এসএসসি ব্যাচ ২০২৬ দের জন্য পরিক্ষার প্রস্তুতি টিপস
এসএসসি ব্যাচ ২০২৬ দের জন্য পরিক্ষার প্রস্তুতি টিপস।এসএসসি ব্যাচ ২০২৬।কখনো
মনে হয় অনেক সহজ ব্যাপার আবার কখনো বেশি আতঙ্ক। পূর্ববর্তী পরিক্ষার্থী
এসএসসি ব্যাচ ২০২৫ দের দেখে বোঝা গেছে এবারের মানে ২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা
সহজ হতে যাচ্ছে না। শর্ট সিলেবাসে পরিক্ষা হবে এটা ভেবে আবার অনেকেই ধার
ধারছে না।ভাবতেছে এ আর এমন কি সহজ ই তো।আসলে এটা ভুল।তাই বলে একেবারে ভুল তাও
কিন্তু নয়। প্রস্তুতি ভালো হলে যেকোনো পরিক্ষাই পানির মতো সহজ। পরিক্ষায়
ভালো করার জন্যে ও দরকার ভালো প্রস্তুতি।একগাদা বই পড়লেই কিন্তু সেই
প্রস্তুতি হয়ে যায় না।
আমাদের আজকের আর্টিকেলটি তে আজকে লিখবো এসএসসি ২০২৬ এর জন্য সহজভাবে
পরিক্ষার প্রস্তুতি।তোমরা যারা পরিক্ষা নিয়ে চিন্তা করছো তারা আর চিন্তা করো
না। তোমাদের সুবিধার জন্যে ই আজকের এই আর্টিকেলটি লিখেছি। আশা রাখছি তোমরা
মনোযোগ সহকারে আমার এই আর্টিকেলটা পড়লে সবকিছু বুঝতে পারবা আর সবকিছু সহজ
লাগতে শুরু করবে। শুরু করিএসএসসি ব্যাচ ২০২৬ দের জন্য পরিক্ষার
প্রস্তুতি টিপস।ছোট্ট ভাইবোনেরাতাহলে চলো শুরু করি যাক।
পেজ সূচিপত্রঃএসএসসি ব্যাচ ২০২৬ দের জন্য পরিক্ষার প্রস্তুতি টিপস
- এসএসসি ব্যাচ ২০২৬ দের জন্য পরিক্ষার প্রস্তুতি টিপস
- পাঠ্যবইয়ে গভীর মনোযোগ শক্ত ভিত্তি তৈরির প্রথম ধাপ
- আর লেখার সমন্বয় শেখাকে স্থায়ী করার সেরা কৌশল
- নিজস্ব নোট তৈরি ও নিয়মিত অনুশীলন স্মার্ট প্রস্তুতির নির্ভরযোগ্য হাতিয়ার
- গাইডের খুঁটিনাটি অধ্যয়ন গভীর বোঝাপড়া তৈরির স্মার্ট সহায়ক
- পাঠ্যপুস্তকের মূল বিষয় আন্ডারলাইন হলো চোখে রাখার সহজ কৌশল
- পাঠ্যপুস্তকের সুত্র আয়ত্ত চর্চার মাধ্যমে শক্ত ভিত্তি গঠন
- বেসিক বিষয়গুলো আয়ত্ত করা পরীক্ষায় আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর মূল চাবিকাঠি
- আগের বছরের পরিক্ষার প্রশ্নপত্র সমাধান বোর্ডপরিক্ষার প্রস্তুতির প্রমাণিত কৌশল
- মোবাইলের ব্যাঘাত ছাড়াই পড়াশোনা বেশি শেখার স্মার্ট পদ্ধতি
- শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা পরীক্ষার প্রস্তুতির অপরিহার্য কৌশল
- এসএসসি ব্যাচ ২০২৬ দের জন্য পরিক্ষার প্রস্তুতি টিপস শেষ / কথা
এসএসসি ব্যাচ ২০২৬ দের জন্য পরিক্ষার প্রস্তুতি টিপস
আমরা অনেকেই আছি যারা ২০২৬ সালে এসএসসি পরীক্ষা দিতে যাচ্ছি। আমাদের মনে এটা
নিয়ে বেশ ভয় কাজ করতেছে যে আমি কিভাবে সব পড়বো কিভাবে সব শেষ করবো কত্ত
পড়া বাকি কি যে করি আমিতো পরিক্ষায় খারাপ করবোই।এমন চিন্তা আমরা অনেকেই
করি।বলো আমরা করি না? তুমিও বুঝি এমনই চিন্তা করছো?এই পরিক্ষার চিন্তায়
নিজের অবস্থা খারাপ করে ফেলেছো?বই দেখলেই কতগুলো পড়া বাকি এগুলি মনে করে ভয়
পেয়ে কান্না করতেছো? হাল ছেড়ে দিচ্ছ?দিও না।তুমি পারবে।এটা মনে রাখো। আমার
ছোট ভাই বোনেরা তোমরা কি শোনো নি ঐ কথা “একবার না পারিলে দেখো শতবার”?
