ইমেইল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো(স্টেপ বাই স্টেপ)
ইমেইল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো(স্টেপ বাই স্টেপ)।আমরা অনেকেই ইমেইল
মার্কেটিং করতে ইচ্ছুক বা ভাবছেন নিজের মার্কেটিং স্ট্যাটাজিতে ইমেইল মার্কেটিং
শুরু করবেন।যা অবশ্যই একটি প্রভাবশালী মার্কেটিং প্রসেস। যদি আপনার মাথাই ইমেইল
মার্কেটিং এসে থাকে তাহলে এই আর্টিকেলটি আপনার জন্য।
আপনি এই আর্টিকেলে আপনাদের আমরা ইমেইল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবেন(স্টেপ বাই
স্টেপ) আলোচনা করা হবে।প্রতি স্টেপকে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।জানানো
হবে ইমেইল মার্কেটিং এর খুটিনাটি।চলুন সময় নষ্ট না করে জেনে আসা যাক ইমেইল
মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো(স্টেপ বাই স্টেপ)।
আরো পড়ুনঃইমেইল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো(স্টেপ বাই স্টেপ)
- ইমেইল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো(স্টেপ বাই স্টেপ)
- ইমেইল মার্কেটিং বলতে কি বুঝায়
- ইমেইল মার্ককেটিং এর প্রথম পদক্ষেপ হলো উদ্দেশ্য ঠিক করা
- টার্গেট অডিয়েন্স এবং অফার ঠিক করা
- টুলস নির্বাচন করতে হবে এবং ইমেইল সার্ভিস প্রভাইডার নির্বাচন করা
- ইমেইল লিস্ট তৈরি করা
- ওয়েলকাম ইমেইল এবং কনটেন্ট প্লান তেরি করা
- ইমেইল মার্কেটিংয়ে অডিয়েন্স সেগমেন্ট কি গুরুত্বপুর্ণ
- ইমেইল অটোমেশন সেট আপ করা
- ইমেইল ডিজাইন, কপি রাইটিং এবং সিটিএ করা
- ইমেইল ক্যম্পেইন টেস্ট্রিং এবং অপটিমাইজেশন করা
- ফলাফল বিশ্লেষন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা
- ইমেইল মার্কেটিংয়ের ধারাবাহিন উন্নয়ন করা
- ইমেইল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো(স্টেপ বাই স্টেপ) / শেষ কথা
ইমেইল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো(স্টেপ বাই স্টেপ)
আপনার একটি পেইজ আছে অথবা ছোট বা বড় কোন ব্যাবসা আছে।আপনি ব্যাবসাটিকে বড় করতে
চান ইফেক্টিভ কোন উপায়ে।তাহলে ইমেইল মার্কেটিং হতে পারে আপনার জন্য সে একটি
উপায়।ইমেইল মার্কেটিং বর্তমান সময়ের সবচেয়ে ইফেক্টিভ মার্কেটিং
স্ট্যাটাজি।ইমেইল মার্কেটিংয়ে কয়েকটি নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে ইমেইলের
মাধ্যমে গ্রাহক বা সাবসক্রাইবারদের নিজস্ব ইনবক্সে পৌছে দেওয়ার মাধ্যমে
মার্কেটিং করে থাকে।এসকল নিয়মও সবগুলোই আইনসম্মত।
আজজেট আর্টিকেলে আপনাদের ইমেইল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো(স্টেপ বাই
স্টেপ) জানাব।যেখানে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ কি, কিভাবে কাজ
করে, কিভাবে করতে হয়, আপনার জন্য কতটা ইফেক্টিভ সবকিছু জানতে সাহায্য করব।তাই
আপনি যদি ইমেইল মার্কেটিংয়ে আগ্রহী হয়ে থাকে তাহলে আজকের আর্টিকেলটি আপনার
জন্য।চলুন প্রথমেইইমেইল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো(স্টেপ বাই স্টেপ) জানার আগে
জানা যাক ইমেইল মার্কেটিং আসলে কি….
