জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া
বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের একটা গুরুত্বপূর্ণ জেলা হলো জয়পুরহাট।জয়পুরহাট টু
ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া।জয়পুরহাট থেকে ঢাকা যে যাতায়াত করেন এমন অনেকেই
আছে।তবে এই চলাচলের মাধ্যম হিসেবে তারা বাস কে প্রথমে রাখেন।তবে বলে রাখা ভালো
যে জয়পুরহাট থেকে ঢাকা যেতে ট্রেনে যাতায়াত একটা সুবিধাজনক উপায়।অনেক মানুষ
আছেন যারা জয়পুরহাটে থাকেন এবং জয়পুরহাট থেকে ঢাকা তে কাজ,বেড়ানো বা আরো
অনেক কাজে যান।এমন অনেকেই আছেন যারা এই ট্রেনের সময়সূচি সম্পর্কে জানেন
না।
আপনারা যারা এই জয়পুরহাট থেকে ঢাকা যাওয়ার ট্রেনের সময়সূচি সম্পর্কে জানেন
না তাদের জন্য আমাদের আজকের এই আর্টিকেল টা।হয়তো আপনার সমস্যার সমাধান আমাদের
আজকের এই আর্টিকেল টাতে পেয়ে যাবেন।তো আপনাদের জন্যেই আজকের আর্টিকেল।জয়পুরহাট
টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া।শুরু করা যাক।
পােষ্ট সূচিপত্রঃজয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া
- জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া
- জয়পুরহাট টু ঢাকা যাতায়াতকারী ট্রেনের নাম
- জয়পুরহাট থেকে ঢাকা যাওয়ার ছয়টি ট্রেনের সময়সূচি
- জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের ভাড়া
- একতা এক্সপ্রেস ট্রেনের মাধ্যমে জয়পুরহাট টু ঢাকা যাওয়ার সময়সূচী
- দ্রুতযান এক্সপ্রেস ট্রেনের মাধ্যমে জয়পুরহাট টু ঢাকা যাওয়ার সময়সূচী
- চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনের মাধ্যমে জয়পুরহাট টু ঢাকা যাওয়ার সময়সূচী
- পঞ্চগড় এক্সপ্রেসট্রেনের মাধ্যমে জয়পুরহাট টু ঢাকা যাওয়ার সময়সূচী
- কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসট্রেনের মাধ্যমে জয়পুরহাট টু ঢাকা যাওয়ার সময়সূচী
- নীলসাগর এক্সপ্রেসট্রেনের মাধ্যমে জয়পুরহাট টু ঢাকা যাওয়ার সময়সূচী
- ট্রেনে যাতায়াত একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম
- জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া শেষ / কথা
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া।
বাংলাদেশের রাজশাহী বিভাগের জয়পুরহাট জেলার এমন অনেক মানুষজন আছেন যারা
প্রতিনিয়ত ঢাকা তে চলাচল করেন।জেলাটি উত্তরবঙ্গে হওয়ায় সেখানে ট্রেনের
যাতায়াত ব্যবস্থা আছে।তবে এই ট্রেনে করে যাতায়াত করার কথা অনেকেই ভালোভাবে আর
গুরুত্বের সাথে নেন না।তবে ট্রেনে যাতায়াত করত সবচেয়ে ভালো আর নিরাপদ।ভারাও
কম।তাই এই সম্পর্কে জানা টা জরুরি।তবে এমন অনেকেই আছে যারা এই বিষয় গুলো জানে
না।তাই আপনাদের জন্য আজকের আর্টিকেল।জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও
ভাড়া।
আপনিও কি জয়পুরহাট থেকে ঢাকা তে যাওয়ার ট্রেনের সময়সূচি আর ভাড়া সম্পর্কে
জানেন না? বাসে চলাচল করতে করতে বেশিভাগ টাকাই শেষ হয়ে যাচ্ছে?আপনার কি এই