তোমাদের শতবার দেখতে হবে না। তুমি শুধু ৩ থেকে ৫ বার দেখবা। আমার ওপর বিশ্বাস
রাখো তুমিও পারবা।তোমাকে পারতেই হবে।
তুমি চিন্তা করো না।তোমার এই পরিক্ষা নিয়ে চিন্তার বিষয় নিয়ে আজকের
আর্টিকেলটি লিখেছি। আজকের টপিক এসএসসি ব্যাচ ২০২৬ দের জন্য পরিক্ষার
প্রস্তুতি টিপস।তুমি এটা যদি মন দিয়ে পড়ো তাহলে সবকিছু তোমার আয়ত্তে চলে
আসতে বাধ্য হবে। আমি এই আর্টিকেলে এমন কিছু টিপস লিখছি তোমাদের জন্য যেটা
মেনে পড়লে তোমার কাছে সবকিছু সহজ লাগতে শুরু করবে।আমার ওপর শুধু বিশ্বাস
রাখো ছোট ভাই বোনেরা।শোনো ভাইবোনেরা অবশ্যই আমার এই আর্টিকেলটা মন দিয়ে
পড়ো।তাহলেই তোমরা উপকৃত হতে পারবা। বুঝছো?তাহলে চলো আর দেরি না করে জেনে নিই
তোমরা কিভাবে প্রস্তুতি নিবে।
পাঠ্যবইয়ে গভীর মনোযোগ শক্ত ভিত্তি তৈরির প্রথম ধাপ
আমাদের সবার কাছে ৯ম শ্রেণিতে পাঠ্যবই দেওয়া হইছে।আমাদের কাছে এই
পাঠ্যবইগুলি আছে তাইনা?এই পাঠ্যবই তোমাকে আগে ভালোভাবে রিডিং পড়তে
হবে।অন্য কিছু ভাবিও না। শুধু পাঠ্যবই পড়ো।গাইডের দিকে তাকিও না।
প্রত্যেকটা পরিক্ষাতেই বই থেকেই সব প্রশ্ন আসে।গাইড শুধু দিছে বইয়ের
পড়াগুলিকে বিস্তারিত ভাবে বোঝার জন্য। তুমি আগে পাঠ্যবই ভালো করে
পড়ো।প্রতিটা পেইজ ভালো করে পড়ো।মন দিয়ে বোঝার চেষ্টা করো।তাহলেই
হবে।বইয়ের সৃজনশীল প্রশ্ন গুলোকেও নিজের মতো করে করার চেষ্টা করো।কোনো
কিছু বুঝতে সমস্যা হলে দাগ দিয়ে রাখো।পরে গাইড বা স্যারের হেল্প
নিবা।পাঠ্যবই ভালোভাবে পড়ো।কারন পাঠ্যবই তোমার সবকিছু কমন করে দিবে।
পাঠ্যপুস্তকেই যাবতীয় তথ্য গুলো দেওয়া আছে।
পড়ো আর সেগুলি মন দিয়ে বোঝার চেষ্টা করো।পড়ো আর বোঝো।বোঝো আর সেগুলি মনে
রাখো।সাথে মাথার মধ্যে সেইভ করো।আবার এটা বলো না যে কিছুই মনে থাকে না কিছুই
পারিনা।এটা শুধু মাত্র বাহানা ছাড়া আর কিছুই না।মনে কেন থাকবে না?যার নিজের