ইমেইল মার্কেটিং বলতে কি বুঝায়
ইমেইল মার্কেটিং এমন একটি শক্তিশালি মার্কেটিং স্ট্যাটের্জ যেখানে কোন ব্যাবসা
বা কনটেন্ট ক্রিয়েটর সরাসরি তার অডিয়েন্সের ইনবক্সে প্রয়োজনীয়,মুল্যবান এবং
ব্যাক্তিগতকৃত বার্তা পাঠাই।সোশাল মিডিয়ার অলগারিদম পরিবর্তন, রিচ কমে যাওয়া বা
পোস্ট হারিয়ে যাওয়ার মত ঝামেলা নাই,ইমেইল এমন একটি মাধ্যম -যেখানে তুমি নিজের
অডিয়েন্সকে ১০০% নিশ্চিত ভাবে পৌছে দিতে পারবেন।এ কারনে ইমেইল মার্কেটিং এখনো
পর্যন্ত সবচেয়ে উচ্চ রিটান -অন-ইনভেসমেন্ট যুক্ত মার্কেটিং পদ্ধতি হিসাবে
বিবেচিত হয়।
শুধু প্রচার নয় বরং সম্পর্ক গড়া, ব্রান্ডের প্রতি আস্থা তৈরি করা এবং সময়ের
সাথে সাথে গ্রাহকের মনে জায়গা তৈরি করার সবচেয়ে স্থায়ী উপায় ইমেইল
মার্কেটিং।সঠিক ভাবে পরিকল্পনা করা হলে, ইমেইল মার্কেটিং আপনার নতুন গ্রাহক এনে
দিবে,পুরোনো গ্রাহককে ধরে রাখবে এবং তোমার ব্যাবসাকে দীর্ঘস্থায়ী শক্ত অবস্থানে
নিয়ে যায়।তাই ছোট ব্যাবসায়ী থেকে বড় ব্যাবসায়ী সবাই ইমেইল মার্কেটিংকে তাদের
কেন্দ্রস্থলে রাখে,কারন এটি হলো এমন মাধ্যাম যা মানুষ প্রতিদিন ব্যাবহার করে,
নিয়মিত চেক এবং বার্তা হারিয়ে যায় না।তাই আপনিও আপনার মার্কেটিং স্ট্যাটার্জিতে
ইমেইল মার্কেটিংকে রাখতে পারেন।ইমেইল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবেন(স্টেপ বাই
স্টেপ) জেনে আসা যাক।
ইমেইল মার্ককেটিং এর প্রথম পদক্ষেপ হলো উদ্দেশ্য ঠিক করা
আপনি যদি ভাবেন ইমেইল মার্কেটিং কিভাবে করবেন, তাহলে প্রথমেই আপনাকে উদ্দেশ্য
ঠিক করতে হবে।কারন উদ্দেশ্য ঠিক না করলে আপনি কখনই সঠিক ভাবে পরিকল্পনা করতে
পারবেন না এবং আপনার প্রচেষ্টা সফল হবে না অনেকে ইমেইল মার্কেটিং করে থাকে।
ইমেইল মার্কেটিং অনেক অনেক কারনে করা হয়ে থাকে যেমন- নতুন গ্রাহক সংগ্রহ যেমন -
ব্লগ,ওয়পবসাইটের জন্য সাবসক্রাইবার সংগ্রহ,আবার অনেকে ই-কমার্স সাইটের বিক্রি
বাড়ানোর জন্য,ডিসকাউন্ট, অফার বাড়ানোর জন্যও ইমেইল মার্কেটিং ব্যাবহার করা
হয়।আবার সেলস টিমকে সাহায্য করার জন্য সম্ভাব্য গ্রাহককের তথ্য সংগ্রহ করার
জন্যও ইমেইল মার্কেটিং ব্যাবহার করে থাকে।
এটা জানার পর তুমি ইমেইল ক্যাম্পেইন করতে পারবে, এবং কনটেন্ট ডিজাইন করতে
পারবেন, যা আপনার নির্ধারিত উদ্দেশ্য অনুসারে হবে।উদাহারন সরুপ, যদি আপনার
