ইতালি কোন ভিসার খরচ কত।কোন কাজের চাহিদা ইতালিতে বেশি

ইতালি কোন ভিসার খরচ কত?।কোন কাজের চাহিদা ইতালিতে বেশি? ইতালি যা একটা আধুনিক শহর।এই ইতালিতে অনেকেই কাজের জন্য, পড়ালেখা আর ঘোরার জন্য গিয়ে গিয়ে‌ থাকেন।এই ইতালি শহরের বেশ কিছু নিয়ম কানুন আছে। অনেকেই ইতালির কোন কাজের ভিসার খরচ আর ইতালি ব্যাপারে এগুলি অনেকেই জানেনা। আপনারা অনেকেই এগুলি জানেন না।যারা জানেন না তারা আমাদের আর্টিকেল টা পড়ে দেখুন।
ইতালি-কোন-ভিসার-খরচ-কত-কোন-কাজের-চাহিদা-ইতালিতে-বেশি
আপনি কি ইতালিতে কাজের জন্য যেতে চান?কি কি কাজ ইতালিতে করতে হবে তা জানেন না? ইতালির ভিসার খরচ ও জানেন না?তাহলে আমাদের আজকের লেখা এই আর্টিকেলটা শুধুমাত্র আপনার জন্যেই।ইতালি কোন ভিসার খরচ কত কোন কাজের চাহিদা ইতালিতে বেশি?দেরি না করে চলেন শুরু করা যাক।

পোষ্ট সূচিপত্রঃইতালি কোন ভিসার খরচ কত?।কোন কাজের চাহিদা ইতালিতে বেশি

ইতালি কোন ভিসার খরচ কত?।কোন কাজের চাহিদা ইতালিতে বেশি

ইতালি একটি আধুনিক এবং ব্যস্ততা পূর্ণ দেশ।এই দেশের আছে নানা ধরনের নিয়ম। অনেক মানুষ জন আছেন যারা ইতালিতে কাজের জন্য যেতে চান।কেউ কেউ আবার ঘুরতে,পড়তে যেতে চায়।এই ইতালিতে যাওয়ার জন্য ভিসা লাগে।যা ছাড়া ঐ দেশে যাওয়া যায় না। ইতালির ভিসা এর খরচ ব্যাপারে অনেকের ধারনা নাই।তো যাদের ধারনা নাই আর যারা জানেন না ইতালিতে কি কি কাজের চাহিদা বেশী তাদের জন্যে আমাদের আজকের লেখা এই আর্টিকেলে।

আপনি কি ইতালিতে যেতে চান? কিন্তু কিভাবে ভিসা করবেন আর ভিসার খরচ কত তা জানেন না? ইতালিতে কোন কোন কাজের চাহিদা বেশী তাও জানেন না?এ নিয়ে চিন্তিত? চিন্তা এর সমাধান হচ্ছে না?কিভাবে কি করা যায় বুঝতে পারছেন না?যদি আপনার ও এই সমস্যা টা হয়ে থাকে তাহলে আমাদের আজকের লেখা এই আর্টিকেলটা শুধুমাত্র আপনার জন্যেই।মন দিয়ে পড়লে বুঝতে পারবেন।ইতালি কোন ভিসার খরচ কত?। কোন কাজের চাহিদা ইতালিতে বেশি?তো দেরি না করে শুরু করা যাক আজকের আর্টিকেল টা।