চিন্তায় ঘুম আসছে না? ট্রেনের ভাড়া ব্যাপারে জানেন না?আপনিও যদি এমনই একজন
হয়ে থাকেন তাহলে আমাদের আজকের এই আর্টিকেলটা শুধুমাত্র আপনার জন্যেই।তাহলে
দেরি না করে চলেন জেনে আসা যাক।জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া।
জয়পুরহাট টু ঢাকা যাতায়াতকারী ট্রেনের নাম
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া।বর্তমানে জয়পুরহাট থেকে বিভিন্ন
ট্রেন নিয়তিত ভাবে যাতায়াত করে থাকে।এই ট্রেনগুলি সরাসরি জয়পুরহাট স্টেশন
থেকে যাত্রা করে না। বরং অন্য জেলার স্টেশন থেকে এগুলো যাত্রা শুরু করে
জয়পুরহাট স্টেশন দিয়ে যায়। জয়পুরহাট স্টেশন থেকে বর্তমানে মোট ছয়টি ট্রেন
চলাচল করে। এই ট্রেনগুলি সরাসরি ঢাকা স্টে৭৭৬) চিলাহাটি এক্সপ্রেস
আন্তঃনগর।
এশনে পৌঁছায়। আপনাদের সুবিধার জন্য সেসব ছয়টি ট্রেনের নাম নিচে লিখে দেওয়া
হলো:
- (৭০৬) একতা এক্সপ্রেস আন্তঃনগর।
- (৮০৬)দ্রুতযান এক্সপ্রেস আন্তঃনগর।
- (৭৭৬) চিলাহাটি এক্সপ্রেস আন্তঃনগর।
- (৭৫৮) পঞ্চগড় এক্সপ্রেস আন্তঃনগর।
- (৭৯৪) কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস আন্তঃনগর।
- (৭৯৮) নীলসাগর এক্সপ্রেস আন্তঃনগর।
উপরোক্ত লিখিত ট্রেনগুলি জয়পুরহাট স্টেশন থেকে ঢাকা স্টেশনে চলাচল করে।
জয়পুরহাট থেকে ঢাকা যাওয়ার ছয়টি ট্রেনের সময়সূচি
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া।যারা ট্রেনে যাতায়াত করেন তাদের
কাছে ট্রেনের অগমনের এবং ট্রেন ধরার প্রতিটা সময় খুব গুরুত্বপূর্ণ।এক মিনিট
সময়ও ট্রেনে যাতায়াত কারি যাত্রীদের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ।কারন তারা
ভালোভাবে জানেন যে ট্রেন আসার সময় এক দুই মিনিট তাড়াতাড়ি বা দেরি হতে
পারে।তবে ট্রেন ছাড়তে এক মিনিট ও দেরি হয় না।তাই ট্রেনে যাতায়াত করতে চাইলে
সেখানে যাওয়ার জন্য আগমন করা ট্রেনের সময়সূচি অনুযায়ী আসার সময়ের ৩০ মিনিট
আগে স্টেশনে উপস্থিত থাকা উচিত।তবে আপনারা যারা জানতেন না জয়পুরহাট স্টেশন
থেকে ঢাকা যাওয়ার ট্রেনের সময়সূচি তাদের জন্য আজকের এই আর্টিকেলের নিচে লিখে
দেওয়া হলো সময়সূচিগুলি।
- (৭০৬) একতা এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ছাড়ে রাত ১টা ৩০ মিনিটে এবং পৌঁছায় সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে।
- (৮০৬)দ্রুতযান এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ছাড়ে বেলা ১১ টা ৫৫ মিনিটে এবং পৌঁছায় সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে।
- (৭৭৬) চিলাহাটি এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ছাড়ে সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে এবং পৌঁছায় ২টা ৫০ মিনিটে।
- (৭৫৮) পঞ্চগড় এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ছাড়ে বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে এবং পৌঁছায় রাত ৯টা ৫৫ মিনিটে।