উদ্দেশ্য নতুন গ্রাহক সংগ্রহ হয়।,তাহলে ওয়েলকাম ইমেইল বা অফার কিপিং ক্যাম্পেইন
চালানো জরুরি, আবার যদি বিক্রি বাড়ানো উদ্দেশ্য থাকে তাহলে নিয়মিত প্রডাক্ট
প্রমোশোন ও ডিসকাউন্ট ইমেইল পাঠানো উচিত।তো আপনি যদি ইমেইল মার্কেটিং করতে চান
অবশ্যই প্রথমে উদ্দেশ্য ঠিক করবেন।
টার্গেট অডিয়েন্স এবং অফার ঠিক করা
ইমেইল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো(স্টেপ বাই স্টেপ)।ইমেইল মার্কেটিং সফলতা
পাওয়ার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন বিষয় হলো- টার্গেট অডিয়েন্সকে আপনি লক্ষ্য
করতে চান।যেহেতু আপনি সরাসরি গ্রাহকে ইনবক্সে পৌছাচ্ছেন তাই তাদের আগ্রহ ও
প্রয়োজন অনুযায়ী কনটেন্ট ডিজাইন করা অত্যন্ত জরুরি।শুরুতেই আপনার সাইট বা
ব্লগের জন্য আইডেন্টিফাই করুন আপনি কাদের কাছে পৌছাতে চান।যেমন ধরুন, আপনার
একটি লেডিস ক্লথ ব্রান্ড আছে তাহলে আপনি নিশ্চিত ভাবে নারীদের কাছে নিজের
ব্রান্ডকে বেশি পৌছাতে চাইবেন।তাহলে আপনার টার্গেট অডিয়েন্স হবে নারী।
এখন অবশ্যই আপনাকে আপনার টার্গেট অডিয়েন্সকে আকর্ষন করার জন্য তাদের আকর্ষিত
করার মত ডিল দিতে হবে।যেসকল অফার তাদের আপনার ইমেইলের প্রতি আকৃষ্ট করবে এবং
আপনার ব্রান্ডের নাম তার মাথাই সেট করবে।তাই আপনাকে ইমেইল মার্কেটিং সফল ভাবে
করতে অবশ্যই আগে টার্গেট অডিয়েন্স সেট করতে হবে এবং তাদের আকর্ষিত করার মত
প্রত্যেকটি অফার, ক্যাম্পেইন পরিচালনা করতে হবে, যা তাদের আপনার ব্যাবসার প্রতি
আকৃষ্ট করবে এবং বিশ্বাস স্থাপন করবে।
টুলস নির্বাচন করতে হবে এবং ইমেইল সার্ভিস প্রভাইডার নির্বাচন করা
ইমেইল মার্কেটিংয়ে ECP বা ইমেইল সার্ভিস প্রভাইডার নির্বাচন করা খুবই
জরুরি। ইসিপি হলো এমন একটি প্লাটফর্ম যারা আপনাকে ইমেইল ক্যাম্পেইন ডিজাইন,
ম্যানেজ এবং অটোমেট করে পাঠাতে সাহায্য করে।বেশ কিছু প্লাটফর্ম এসকল কাজ বেশ
বিশ্বস্ততার সাথে করে চলেছে,যেমন: Mailchimp,Brevo(sendinblue), Klaviyo,
Moosend, Activecampaign. আপনার ব্যাবসা অনুযায়ী আপনাকে আপনার পছন্দসই
প্লাটফর্মটি বেছে নিতে হবে।আপনি যদি নতুন হন তাহলে mailchimp এবং Brevo
ব্যাবহার করে দেখতে পারেন।
তবে আপনার ব্যাবসা যদি একটু বড় হয় তাহলে আপনার জন্য Klaviyo এবং
Actibecampaign হতে পারে আদর্শ প্লাটফর্ম। ইসিপি বেছে নেওয়ার ক্ষেত্রে আপনাকে