ইতালি ‌যাওয়ার ভিসার ধরনগুলো কেমন

ইতালি কোন ভিসার খরচ কত?।কোন কাজের চাহিদা ইতালিতে বেশি?ইতালিতে যাওয়ার জন্য সাধারণত দুই ধরনের ভিসা হয় এবং দুটাই পাওয়া যায়। বাংলাদেশ থেকে এই ভিসা দুইটার যেকোনো একটার মাধ্যমে সবাই ইতালিতে যান। ইতালিতে যাওয়ার দুটা ভিসা ই বাংলাদেশ এ পাওয়া যায়।একটা হলো শর্ট টার্ম ভিসা এবং আরেকটা হলো লং টাইম ভিসা। দুটাই বাংলাদেশে তৈরি হয়।ভিসা দুটা ছাড়া ইউরোপের এই ইতালি তে যাওয়া যায় না। বাংলাদেশ থেকে প্রায় সবাই এই ভিসা দুটা দিয়ে ইতালিতে যায়।ভিসা দুটার যেকোনো একটার জন্য আবেদন করে সঠিক তথ্য দিয়ে এরপর ভিসাগুলি নিয়ে ইতালিতে যেতে হবে।নয়তো যাওয়া সম্ভব নয়।
ইতালিতে যাওয়ার দুটা ভিসা হলো শর্ট টার্ম ভিসা এবং লং টার্ম ভিসা। শর্ট টার্ম ভিসা হলো সাময়িক ভিসা।যেটা অল্পদিনের মেয়াদে তৈরি করা হয়।আর লং টার্ম ভিসা হলো দীর্ঘ মেয়াদি ভিসা।যেটা বেশিদিনের জন্য তৈরি করা হয়।এই ভিসা দুটা ছাড়া ইতালিতে যাওয়া যায় না। বাংলাদেশের প্রায় সবাই এই শর্ট টার্ম ভিসা এবং লং টার্ম ভিসা নিয়ে ইতালিতে যান। শর্ট টার্ম ভিসা এর জন্য তূলনা মুলক ভাবে খরচ কম হয় আর লং টার্ম ভিসা এর জন্য একটু বেশি পরিমাণে খরচ হয়।তবে দুটাই ইতালি যাওয়ার ভিসা।এই দুইটা দিয়ে ই ইতালি তে যেতে হয়।

ইতালির জন্য ভিসাতে দেওয়া বিষয়গুলো

ইতালি কোন ভিসার খরচ কত?।কোন কাজের চাহিদা ইতালিতে বেশি?সাধারণত ইতালিতে বাংলাদেশ থেকে প্রায় অনেকেই বিভিন্ন কারনে সেখানে গিয়ে থাকেন। তিন ধরনের কারন বিহারে বেশি পাওয়া যায়। বাংলাদেশ এর মানুষ এই তিনটা বিষয় ভিসার তথ্য তে দিয়ে থাকে।আধুনিক একটা দেশ হওয়ায় সেখানে যাওয়ার জন্য সঠিক নিয়ম ও দরকার। যাওয়ার জন্য যুক্তিও দরকার। সাধারনত বাংলাদেশ থেকে মানুষ জন ইতালির ভিসাতে উল্লেখ করে থাকে যে তারা ইতালি যেতে চান 
  • কাজের জন্য যাওয়া
  • পড়ালেখা করার জন্য যাওয়া 
  • ঘোরাঘুরি করার জন্য যাওয়া 
এগুলির কথা উল্লেখ করে থাকে।কেউ কাজের জন্য গেলে ভিসার তথ্য থে লেখে ওয়ার্ক ভিসা।কেউ পড়ালেখা করার জন্য গেলে লেখে স্টাডি ভিসা।আবার যারা বা পর্যটক রা ইতালিতে ভ্রমন করতে চায় তারা ভিসার তথ্য তে লেখে টুরিস্ট ভিসা।তবে এগুলোর যেটাই কারন থাকুক না কেন ইতালিতে যাওয়ার জন্য ভিসা লাগবেই।দুটা ভিসা ছাড়া ইতালিতে যাওয়া যায় না।হতে হবে হয় শর্ট টার্ম নয়তো লং টার্ম।যেকোনো একটা লাগবেই।

