাতার
- সৌদি আরব
- ওমান
- জর্ডান
- কাতার
- চীন
- জাপান
- কানাডা
- তুরস্ক
- ভুটান
- থাইল্যান্ড
- নেপাল
- ভারত
- শ্রীলঙ্কা
- ইন্দোনেশিয়া
- ভিয়েতনাম
- কম্বোডিয়া
- কাজাখস্তান
উপরোক্ত দেশেগুলিতে কম খরচে সহজেই যাওয়া যাবে।তবে বিদেশে গেলে খরচ হবে ই।
সরকারিভাবে বিদেশে গেলে এতে খরচ কম হবে।
বিনা খরচে যেভাবে বিদেশে যাওয়া যায়
কোন কোন দেশে সরকারি উপায়ে যাওয়া যায়। শুনতে অবাক লাগলেও এমন অনেক উপায় আছে
যেগুলির মাধ্যমে কোনো রকমের খরচ ছাড়া ই বিদেশে যাওয়া যায়।সেটার জন্য অনেক
উপায় আছে। কিছু মাধ্যম আছে।তো এই মাধ্যম গুলোর দ্বারা বিদেশে যাওয়া যায়।তো
আপনাদের সুবিধার জন্য যেভাবে বিনা খরচে বিদেশে যাওয়া যাবে সেটা নিতে লেখা
হলো:
- স্কলারশিপ নিয়ে পড়ালেখার জন্য
- ভলেন্টারির কাজের জন্য
- স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে
- রেড ক্রিসেন্ট থেকে
- কনফারেন্স এর জন্য
- রাজনৈতিক কারনে
- প্রেসিডেন্টশিয়াল কাজে
- স্পন্সরশিপ এর জন্য
- সামরিক ফোর্সের কাজে
- মিশন এর কাজে
- ফোর্সের প্রশিক্ষণের কাজে
- ফান্ডের কাজে
- পুরষ্কার গৃহন করতে
- বিতর্ক প্রতিযোগিতার জন্য
- এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম এর জন্য
- অলিম্পিক গেমস এর জন্য
- কালচারাল এক্সচেঞ্জ প্রোগ্রাম এর জন্য
- সরকারিভাবে এক্সপেরিমেন্টাল কাজের জন্য
- সরকারি এনজিও এর কাজে
উপরোক্ত মাধ্যম গুলোকে কাজে লাগায়ে বিনা খরচে বিদেশে যাওয়া যায়।
দালাল ছাড়া যেভাবে বিদেশে যাওয়া যায়
কোন কোন দেশে সরকারি উপায়ে যাওয়া যায়। দালালের পাল্লায় পড়ে অনেক বাংলাদেশী
ই অনেক বেশি টাকা খরচ করে বিদেশে যান।এতে করে তারা আর্থিক সমস্যায় পড়েন।আর
দালালেরা অনেক সময় তাদের সাথে প্রতারণা করে থাকে।সব কাজ ঠিক করে রাখার পর
পরে আর কোনো কিছু সম্পুর্ণ করেনা।যেটা অনুচিত। এজন্য দালালের মাধ্যমে বিদেশে
না যাওয়া টাই ভালো। নিজের খরচ বাঁচবে।দালালকে দেওয়া টাকা টা অন্যভাবে আরো
কম খরচে কাজে লাগায়ে বিদেশে যাওয়া যাবে।যেটা আরো সাশ্রয়ী। নিজের জন্য
উপকার হবে এটা।
তবে আপনি যদি কাজের জন্য বিদেশে যেতে চান তাহলে আপনাকে কোনো সরকারি এজেন্ট
হিসেবে বা সরকারি এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশে যেতে হবে।যদি এই দুইটার মধ্যে
কোনোটা না থাকে তাহলে আপনাকে আমি প্রবাসী ওয়েব সাইট এর মাধ্যমে যাবতীয়