বেশ কিছু বিষয় খেয়াল রাখতে হবে যেমন, সাবসক্রাইবার লিমিট ( কতজন তারা
ম্যানেজ করতে পারছে),অটোমেশন ( পয়েলকাম ইমেইলের মত অটোমেশন গুলো কিভাবে
হ্যান্ডেল করছে) , ডিজাইন টেমপ্লেট(তাদের কাস্টোমাইজ টেমপ্লেট আছে কিনা)
ইত্যাদি।একটি ভালো ইসিপি বেছে নিলে আপনার জন্য কাজটি অনেক সহজ হয়ে যাবে।
ইমেইল লিস্ট তৈরি করা
ইমেইল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো(স্টেপ বাই স্টেপ)। ইমেইল মার্কেটিংয়ের একটি
গুরুত্বপুর্ন বিষয় হলো ইমেইল লিস্ট তেরি।এর আরেকটি গুরুত্বপুর্ন বিষয় হলো৷
opt-in. opt-in হলো আপনার গ্রাহক আপনার কাছে ইমেইল এড্রেসটি জমা দিতে চায় এবং
তারা জানেন তারা কি ধরনের ইমেইল পেতে চলেছেন।ওয়েবসাইট বা ব্লগে সাবসক্রিপশান
ফর্ম যুক্ত করার পর, সেই ফর্মের মাধ্যমে সাবসক্রাইবারদের ডেটা সংগ্রহ করতে
হবে।তবে এক্ষেত্রে double opt- in ব্যাবহার করাই সবচেয়ে সুবিধাজনক।এটি
সাবসক্রাইবারদের আস্থা বাড়াই অনেকাংশে।
ইমেইল লিস্ট তৈরি করার কিছু কার্যকর পদ্ধতি রয়েছে। যেমন প্রথমে আপনি আপনার
ওয়েবসাইট বা ব্লগে গুরুতৃবপুর্ন জায়গাই সাইন আপ ফর্ম যুক্ত করতে
পারেন।যেটি খুব সহজে সাবসক্রাইবার দের চোখে পড়বে এবং ইমেইল দিয়ে সাইনআপ
করবে,তারপর গ্রাহককেদর সাবসক্রাইব করতে আগ্রহী করতে লিড ম্যাগনেটের অফারের
ব্যাবস্থা করা যেতে পারে,ওয়পবসাইটে পপ- আপ ফর্ম থাকলে আরো বেশি সাবসক্রাইবার
সংগ্রহ করা সম্ভব হয়,আবার সোশাল মিডিয়া প্রফাইলে সরাসরি সাবসক্রিপশান ফর্ম
যুক্ত করে পোস্ট করা যায়।আপনি য়কুব সহজেই এসকল প্রক্রিয়া ব্যাবহার করে ইমেইল
লিস্ট তৈরি করতে পারবেন।
ওয়েলকাম ইমেইল এবং কনটেন্ট প্লান তেরি করা
ওয়েলকাম ইমেইল হলো, কোন সাবসক্রাইবার সাবসক্রাইব করার পর তাকে প্রথম যে ইমেইল
টা পাঠানো হয়।সাধারনত ওয়েলকাম ইমেইলের মাধ্যামেই গ্রাহক এবং ব্যাবসায়ীর মাঝে
প্রথম যোগাযোগ স্থাপন হয়।ওয়েলকাম ইমেইলের মাধ্যামে আপনি জানিয়ে দিতে পারেন,
আপনার উদ্দেশ্য কি,তারা কি ধরনের কনটেন্ট আাশা করতে পারে,কি কি ধড়নের অফার আাশা
করতে পারে ,আপনার দাড়া তারা কি উপকৃত হবে। এটি তাদের আপনার ব্যাবসার
প্রতি আগ্রহী করে তুলবে সহজেই।
ওয়েলকাম ইমেইলের পর অবশ্যই আপনাকে কনটেন্ট প্লান করতে হবে। কনটেন্ট প্লানের
মাধ্যামে আপনার সাথে গ্রাহকের সম্পর্ক নিবিড় হবে। আপনি বিভিন্ন উপায় অবলম্বন