ইতালিতে যাওয়ার ভিসা আবেদনের উপায়

ইতালি কোন ভিসার খরচ কত?। কোন কাজের চাহিদা ইতালিতে বেশি?ইতালিতে ভিসা আবেদন করার জন্য মূলত ভিসা আবেদন সংস্থা তে যেতে হয়।সেখানে গিয়ে ভিসা বানানোর জন্য আবেদন করতে হয়। এরপর তাঁরা একটা ফরম দিবে।সেখানে কোন দেশে আপনি যেতে চান কি কাজ করতে চান এগুলি সব তথ্য দিতে হবে এবং আরো দরকারি কাগজপত্র যেমন এনআইডি কার্ডের পাসপোর্ট সাইজ ছবি, পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট, মেডিকেল ক্লিয়ারেন্স সার্টিফিকেট, ব্যাকগ্রাউন্ড সিভি সহ আরো কিছু কাগজপত্র দিতে হবে।এরপরে তাদের জানাতে হবে কোন ভিসা নিতে চান। 

শর্ট টার্ম ভিসা নাকি লং টার্ম ভিসা।এরপর তারা সেগুলো সংগ্রহ করে ইতালি সরকারের কাছে পাঠাবে।তারা সবকিছু নির্নয় করে ভিসা বানায় আপনার কাছে পৌঁছে দিবে। এছাড়াও ভিসা আবেদনের জন্য মোবাইলে ইতালির ভিসা আবেদন এজেন্সিতে আপনি ফরম পূরণ করে দিতে পারবেন সহজেই।অথবা গুগলে গিয়ে ভিসা আবেদনের লিংক এ ক্লিক করে সরাসরি ভিসার জন্য আবেদন করতে পারবেন।

ইতালির ভিসার জন্য প্রয়োজনীয় খরচ সমূহ

ইতালি কোন ভিসার খরচ কত?।কোন কাজের চাহিদা ইতালিতে বেশি?ইতালিতে যাওয়ার জন্য ভিসা এর খরচ নির্ভর করে ঐ দেশের নিয়ম অনুসারে।আর আপনার কাজ আর ভিসার ধরনের ওপর। শর্ট টার্ম ভিসা এর জন্য খরচ কম হয় আর লং টার্ম ভিসার জন্য খরচ বেশি হয়।এছাড়া ভিসা তে দেওয়া দেশটাতে যাওয়ার কারনভেদে ও কম বেশি হয়। আপনাদের সুবিধার জন্য কিছু খরচগুলি নিচে লিখে দেওয়া হইছে।
  • ইতালির ওয়ার্ক পারমিট ভিসার খরচ শুরু হয় ৯ লক্ষ টাকা থেকে ১৬ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
  • ইতালির স্টুডেন্ট পারমিট ভিসার খরচ শুরু হয় ৭ লক্ষ টাকা থেকে ৯ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
  • ইতালির টুরিস্ট ভিসা এর  জন্য খরচ শুরু হয় ৩ লক্ষ টাকা থেকে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
  • ইতালির কনস্ট্রাকশন পারমিট ভিসার খরচ শুরু হয়  ৯ লক্ষ টাকা থেকে ১৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
ইতালির কৃষি পারমিট ভিসার খরচ শুরু হয় ৭ লক্ষ টাকা থেকে  ৮ লক্ষ টাকা পর্যন্ত।
উপরোক্ত সারিতে লিখিত খরচের হিসাব অনুযায়ী আপনার ভিসা যে খরচ হয়ে থাকে।