- (৭৯৪) কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ছাড়ে সকাল ১০টা ৪৬ মিনিটে এবং পৌঁছায় বিকাল ৫টা ১৫ মিনিটে।
- (৭৯৮) নীলসাগর এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ছাড়ে রাত ১০ টা ৪৫ মিনিটে এবং পৌঁছায় ভোর ৫টা ৩০ মিনিটে।
উক্ত উল্লিখিত সময়ে জয়পুরহাট থেকে ঢাকা যাওয়ার ট্রেনগুলোর সময়।
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের ভাড়া
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া।আপনারা উপরের লেখাগুলি যে জেনে
গেছেন কোন কোন ট্রেনগুলি সরাসরি ঢাকাতে যায়।এখন আপনাদের জানাবো জয়পুরহাট থেকে
ঢাকা যে যাওয়ার জন্য ট্রেনের ভাড়া গুলো।জয়পুরহাট থেকে ঢাকা যে যাওয়ার
ট্রেনের ভাড়াগুলো আপনাদের সুবিধার জন্য নিচের ছবিতে বিস্তারিত ভাবে বর্ননা করা
হলো:
| ক্রঃ নং | আসনের নাম | টিকিটের মূল্য |
|---|---|---|
| ১ | শোভন চেয়ার | ৪৬৫ টাকা |
| ২ | প্রথম বার্থ | ৭৭৫ টাকা |
| ৩ | স্নিগ্ধা | ৮৯২ টাকা |
| ৪ | এসি সিট | ১০৭০ টাকা |
| ৫ | ৫ এসি বার্থ | ১৫৯৯ টাকা |
উক্ত ছবিতে বর্নিত হিসাবগুলো ই হলো জয়পুরহাট থেকে সরাসরি ঢাকা যাওয়ার
ট্রেনের ভাড়া।
একতা এক্সপ্রেস ট্রেনের মাধ্যমে জয়পুরহাট টু ঢাকা যাওয়ার সময়সূচী
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া।একতা এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেনটি
সাপ্তাহিক কোনো ছুটি ছাড়া ই জয়পুরহাট থেকে সরাসরি ঢাকার উদ্দেশ্যে ছাড়ে রাত
১টা ৩০ মিনিটে এবং পৌঁছায় সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে। প্রায় ৬ ঘন্টা ২৩ মিনিট পর এটা
ঢাকাতে পোঁছে যায়।তবে যাওয়ার পথে এটা কিছু কিছু স্টেশনে বিরতি নেয়।তবে এই
ট্রেন বেশিক্ষণের জন্য বিরতি নেয় না।৩ থেকে ৫ মিনিটের বিরতি নেয়। তারপর আবার
যাত্রা শুরু করে।যে যে স্টেশনে একতা এক্সপ্রেস ট্রেন বিরতি নেয় সেই সেই
স্টেশনের নামগুলি হলো:
- আক্কেলপুর
- সান্তাহার
- নাটোর
- ঈশ্বরদী বাইপাস
- উল্লাপাড়া
- বঙ্গবন্ধু সেতু
- টাঙ্গাইল
- জয়দেবপুর
- বিমানবন্দর
উক্ত স্টেশনগুলোতে এই ট্রেন টা বিরতি নেয়।তারপর আবারো যাত্রা শুরু করে।
দ্রুতযান এক্সপ্রেস ট্রেনের মাধ্যমে জয়পুরহাট টু ঢাকা যাওয়ার সময়সূচী
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া। দ্রুতযান এক্সপ্রেস আন্তঃনগর
ট্রেনটি সাপ্তাহিক কোনো ছুটি ছাড়া ই জয়পুরহাট থেকে সরাসরি ঢাকার উদ্দেশ্যে
ছাড়ে বেলা ১১ টা ৫৫ মিনিটে এবং পৌঁছায় সন্ধ্যা ৬টা ৫৫ মিনিটে। প্রায় ৭ ঘন্টা
০৭ মিনিট পর এটা ঢাকাতে পোঁছে যায়।তবে যাওয়ার পথে এটা কিছু কিছু স্টেশনে
বিরতি নেয়।তবে এই ট্রেন বেশিক্ষণের জন্য বিরতি নেয় না।৩ থেকে ৫ মিনিটের বিরতি
নেয়। তারপর আবার যাত্রা শুরু করে।যে যে স্টেশনে দ্রুতযান এক্সপ্রেস ট্রেন
বিরতি নেয় সেই সেই স্টেশনের নামগুলি হলো:
- আক্কেলপুর
- সান্তাহার
- আহসানগন্জ
- নাটোর ঈশ্বরদী বাইপাস
- চাটমোহর
- জামতইল
- বঙ্গবন্ধু সেতু
- টাঙ্গাইল
- জয়দেবপুর
- বিমানবন্দর