করতে পারেন যেমন গ্রাহককে ওয়েলকাম ইমেইল পাঠানোর পর ২-১ দিন পরপরই ইমেইল
পাঠাবেন, যেখানে আপনার ব্যাসার বিভিন্ন অফার বা কুপন দেওয়া থাকবে।এই ওয়েলকাম
ইমেইল এবং কনটেন্ট প্লানের মাধ্যামে সাবসক্রাইবারের সাথে সম্পর্ক স্থায়ী হয়,যা
আপনাকে ভবিষ্যতে এক্টিক গ্রাহক করে তোলে।
ইমেইল মার্কেটিংয়ে অডিয়েন্স সেগমেন্ট কি গুরুত্বপুর্ণ
ইমেইল মার্কেটিংয়ে যদি আপনি সফল হতে চান তাহলে অডিয়েন্স সেগমেন্ট খুবই গুরুত্ব
পুর্ন।অডিয়েন্স সেগমেন্ট হলল অডিয়েন্সদের ছোট ছোট ছোট গ্রুপে ভাগ করা, যেখানে
তাদের আগ্রহ,পছন্দ, আচরন বা প্রোফাইলয়ের মিল আছে।প্রত্যেক গ্রুপকে তাদের
প্রাসঙ্কিক ইমেইল পাঠানো হলল অডিয়েন্সদের আকর্ষন তারাতারি সংগ্রহ করা যায়।
তাছাড়া সাবসক্রাইবারদের কাছে ভালো রেসপন্স এবং কনভার্শন পাওয়ার সম্ভবনাও
বাড়ে।তাই অডিয়েন্স সেগমেন্ট অনেক গুরুত্বপুর্ন।অডিয়েন্স সেগমেন্টে আপনাকে কিছু বিঅয় মাথাই রাখতপ হবে,আপনাক অবশ্যই
ক্যাটাগরি আকারে সেগমেন্ট ভাগ করতে হবে।
যেমন- সাবসক্রাইবারদের আগ্রহর উপর ভিত্তি করে সেগমেন্ট তৈরি ( কোন
সাবসক্রাইবাররের যদি ক্লথিং আইটেম বেশি পছন্দ হয়ে থাকে, তাকে ক্লথিং আইটেম
ভিত্তিক অফার পাঠাতে পারেন), একটিভিটি ভিত্তিক সেগেমেন্ট তৈরি,( কোন কোন
মেম্বার অনেক একটিভ হয় ইমেইল খুলে পুড়ো পড়ে, এবং অফার সম্পর্কে জানার চেষ্টা
করে, তবে কিছু মেম্বার থাকে ইনএকটিভ, এরা সাধারনত নিষ্ক্রিয় থাকে। তাদের জন্য
তাদের আর্কষন করার মত ইমেইল পাঠাতে হবে),এছাড়া আপনার সাবসক্রাইবারের
বয়স,লিঙ্গ,অবসৃথান অনুয়ায়ী সেগমেন্ট তৈরি করতে পারেন আবার তার ক্রয় হিস্ট্রি
দেখেও সেগমেন্ট তৈরি করতে পারেন।
ইমেইল অটোমেশন সেট আপ করা
ইমেইল মার্কেটিংয়ের জন্য খুবই গুরুত্বপুর্ন ইমেইল অটোমেশন সেটআপ করা। ইমেইল
অটোমেশন সেটআপ করা হলো এমন একটি প্রক্রিয়া, যেখানে তুমি নির্দিষ্ট সময়ে বা
নির্দিষ্ট কিছু অ্যাকশনের উপর ভিত্তি করে সাবসক্রাইবারদের ইমেইল পাঠাতে
পারেন।তাও একম স্বয়ংক্রিয়ভাবে। এতে আপনার প্রচেষ্টার পরিমান কমে যায় তবে
কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।কারন এতে আপনি প্রতিটি ইমেইন সময় এবং পরিস্থিতি অনুযায়ী
কাস্টোমাইজড করতে পারবেন।
ইমেইল অটোমেশনের গুরুত্ব পুর্ন বিষয় হলো, ওয়েলকাম ইমেইল সিরিজ, কার্ট