কার্যকলাপ সম্পূর্ণ করে তারপর বিদেশে যেতে হবে।তবে এটা আপনার জন্য শতভাগ
নিরাপদ একটা অবলম্বন হবে।ছিঃ মাধ্যমে আপনি বিদেশে গেলে আপনার অতিরিক্ত খরচ ও
হবেনা।কম খরচেই চাকরির জন্য যেতে পারবেন কোনো রকম দালাল ছাড়াই।
সরকারি ভাবে বিদেশে যাওয়ার উপায়
কোন কোন দেশে সরকারি উপায়ে যাওয়া যায়। বর্তমানে অনেক বাংলাদেশী ই অনেক বেশি
টাকা খরচ করে বিদেশে যান।এতে করে তারা আর্থিক সমস্যায় পড়েন।আর দালালেরা
অনেক সময় তাদের সাথে প্রতারণা করে থাকে।সব কাজ ঠিক করে রাখার পর পরে আর কোনো
কিছু সম্পুর্ণ করেনা।যেটা অনুচিত। এজন্য দালালের মাধ্যমে বিদেশে না যাওয়া
টাই ভালো। নিজের খরচ বাঁচবে।দালালকে দেওয়া টাকা টা অন্যভাবে আরো কম খরচে
কাজে লাগায়ে বিদেশে যাওয়া যাবে।যেটা আরো সাশ্রয়ী। নিজের জন্য উপকার হবে
এটা। সরকারিভাবে বিদেশে গেলে টাকার পরিমাণ একদম কম লাগে।যেটা আপনার জন্য
সাশ্রয়ী একটা উপায়।
তবে আপনি যদি কাজের জন্য বিদেশে যেতে চান তাহলে আপনাকে কোনো সরকারি এজেন্ট
হিসেবে বা সরকারি এজেন্সির মাধ্যমে বিদেশে যেতে হবে।যদি এই দুইটার মধ্যে
কোনোটা না থাকে তাহলে আপনাকে আমি প্রবাসী ওয়েব সাইট এর মাধ্যমে যাবতীয়
কার্যকলাপ সম্পূর্ণ করে তারপর বিদেশে যেতে হবে।তবে এটা আপনার জন্য শতভাগ
নিরাপদ একটা অবলম্বন হবে।ছিঃ মাধ্যমে আপনি বিদেশে গেলে আপনার অতিরিক্ত খরচ ও
হবেনা।কম খরচেই চাকরির জন্য যেতে পারবেন কোনো রকম ঝামেলা আর অতিরিক্ত খরচ
ছাড়াই।
সরকারি ভাবে বিদেশে যেতে কত টাকা লাগে
কোন কোন দেশে সরকারি উপায়ে যাওয়া যায়।সাধারণত বিদেশে যেতে চাইলে সরকারি ভাবে
মাত্র ১ থেকে ৩ লাখ টাকা লাগে।যা সরকারি হিসাবে খুব কম। পুলিশ ক্লিয়ারেন্স
সার্টিফিকেট, মেডিকেল ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট, ব্যাকগ্রাউন্ড সিভি,ভিসা
খরচ, ফ্লাইটের খরচ সব মিলায়ে ১ থেকে ৩ লাখ টাকা লাগে। সরকারি ভাবে বিদেশে
গেলে এই টাকা টাই সবচেয়ে কম।এভাবে নিজের স্বাশ্রয় ও হয়।যেটা নিজেদের জন্য
খুব লাভজনক।
অন্যদিকে যদি দালালের মাধ্যমে বিদেশে যাওয়ার কাজ করানো হয় তাহলে এই সরকারী
ভাবে যাওয়ার থেকে আরো অনেক বেশি পরিমাণে খরচ হবে যেটা নিজেদের জন্য ক্ষতি আর
দালাল দের দেখে প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।তাই যদি দালালের মাধ্যমে না