উক্ত স্টেশনগুলোতে এই ট্রেন টা বিরতি নেয়।তারপর আবারো যাত্রা শুরু করে।
চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনের মাধ্যমে জয়পুরহাট টু ঢাকা যাওয়ার সময়সূচী
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া। চিলাহাটি এক্সপ্রেস আন্তঃনগর
ট্রেনটি শনিবার সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়া বাকি ছয় দিন ই জয়পুরহাট থেকে সরাসরি
ঢাকার উদ্দেশ্যে ছাড়ে সকাল ৮টা ৩৫ মিনিটে এবং পৌঁছায় ২টা ৫০ মিনিটে।
প্রায় ৬ ঘন্টা ১৭ মিনিট পর এটা ঢাকাতে পোঁছে যায়।তবে যাওয়ার পথে এটা কিছু
কিছু স্টেশনে বিরতি নেয়।তবে এই ট্রেন বেশিক্ষণের জন্য বিরতি নেয় না।৩ থেকে ৫
মিনিটের বিরতি নেয়। তারপর আবার যাত্রা শুরু করে।যে যে স্টেশনে চিলাহাটি
এক্সপ্রেস ট্রেন বিরতি নেয় সেই সেই স্টেশনের নামগুলি হলো:
- সান্তাহার
- নাটোর
- ঈশ্বরদী
- জয়দেবপুর
- বিমানবন্দর
উক্ত স্টেশনগুলোতে এই ট্রেন টা বিরতি নেয়।তারপর আবারো যাত্রা শুরু করে।
পঞ্চগড় এক্সপ্রেসট্রেনের মাধ্যমে জয়পুরহাট টু ঢাকা যাওয়ার সময়সূচী
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া। পঞ্চগড় এক্সপ্রেস আন্তঃনগর এই
ট্রেনটি কোনো রকম সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়া বাকি সাত দিন ই জয়পুরহাট থেকে সরাসরি
ঢাকার উদ্দেশ্যে ছাড়ে বিকাল ৪টা ১৫ মিনিটে এবং পৌঁছায় রাত ৯টা ৫৫
মিনিটে। প্রায় ৫ ঘন্টা ৪০ মিনিট পর এটা ঢাকাতে পোঁছে যায়।তবে যাওয়ার পথে এটা
কিছু কিছু স্টেশনে বিরতি নেয়।তবে এই ট্রেন বেশিক্ষণের জন্য বিরতি নেয় না।৩
থেকে ৫ মিনিটের বিরতি নেয়। তারপর আবার যাত্রা শুরু করে।যে যে স্টেশনে পঞ্চগড়
এক্সপ্রেস ট্রেন বিরতি নেয় সেই সেই স্টেশনের নামগুলি হলো:
- সান্তাহার
- নাটোর
- বিমানবন্দর
উক্ত স্টেশনগুলোতে এই ট্রেন টা বিরতি নেয়।তারপর আবারো যাত্রা শুরু করে।
কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেসট্রেনের মাধ্যমে জয়পুরহাট টু ঢাকা যাওয়ার সময়সূচী
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া। কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস আন্তঃনগর এই
ট্রেনটি কোনো রকম সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়া বাকি সাত দিন ই জয়পুরহাট থেকে সরাসরি
ঢাকার উদ্দেশ্যে ছাড়ে সকাল ১০টা ৪৬ মিনিটে এবং পৌঁছায় বিকাল ৫টা ১৫
মিনিটে।প্রায় ৬ ঘন্টা ৩০ মিনিট পর এটা ঢাকাতে পোঁছে যায়।তবে যাওয়ার পথে এটা
কিছু কিছু স্টেশনে বিরতি নেয়।তবে এই ট্রেন বেশিক্ষণের জন্য বিরতি নেয় না।৩
থেকে ৫ মিনিটের বিরতি নেয়। তারপর আবার যাত্রা শুরু করে।যে যে স্টেশনে
কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ট্রেন বিরতি নেয় সেই সেই স্টেশনের নামগুলি
হলো:
- সান্তাহার
- মাধনগড়
- নাটোর
- বিমানবন্দর
উক্ত স্টেশনগুলোতে এই ট্রেন টা বিরতি নেয়।তারপর আবারো যাত্রা শুরু করে।
নীলসাগর এক্সপ্রেসট্রেনের মাধ্যমে জয়পুরহাট টু ঢাকা যাওয়ার সময়সূচী