ইতালির ভিসা প্রসেসিং এর নিয়ম কি

ইতালি কোন ভিসার খরচ কত?।কোন কাজের চাহিদা ইতালিতে বেশি? ইতালিতে যাওয়ার জন্য ভিসা লাগবেই লাগবে।এই ভিসা আবেদন করে তারপর আবেদন এর তথ্য জমা দিয়ে অপেক্ষা করতে হয় ভিসা আসার। নির্দিষ্ট সময়ের পর ভিসা টা পাওয়া যায়। এরপর ঐ ভিসা নিয়ে ইতালিতে যাওয়া যায়।তবে ভিসার জন্য নির্দিষ্ট সময়ে আবেদন করতে হবে।ভিসা আবেদন সংস্থা যে আবেদন করে ফরম পূরণ করে তারপর তথ্য দিয়ে ফরম জমা দিয়ে অপেক্ষা করতে হবে।
ইতালি-কোন-ভিসার-খরচ-কত-কোন-কাজের-চাহিদা-ইতালিতে-বেশি
এই ভিসা টা ত্রিশ দিনের মধ্যেই হাতে চলে আসে।তবে ভিসা আবেদন করতে হবে সঠিক নিয়ম মেনে আর জেনে।নিয়ম গুলো ঠিকঠাক করে জেনে নিয়ে তারপর ভিসার জন্য আবেদন করে ভিসা আসার অপেক্ষা করতে হবে।ইতালি সরকার এই ভিসা প্রসেসিং করে ঠিক সময়ে আপনাকে পৌঁছে দিবে। এরপর সেটা দিয়ে আপনি ইতালিতে যেতে পারবেন।আপনাকে অবশ্যই শর্ট টার্ম ভিসা এবং লং টার্ম ভিসা এই দুটার যেকোনো একটা করতে হবে। ভিসা অনুযায়ী খরচ ও কম বেশি হতে পারে।

ইতালিতে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে গেলে কাজের বেতন কেমন হয়

ইতালি কোন ভিসার খরচ কত?। কোন কাজের চাহিদা ইতালিতে বেশি? ইতালিতে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়া ইদানিং খুব কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়াইছে।সহজে এখন আর ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়া যায় না। ইতালি আধুনিক আর উন্নত মানের দেশ তাই এখানে কাজের চাহিদা অনেক বেশি। ইতালিতে সাধারণত কাজের জন্য শ্রমিক দের সংখ্যা খুব কম। সেখানে কাজের কোনো অভাব নেই।সব জায়গায় কাজ পাওয়া যায় কিন্তু কাজের তুলনায় সেখানের শ্রমিক কম।যার জন্য অনেক কাজ পিছায় থাকে।
‌তাই প্রতিবছর এই দেশের সরকারি আর বেসরকারি সংস্থা গুলো অন্যান্য দেশ গুলোতে কাজের বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে।যেটা আমরা অনেকেই জানি।তবে বর্তমানে ইতালিতে কাজ করা বাংলাদেশ থেকে যাওয়া শ্রমিকেরা প্রতিমাসে প্রায় ১১৫০ ইডরো বা এর চেয়ে বেশি আয় করে থাকে।১১৫০ ইউরো যেটা বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ১ লক্ষ ৪৫ হাজার টাকা সমান।কাজ ভেদে তারা আরো বেশি বা কম টাকা আয় করে থাকে। কিন্তু একজন অভিজ্ঞ শ্রমিক ১১৫০ ইউরোর থেকে আরো বেশি পরিমাণে ইউরো পেয়ে থাকে।‌এছাড়া কাজ ভেদেও বেতন বেশি পেয়ে থাকে তাঁরা।

ইতালিতে কাজগুলোর বেতন কত হয়

ইতালি কোন ভিসার খরচ কত?। কোন কাজের চাহিদা ইতালিতে বেশি? ইতালিতে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়া ইদানিং খুব কঠিন ব্যাপার হয়ে দাঁড়াইছে।সহজে এখন আর ওয়ার্ক পারমিট ভিসা পাওয়া যায় না। ইতালি আধুনিক আর উন্নত মানের দেশ তাই এখানে কাজের চাহিদা অনেক বেশি। এজন্য ইতালিতে যেতে নিম্ন মানের ভিসা নিতে হয়। যেহেতু বাংলাদেশ থেকে বেশিরভাগ লোকজন ই কাজের জন্য ইতালিতে যেতে চায়।সেখানে যাওয়ার জন্য ভিসা চায় তাই ওয়ার্ক পারমিট ভিসার খুব চাহিদা। আর এখন ওয়ার্ক পারমিট ভিসার বেশ ঘাটতি দেখা দিছে।