অ্যাবান্ডনমেন্ট ইমেইল ( অনেকেই কার্টে কিছু পছন্দসই জিনিস রেখে দেই ক্রয় করে
না,এই ইমেইল তাকে মনে করিয়ে দেই এবং অফারের মাধ্যমে তাকে উৎসাহিত করে), ফলো আপ
ইমেইল, রিএ্যাগেজমেন্ট ইমেইল, অটোমেটিক সাবস্ক্রাইবার সেগমেন্টেশান। ইমেইল
অটোমেশান আপনার অনোক সময় বাঁচিয়ে দেই এবং আপনার ক্যাম্পেইন গুলোর কার্যকারিতা
বৃদ্ধি করে।
ইমেইল ডিজাইন, কপি রাইটিং এবং সিটিএ করা
ইমেইল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো(স্টেপ বাই স্টেপ)।ইমেইল মার্কেটিংয়ে ইমেইল
ডিজাইন, কপি রাইটিং এবং সিটিএ অনেক গুরুত্বপূর্ন। আপনার ইমেইল টি কিভাবে ডিজাইন
করা হয়েছে তা আপনার প্রফেশোনালিজম প্রকাশ করে।ইমেইল হতে হবে পরিষ্কার
পরিচ্ছন্ন, আকর্ষনীয় স্পষ্ট ফ্রন্টে লেখা। যেখানে আপনার অফার, ক্যাম্পেইন
স্পষ্ট ভাবে বোঝা যাবে। এবং সাবস্ক্রাইবারের পড়তেও সুবিধা হবে। এছাড়া কপি
রাইটংয়ের ক্ষেত্রে, আপনি গ্রাহককে যল কপিটি পাঠাচ্ছে তা আকর্ষনীয়, প্রাসঙ্গিক
এবং মুল্যবান হয় যেন তা নিশ্চিত করতে হবে।
সিটিএ বা কল টু এ্যাকশন হলো সেই প্রক্রিয়া যেখানে সাবসক্রাইবারদের তার কাঙ্খিত
এ্যাকশানটি নিতে উদ্ধুদ্ধ করে।একটি শক্তিশালি সিটিএ গ্রাহককে কাজটি করতে বাধ্য
করে।এবং ইমেইল ক্যাম্পেইনের সাফল্য নির্ধারন করে।সিটিএ এর ক্ষেত্রে ইমেইলের
ভাষা হতে হবে আকর্যনীয় এবং স্পষ্ট,সিটিএ বাটন সেটআপ করতে পারে যাতে গ্রাহক
ক্লিক করতে উৎসাহিত হয়, প্রয়োজনীতা জোরাল ভাবো স্পষ্ট করুন।এতে আপনার বিক্রি
বাড়ার সম্ভবনা অনোক অংশে বেড়ে যায়।
ইমেইল ক্যম্পেইন টেস্ট্রিং এবং অপটিমাইজেশন করা
ইমেইল মার্কেটিংয়ে ইমেইল তৈরি এবং পাঠিয়েই থেমে থাকা যাবে না।বরং টেস্টিং এবং
অপটিমাইজেশনও এলটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। যা আপনাকে নিশ্চিত হতে সাহায্য করে যে ইমেইল
গুলো সঠিকভাবে কাজ করছে এবং সর্বোচ্চ ফলাফল দিচ্ছে।এর মাঝে রয়েছে, এ/বি
টেস্টিং,প্রতিটি ক্যাম্পেইনে ফলাফল পর্যালোচনা, ইমেইল পাঠানের সময় এবং
ফ্রিকোয়েন্সী, ল্যান্ডিং পেইজ অপটিমাইজেশান। এসমহু প্রক্রিয়ার মাধ্যমল আপনি
ইমেইল ক্যাম্পেইন টেস্ট এবং অপটিমাইজ করতে পারবেন।
এবিএ টেস্টিং এমন একটি কৌশাল যা আপনাকে ইমেইল ক্যাম্পেইনের বিভিন্ন বিষয় টেস্ট
করতে দেই।যদি আপনি সিটিএ বা ইমেইল ডিজাইন ভিন্ন দুইটা বিষয় টেস্ট করে দেখতে