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া। নীলসাগর এক্সপ্রেস আন্তঃনগর এই
ট্রেনটি কোনো রকম সাপ্তাহিক ছুটি ছাড়া বাকি সাত দিন ই জয়পুরহাট থেকে সরাসরি
ঢাকার উদ্দেশ্যে ছাড়ে রাত ১০ টা ৪৫ মিনিটে এবং পৌঁছায় ভোর ৫টা ৩০
মিনিটে।প্রায় ৬ ঘন্টা ৪৫ মিনিট পর এটা ঢাকাতে পোঁছে যায়।তবে যাওয়ার পথে এটা
কিছু কিছু স্টেশনে বিরতি নেয়।তবে এই ট্রেন বেশিক্ষণের জন্য বিরতি নেয় না।৩
থেকে ৫ মিনিটের বিরতি নেয়। তারপর আবার যাত্রা শুরু করে।যে যে স্টেশনে নীলসাগর
এক্সপ্রেস ট্রেন বিরতি নেয় সেই সেই স্টেশনের নামগুলি হলো:
- আক্কেলপুর
- সান্তাহার
- আহসানগন্জ
- নাটোর
- মুলাডুলি
- ইব্রাহীমাবাদ
- জয়দেবপুর
- বিমানবন্দর
উক্ত স্টেশনগুলোতে এই ট্রেন টা বিরতি নেয়।তারপর আবারো যাত্রা শুরু করে।
ট্রেনে যাতায়াত একটি নির্ভরযোগ্য মাধ্যম
ট্রেন একটি অন্যতম বন্ধুত্বপূর্ণ একটা যানবাহন। বাংলাদেশ ছাড়াও বন্ধু দেশ
ভারতে ট্রেনের ব্যবস্থা আছে এবং অন্যান্য দেশেও এই ট্রেনের ব্যবস্থা আছে।যেসব
দেশে নাই সেগুলো তে শুরু হচ্ছে।তবে এই ট্রেনে ষ যাতায়াত করার জন্য সঠিক সময়ে
উপস্থিত থাকা জরুরি। ট্রেনে যাতায়াত করার জন্য এক মিনিট ও খুব জরুরী।সকলের
উচিত ট্রেনে নিজ দায়িত্বে নিজের জিনিসগুলির দিকে সাবধানতা অবলম্বন করা।তবে এই
ট্রেন আমাদের সেই ব্রিটিশ আমল থেকে যোগাযোগের এক অন্যরকম দৃষ্টান্ত স্থাপন করে
আসছে। ট্রেনে যাতায়াত করা আমাদের সকলের জন্য সাশ্রয়ী বটে।আমাদের অর্থনীতি কেও
সমৃদ্ধ করে তুলছে দিন দিন এই রেল ব্যবস্থাপনা। নিত্যদিনের যাতায়াতের এক নিরাপদ
ও সাশ্রয়ী যানবাহন হলো এই ট্রেন। ট্রেন যা আমাদের সাথে জড়িত আছে।
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া শেষ / কথা
ট্রেনে যাতায়াত করা একটি নিরাপদ ও ঝামেলাহীন পদ্ধতি।জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের
সময়সূচী ও ভাড়া।যারা ট্রেনে যাতায়াত করেন তাদের কাছে ট্রেন খুবই গুরুত্বপূর্ণ
একটা যানবাহন।এই ট্রেন দূর দূরান্ত থেকে আমাদের নিরাপদ ভাবে সঠিক গন্তব্যে
পৌঁছে দেয়।ট্রেনের যাতায়াত আমাদের সবার জন্য সাশ্রয়ী।তবে এই ট্রেনে যাতায়াত
করার সময় অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন করা সবার জন্য জরুরি।কারণ অনেক সময় অনেক
দুর্ঘটনা বা অনেক কিছু ছিনতাই হওয়ার ঘটনা ট্রেন থেকেই ঘটে থাকে আর এটাই আমরা
সবাই শুনে থাকি।তাই ট্রেনে যাতায়াতের সময় অবশ্যই নিজদের সাবধান থাকা
জরুরি।
আমাদের আজকের আর্টিকেল টা ছিল জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়া।এই
সম্পর্কে।আশা করি আপনাদের অনেক ভালো লেগেছে।এতক্ষণ ধরে আমাদের পাশে থাকার জন্য
আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।আশা রাখছি আমাদের আজকের এই আর্টিকেল টা আপনাদের বেশ
উপকারে আসবে।আজকের জন্য এই পর্যন্তই।দেখা হবে অন্য কোনো আর্টিকেল
নিয়ে।বিদায়।

আপনি নিবোর্ন সাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url