তবে আপনি যদি কোনো ভাবে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে ইতালিতে যেতে পারেন তাহলে আপনার যেকোনো কাজের বেতন বাংলাদেশ এর টাকা অনুযায়ী প্রায় ১ লক্ষ টাকা থেকে ১ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা হবে। কিন্তু কাজ ভেদে এটা আরো কম বা বেশি পরিমাণে হয়ে থাকে। কিন্তু ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে ইতালিতে গেলে অবশ্যই ১ লক্ষ টাকার মতো আপনার বেতন শুরু হবে।কারনে ইতালিতে যেকোনো কাজের জন্য চাহিদা অনেক বেশি।তাই বেতন ও বেশি হয়ে থাকে।

বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে যাওয়ার উপায়

ইতালি কোন ভিসার খরচ কত?।কোন কাজের চাহিদা ইতালিতে বেশি? বাংলাদেশ থেকে ইতালির যাওয়ার জন্য বেশ কিছু নিয়ম আর উপায় আছে। প্রথমেই ইতালি যাওয়ার ভিসা নিতে হবে।এরপর এয়ার লাইন্স এর মাধ্যমে যাবতীয় কার্যকলাপ সম্পূর্ণ করে তারপর ইতালিতে যেতে হবে। ইতালিতে যাওয়ার জন্য বাংলাদেশ থেকে বেশ কিছু এয়ার লাইন্স আছে। এই এয়ার লাইন্স যেগুলি পরিচালনা করে ইতালির বিভিন্ন শহরের বিভিন্ন সংস্থা। ভেনিস,রোম,মিলান সহ ইত্যাদি আরো অনেক।  

বাংলাদেশ থেকে ইতালি যাইতে সময় লাগে প্রায় ১০ থেকে ১২ ঘন্টা। বাংলাদেশ থেকে বিভিন্ন এয়ার লাইন্স এর মাধ্যমে ইতালি তে যেতে হয়। বিমান গুলো তে যাওয়ার জন্য প্রথমে আপনার লাগেজ এবং অন্যান্য ব্যাগ স্ক্যানিং মেশিনে দিয়ে তারা দেখে দেন এবং আপনার পুরো বডির তল্লাশি নিয়ে এরপর ক্লিয়ারি ফাই কর বিমানে উঠে নিজের আসনে গিয়ে বসতে বলেন। এতকিছু করার কারন হলো ইতালির সরকার নিজের দেশের নিয়ম এর ব্যাপারে খুব সতর্ক এবং কঠিন।এই এয়ার লাইন্স গুলো নিরাপদে এবং ঠিক ভাবে বাংলাদেশ থেকে ইতালিতে পৌঁছে দেয়।ইতালিতে যাওয়ার ব্যবস্থা বাংলাদেশ এই আছে।

ইতালিতে যাওয়ার জন্য খরচ কত হয়

ইতালি কোন ভিসার খরচ কত?।কোন কাজের চাহিদা ইতালিতে বেশি? ইতালিতে যাওয়ার জন্য ভিসা করতে হয়।তবে এরপর সরকারি আর বেসরকারি সংস্থা এর মাধ্যমে যাবতীয় কার্যকলাপ সম্পূর্ণ করে ইতালি তে যেতে হয়।ইতালিতে যাওয়ার জন্য এগুলি মাধ্যম। সরকারি এবং বেসরকারি সংস্থা গুলোর মাধ্যমে ইতালিতে যাওয়া যায়। বাংলাদেশ এর বেশির ভাগ মানুষ জন যারা ইতালিতে কাজের জন্য যেতে চান তাঁরা এই দুই টা মাধ্যমে ইতালিতে গিয়ে থাকেন। সরকারি ভাবে ইতালিতে গেলে অবশ্যই সে তুলনায় সব হিসাব করে দেখলে খরচ কম হয়। সরকারি ভাবে ইতালি তে যেতে মোট খরচ হয় প্রায় ৫ লাখ টাকা থেকে ৬ লাখ টাকা। বেসরকারি সংস্থা থেকে ইতালিতে গেলে খরচ একটু বেশি পরিমাণে হয়ে থাকে। বেসরকারি সংস্থা থেকে ইতালিতে যাওয়ার জন্য মোট খরচ হয়ে থাকে ৮ লাখ থেকে ১২ লাখ টাকা।এগুলি মাধ্যমে ইতালিতে যাওয়া যায়।