পারেন আপনার জন্য কোনটি বেশি কার্যকর তাহলে আপনার জন্য ক্যাম্পেইন সহজ হয়ে
যায়।এছাড়া পাঠক কোন সময় ইমেইলে বেশি এংগেজমেন্ট দেখাচ্ছে সোটি নির্ধারন করে
ইমেইল পাঠাতে পারলেও গ্রাহকদের এ্যাংগেজমেন্ট বাড়ে।এছাড়া যখন গ্রাহক সিটিএ তে
ক্লিক করবে,তখন তাকে যে লিড পেইজে পাঠানো হবে সেখানে আপনার অফার,আপনার
প্রসৃতাবিত কাজ স্পষ্ট থাকতে হবে যে আপনার ব্যাবসা সম্পর্কে গ্রাহককে স্পষ্ট
ধারনা দিবে।
ফলাফল বিশ্লেষন এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা
ইমেইল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো(স্টেপ বাই স্টেপ)।ইমেইল মার্কেটিংয়ে আরেকটি
গুরুত্বপুর্ন ধাপ হলো ফলাফল বিশ্লেষন।আপনার ক্যাম্পেইন কতটা সফল হচ্ছে।কোথায়
উন্নতি প্রয়োজন? এর জন্য আপনাকে ম্যাট্রিক্স ট্রাক করতে হবে।সর্ধাধিক
গুরুত্বপুর্ন ম্যট্রিক্স গুলো হলো, open Rate(কতজন ইমেইলটি খুলেছে তার
সংখ্যা),Clik and thought Rate(কতজন ইমেইল লিংকে ক্লিক করেছে তার সংখয়া),Bounce
rate(কতটি ইমেইল সফল ভাবে ডেলিভার হয়নি তার সংখ্যা),unsubscribe rate(কতজন
আনসাবসক্রাইব করেছে তার সংখ্যা) উক্ত রেট গুলো পর্যালোচনা করে ভবিষ্যৎ
পরিকল্পনা করতে হয়।
যখন আপনি ফলাফল গুলো থেকে শিক্ষা নিবেন তখন আপনার ভবিষ্যৎ ক্যাম্পেইন গুলো আরো
শক্তিশালি হবে।আপনি জানেন আপনার ভুলগুলো কোথায় এবং কিভাবে তার সমাধান বের করবেন
সেটি পর্যালোচনা করবেন। আপনার ভুল গুলো সুধরাবেন।এবং সেটি সাবসক্রাইবারদের
সামনে তুলে ধরবেন।এটি আপনার ইমেইল মার্কেটিংকে অনেক বেশি সফল হওয়ার সম্ভবনা
বাড়াবে।আপনার ব্যাবসা বড় এবং দীর্ঘমেয়াদী করে তুলবে।গ্রাহকদের সাথল আপনার
সম্পর্ক নিবির করবে।
ইমেইল মার্কেটিংয়ের ধারাবাহিন উন্নয়ন করা
ইমেইল মার্কেটিংয়ে ধারাবাহিক উন্নয়ন হলো সফলতার মুল চাবিকাঠি।একেবারে নিখুত
মার্কেটিং চালানো সম্ভব নই।তাই প্রতিটি ক্যাম্পেইনের ভুল গুলো পরবর্তী
ক্যাম্পেইনের জন্য একটি শিক্ষার উৎস। ধারাবাহিক উন্নয়নের মাধ্যমে আপনি আপনার
কৌশল গুলো প্রতিনিয়ত কার্যকর করতে পারবেন।প্রথমে ক্যাম্পেইনের ফলাফল বিশ্লেষন
করবেন।রেট দেখে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার জন্য আপনার জন্য কোন প্রক্রিয়াগুলো
বেশি কার্যকর,কোন এলিমেন্টগুলো বেশি কার্যকর।সেই অনুযায়ী আপনার কার্যপদ্ধতি এবং