গিয়ে সরকারি ভাবে যাওয়ার জন্য চেষ্টা করা হয় তাহলে এতে নিজের ই লাভ।
সরকারি ভাবে বিদেশে যাওয়ার জন্য অন্যান্য মাধ্যম না থাকলে প্লে স্টোরে গিয়ে
আমি প্রবাসী অ্যাপ ডাউনলোড করে ঐ ওয়েব সাইটের মাধ্যমে সরকারী ভাবে বিদেশে
যাওয়ার জন্য সুযোগ পাওয়া যায়।
বিদেশে যাওয়ার জন্য কত বছর বয়স লাগে
কোন কোন দেশে সরকারি উপায়ে যাওয়া যায়। সবকিছুর যেমন নিয়ম আছে তেমন ই বিদেশে
যাওয়ার ও একটা নির্দিষ্ট নিয়ম আছে। বিদেশে যাওয়ার জন্য একটা নির্দিষ্ট
বয়সের সময়সীমা আছে। সাধারণত যারা কাজের জন্য বিদেশে যেতে চায় তাদের বয়স
১৭ বছরের কম হওয়া যাবে না।১৮ বছর বয়স হতে হবে। সাধারণত কাজের জন্য যেসব
লোকজন বিদেশে যেতে চায় তাদের বয়স ১৮ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে।১৮ বছরের
কম এবং ৬০ বছরের বেশি হলে তাদের বিদেশে যাওয়ার জন্য পাসপোর্ট আর ভিসা
গ্রহণযোগ্য হবে না। বেআইনি ভাবে যেতে চাইলে তখন বাজেয়াপ্ত করার পর আইনগত
শাস্তির বিধান করবে।
তবে যারা বা যেসব শিক্ষার্থীরা পড়ালেখা করার জন্য বিদেশে যেতে চায় তাদের
বয়সসীমা হিসাব করে না।১৮ বছর বয়সের কম হলেও তাদের জন্য বিদেশ যাওয়া বৈধ
হয়।কারন অল্প বয়সে বিদেশে গিয়ে স্কুলে ভর্তি হওয়ার ফ্যাসিলিটিজ আছে।
এছাড়াও যারা টুরিস্ট আছেন যারা শুধুমাত্র ঘোরার জন্য বিদেশে যেতে চায় তাদের
ও বয়সসীমা হিসাব করে না।যেকোনো বয়সের ই হতে পারে।তাদের টুরিস্ট ভিসা ৯০
দিনের জন্য দেওয়া হয়।এই ৯০ দিন তারা শুধু মাত্র একটা দেশেই ঘুরে বেড়াতে
পারবে।এটা তাদের জন্য বৈধ এবং নিরাপদ।
কোন কোন দেশে সরকারি উপায়ে যাওয়া যায় এর ইতিকথা
বিদেশে যাওয়ার উদ্দেশ্যে এক একজনের এক এক রকম হয়।কেউ যায় কাজে কেউ যায়
পড়তে আবার কেউ যায় ঘুরতে। বিদেশে যাওয়ার উদ্দেশ্যে যেটাই হোক না কেন যে
দেশে যাওয়া হচ্ছে সে দেশের সকল আইনগত নিয়ম কানুন মেনে চলতে হবে। আমাদের
আজকের আর্টিকেলটি যদি আপনার কাছে ভালো লেগে থাকে আর যদি উপকৃত হয়ে থাকেন
তাহলে অবশ্যই নিকটস্থ বন্ধুদের সাথে শেয়ার করবেন।আশা করি আপনাদের ভালো
লেগেছে।যদি ভালো লেগে থাকে অবশ্যই একটা মন্তব্য করতে ভুলবেন না। আজকের মতো এই
পর্যন্তই।আবার দেখা হবে অন্য কোনো আর্টিকেল নিয়ে।ভালো থাকবেন। সুস্থ
থাকবেন।বিদায়।

আপনি নিবোর্ন সাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url