ইতালিতে যে যে কাজের চাহিদা বেশি

ইতালি কোন ভিসার খরচ কত?। কোন কাজের চাহিদা ইতালিতে বেশি? ইতালি আধুনিক এবং সমৃদ্ধ শহর তাই এখানে কাজের চাহিদা বেশী। তাদের কাজের অভাব নাই কিন্তু কাজ করার জন্য শ্রমিকের অভাব আছে। এ জন্য প্রতিবছর ইতালির বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি সংস্থা নানা রকমের কাজের বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে বিভিন্ন দেশে। সেগুলোর পোষ্টার আমরা অনেকেই প্রায় ই দেখতে পাই।ইতালিতে কাজ করার সুবিধা হলো সেখানে একবার ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নিয়ে কাজে ঢুকতে পারলেই প্রথম মাসে ই এক লাখ টাকা দিয়ে বেতন শুরু হয় যেটা আপনাদের জন্য খুব লাভজনক।তাই ইতালিতে যাওয়ার জন্য ভিসা নেওয়া টা জরুরী।
ইতালি-কোন-ভিসার-খরচ-কত-কোন-কাজের-চাহিদা-ইতালিতে-বেশি
তবে আপনারা অনেকেই আছেন যারা ইতালিতে কি কি কাজের চাহিদা বেশী তা সম্পর্কে জানেন না। আপনাদের সুবিধার জন্য ইতালিতে চাহিদানুযায়ী কাজগুলোর কথা আমরা এই আর্টিকেলটার ‌নিচে লিখে দিছি। ইতালিতে চাহিদা কৃত কাজগুলি হলো:
  • শিক্ষকতা
  • কন্সট্রাকশন শ্রমিক 
  • ইন্জিনিয়ারিং
  • তথ্যপ্রযুক্তি ব্যাপারে অভিজ্ঞ 
  • রোবোটিক্স স্পেশালিস্ট 
  • থেরাপি স্পেশালিস্ট 
  • সামরিক ফোর্স
  • সিকিউরিটি গার্ড বা নাইট গার্ড
  • নির্মাণ খাতে
  • সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার 
  • ব্যাংকার
  • ডক্টর 
  • নার্স 
  • হসপিটাল স্টাফ
  • গ্রোসারি স্টোর এর স্টাফ
  • ফ্লাওয়ার শপের স্টাফ 
  • হোম টিউটর
  • বিউটি স্পেশালিস্ট 
  • সেলুনে স্টাফ
  • রেস্টুরেন্ট ম্যানেজিং হেল্পার 
  • রিসোর্ট ম্যানেজমেন্ট 
  • ক্লিনিং জব
উপরোক্ত সারিতে লিখিত কাজগুলোর জন্য ইতালিতে চাহিদা বেশি। উক্ত উল্লিখিত কাজের জন্য ইতালি তে খুব বেশি পরিমাণে চাহিদা থাকে। কাজগুলো তে বেতন ও দেওয়া হয় বেশি পরিমাণে।যা দ্বারা আপনি উপকৃত হতে পারবেন।