এলিমেন্টের উন্নয়ন করতে পারবেন।যা আপনার ভবিষ্যৎ উন্নয়ন হিসাবে কাজ
করবে।
ইমেইল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো(স্টেপ বাই স্টেপ)।প্রতিটি ক্যাম্পেইনের ভুল
থেকে শেখা, তোমাকে কেবল সঠিক পথে পরিচালনাই করবে না, বরং তোমার ইমেইল
মার্কেটিংয়ে আরো কার্যকর করবে। যা শেষ পযন্ত তোমার গ্রাহক বা সাবসক্রাইবারদের
থেকে আরো ভালো ফলাফল আনবে।যা তোমার ব্যাবসাকে দীর্ঘমেয়াদী করে তুলবে।তাই তুমি
যদি তোমার বয়াবসার জন্য একটি ভালো ইমেইল মার্কেটিং লরতে পারো, সেটি তোমার জন্য
হতে পারে সবচেয়ে আদর্শ উপায় তোমার মার্কেটিং স্ট্যাটাজির।আপনিও কিন্তু ইমেইল
মার্কেটিং ব্যাবহার করে দেখতে পারেন অবশ্যই।
ইমেইল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো(স্টেপ বাই স্টেপ) / শেষ কথা
ইমেইল মার্কেটিং কিভাবে শুরু করবো(স্টেপ বাই স্টেপ)। ইমেইল মার্কেটিং একটি
শক্তিশালী এবং দক্ষ পদ্ধতি। যাকে আপনি সঠিকভাবে পরিচালনা করলে আপনার সফল হওয়ার
সম্ভবনা অনেক বেড়ে যায়।ইমেইল মার্কেটিং শুধু আপনার ব্যাবসা সম্পর্কে তথ্য
গ্রাহকের কাছে পৌছে দেই না, আপনার গ্রাহকের সাথে আপনার সম্পর্ক নিবির করে,
গ্রাহকের মনে আপনার ব্যাবসার প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করল এবং আপনাদের সম্পর্ক
দীর্ঘমেয়াদি করে।তাই আপনি যদি স্টেপ বাই স্টেপ ইমেইল মার্কেটিং করতে পারেন এটি
আপনার জন্য যথেষ্ট ফল প্রসু।
মনে রাখবেন, ইমেইল মার্কেটিং কেবল শুধু টুলস নয়, এটি একটি দীর্ঘমেয়াদী
যোগাযোগের উপায়, যেখানে প্রতিটি ইমেইল পাঠানোর মাধ্যমে নতুন সুযোগ, নতুন সাফল্য
এবং নতুন সম্পর্ক তৈরি করতে পারে।তাই আপনি যদি আপনার ব্যাবসাকে বড় করতে
চান,দীর্ঘমেয়াদী করতে চান, গ্রাহকদের সাথো সম্পর্ক স্থাপন করতে চান, তাহলে
আপনার জনয় ইমেইল মার্কেটিং হতে পারে সেরা উপায়।আপনি কি ইমেইল মার্কেটিং করে
দেখতে চাইবেন?আপনার জন্য মার্টেিংয়ের জন্য ইমেইল মার্কেটিংই হতে পারে সেরা
উপায়।
আজ এ পর্যন্তই আবার দেখা হবে কোন এক নতুন আর্টিকেল নিয়ে।আর্টিকেলটি ভালো
লাগলে আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন এবং একটি কমেন্ট করুন। এতক্ষণ আমাদের
সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।
.webp)
.webp)
.webp)
আপনি নিবোর্ন সাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url