ইতালি তে শিক্ষকতা পেশার মূল্য

ইতালি কোন ভিসার খরচ কত?।কোন কাজের চাহিদা ইতালিতে বেশি?ইতালি আধুনিক এবং সমৃদ্ধ শহর।এই শহরে অনেক রকমের কাজের চাহিদা আছে। অন্যান্য কাজের পাশাপাশি এখানে শিক্ষকতা পেশার মূল্য অনেক বেশি। ইতালির শহর এবং গ্রামের সরকারি এবং বেসরকারি স্কুল কলেজের শিক্ষকদের চাহিদা খুব বেশি। তাদের বেতন ও হয় অনেক।তবে ইতালির নামকরা বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে অভিজ্ঞ এবং মেধাবী ও উচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত শিক্ষকদের চাহিদা আরো বেশি। শিক্ষকদের চাহিদা ইতালিতে ব্যাপক।যার কারনে দেশ সহ অন্যান্য বাইরের দেশের দেশ গুলোতে শিক্ষকতা পেশার জন্য অফার দেয় ইতালির সরকার।
এছাড়াও ইতালিতে হোম টিউটর বা গৃহ শিক্ষকদের চাহিদা খুব বেশি। ইতালির ধনী মানুষেরা তাদের সন্তানদের আলাদা ভাবে বড় করার জন্য হোম টিউটর রাখেন যারা মেধাবী শিক্ষকদের একজন। তাদের বেতন ও সেসব ধনী মানুষেরা বেশি পরিমাণে দিয়ে থাকেন। এটি ছাড়াও ইতালিতে বিদেশি ভাষা শেখানোর শিক্ষকদের চাহিদা আছে ই।যারা বিদেশী ভাষায় শিক্ষার্থীদের পারদর্শী করে তোলেন। তাদের মূল্য ইতালিতে অনেক। ইতালিতে শিক্ষকদের একটু আলাদা ভাবেই সম্মান করা হয়। তাদের মূল্য অনেক। তাদের কাজ অনুযায়ী কাজের জন্য বেতন ও বেশি।

ইতালিতে হসপিটাল স্টাফ দের চাহিদা

ইতালি কোন ভিসার খরচ কত?।কোন কাজের চাহিদা ইতালিতে বেশি?ইতালি বড় একটা শহর তাই এখানে অনেক হসপিটাল আছে।তবে ইতালিতে বর্তমানে হসপিটাল গুলো তে বৃদ্ধ লোকদের সংখ্যা বেশি হয়ে যাচ্ছে।তাই সেখানে হসপিটাল এ তারা অসুস্থতার কারণে এডমিট হচ্ছে। কিন্তু সমস্যা হলো অসুস্থ মানুষ দের সংখ্যা বেশি হলেও তাদের সেবা যত্ন করার জন্য স্টাফের সংখ্যা খুব কম। এছাড়া ও ডক্টর এবং নার্স দের সংখ্যা ও কম।তাই সেখানে এসব সাহায্য কারী লোক দের বিশেষ ভাবে চাহিদা আছে।

প্রতিবছর এই ইতালির সরকার এই হসপিটাল গুলো পরিচালনা করার জন্য অসংখ্য লোকজন নিয়ে থাকেন।যাদের মধ্যে এই হসপিটাল এ কাজ করা লোকজন অন্যতম।তাদের দেশের লোকজন সেখানে কাজ করার জন্য কম পড়ে যাওয়ায় বিভিন্ন দেশে তারা এই কাজ করার জন্য বিজ্ঞাপন দিয়ে থাকে।আর বাংলাদেশ থেকে ও প্রতিবছর অনেক পরিমাণে মানুষ জন যায় সেখানে কাজগুলো করার জন্য। সরকারি এবং বেসরকারি উভয় হসপিটাল এর কাজ করার জন্য ই তাদের বেতন ও দেওয়া হয় অনেক বেশি পরিমাণে।

ইতালিতে নির্মাণ এবং কারিগরি কাজের জন্য শ্রমিকের চাহিদা

ইতালিতে নির্মাণ এবং কারিগরি কাজের জন্য দক্ষ শ্রমিকের খুব বেশি পরিমাণে প্রয়োজন। ইতালি একটি ধনী দেশ তাই এখানে বড় বড় ধনী মানুষের বসবাস। এছাড়াও এখানে বড় বড় অফিস আদালত স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রেস্টুরেন্ট হাসপাতাল ক্লিনিক ব্যাংক সরকারি ভবন বেসরকারি ভবন সহ আরো অনেক ভবন আছে।এসব নির্মাণের কাজ দক্ষ শ্রমিকেরা করে থাকে।ইতালির সরকার এই ব্যাপারে সতর্ক।তাই তাদের মানে শ্রমিকদের খুব সতর্কতার সাথে নির্মানের কাজ করতে হয় এবং তাদের দক্ষ হতে হয়। 

প্রতিবছর এই নির্মাণ কাজের জন্য কোম্পানী গুলো প্রচুর শ্রমিক নেন।তাই সবসময় ই এটার চাহিদা বেশি থাকে।এই চাহিদার জন্যই ইতালির পাশাপাশি অন্যান্য দেশ থেকেও শ্রমিকেরা যায় কাজ করতে।কারন সেখানে শ্রমিকের বেতন ও বেশি দেয়। যেটা দিয়ে তারা লাভবান হতে পারে।এই শ্রমিকদের খুব সতর্কতার সাথে নির্মানের কাজ করতে হয় কারন কোনো কোনো সময় তারা বড় বিপদের সম্মুখীন হয়।তবে দক্ষ শ্রমিকেরা খুব কম এই সমস্যায় পড়েন।বলতে গেলে তাদের জন্য এই কাজটা খুব লাভজনক কাজ।

এছাড়াও ইতালিতে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কারিগরি কাজের জন্যে ও লোকজন নেন।কারন ইতালিতে বিভিন্ন ফ্যাক্টরি সহ গার্মেন্টস ও আছে।এসবে কাজ করার জন্য সবসময় লোক লাগে।এই জন্য এই কাজের ও চাহিদা বেশি।এই চাহিদা পুরন করতে ইতালির লোকজন সহ অন্যান্য দেশের লোকজন ও এই কাজগুলোতে যোগদান করে থাকে।বেতন বেশি তাই তারা এই কাজে যুক্ত হয়।তবে এই কারগরি কাজেও দক্ষ লোকজন ই নেয়। বিভিন্ন ফ্যাক্টরিতে কাজ করার জন্য লোকের সবসময়ই দরকার হয়।

ইতালি কোন ভিসার খরচ কত?। কোন কাজের চাহিদা ইতালিতে বেশি? / শেষ কথা

ইতালি আধুনিক এবং সমৃদ্ধ শহর। প্রায় ১ লাখ ৫০ হাজার এর বেশি মানুষ ইতালি তে কাজের জন্য পাড়ি জমাইছেন।তারা দিন দিন অনেক টাকা আয় করে আমাদের দেশে পাঠাচ্ছেন। তাদের এই টাকা গুলো দিয়ে আমাদের দেশে প্রতি বছর ব্যাপুল হারে বৈদেশিক মুদ্রা আয় হচ্ছে।যা আমাদের দেশের জন্য লাভজনক। ইতালিতে ভিসার খরচ আর ইতালিতে কোন কোন কাজের চাহিদা বেশী এই নিয়ে আজকের আর্টিকেল টা ছিল।আমাদের আজকের আর্টিকেল টা যদি আপনাদের ভালো লেগে থাকে আর উপকৃত হয়ে থাকেন তাহলে এটা নিকটস্থ বন্ধু দের সাথে শেয়ার করতে ভুলবেন না। আশা করি সবাই মন দিয়ে পড়েছেন। এতক্ষণ ধরে আমাদের পাশে থাকার জন্য আপনাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। আজকের জন্য এই পর্যন্তই।দেখা হবে অন্য কোনো আর্টিকেল নিয়ে।বিদায়!

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

আপনি নিবোর্ন সাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url