নাম মনে থাকে তার পড়াও মনে থাকবে।বাহানা বাদ নিয়ে পাঠ্যবই মন দিয়ে পড়বা।
বইয়েই সবকিছু আছে আর আবারো বলতেছি বই থেকেই সব প্রশ্ন করে পরিক্ষায়। এসএসসি
তেও তাই ই করবে। এখন বই যদি ঠিকভাবে না পড়ো পরিক্ষায় গিয়ে দেখবে যা যা
আসছে সব বইয়েই ছিল। কিন্তু তুমি মন দিয়ে পড়োনি তাই পারলা না।তখন আর কোনো
ফায়দা হবে না।তাই পড়ো না।ভালোভাবে বই রিডিং পড়ো।এসএসসি ব্যাচ ২০২৬ দের
জন্য পরিক্ষার প্রস্তুতি টিপসের মধ্যে এটি প্রথম টিপস।
আর লেখার সমন্বয় শেখাকে স্থায়ী করার সেরা কৌশল
তুমি যা যা পড়ো বা পড়লা সেগুলি লেখো।খাতা নিয়ে বসো।পড়া শেষ করে সেগুলো
লেখবা।আশা করি এটা বলে দিতে হবে না যে কি কি লেখবা আর কি কি চর্চা করবা।এটুকু
তো জানো ই তাইনা?শোনো!বই পড়ার অভ্যাস তো করবাই এর সাথে সাথে আরো একটা অভ্যাস
খুব ভালো করে করবা ওটা হলো বেশি বেশি লেখালেখি করার অভ্যাস। তুমি যা পড়বা
ওটা লিখবা।আবার যেটা লিখবা সেটা পড়বা।তাহলে দেখবা যে পড়া ভালো করে মনে
থাকতেছে আর পড়া ভালোভাবে বুঝতেছো।এটা পড়া মনে রাখার আর পড়া বোঝার একটা সহজ
ট্রিকস।আমার কথা বুঝতে পারতেছো তো?যদি ২ লাইন পড়ো ঐ ২ লাইন ই লিখবা।এতে করে
তোমার জন্যে ই সুবিধা।তোমার চর্চা হয়ে থাকবে।
আরেকটা কথা জানো তো? তুমি যেটা পড়তেছো ওটা যদি শুধু পড়ো ই আর যদি না লেখো
তাহলে পড়াটা যতই সহজ হোক না কেন লেখার অভ্যাস না করলে আর ঐ পড়াটা না লিখলে
তুমি পরিক্ষায় ওটা ভালো করে লিখতে পারবা না।লেখতে গেলে কোনো কিছুতে আটকে
যাবা ই আর কনফিউজড হবা।এই বিব্রতকর পরিস্থিতিতে যদি পড়তে না চাও তাহলে পড়ার
পাশাপাশি লেখো। এতে লেখাও সুন্দর হবে।পড়াও মনে থাকবে।পড়া বুঝতেও সুবিধা
হবে।লেখার জন্য চর্চা হয়ে থাকবে।তখন পরীক্ষাতে আর আটকে যাবা না। এজন্য
পড়ো।আর পড়ার পাশাপাশি লেখো। বেশি বেশি লেখার চর্চা করো।লেখা ভালো। অনেক
উপকার হয়। দেখিও। এসএসসি ব্যাচ ২০২৬ দের জন্য পরিক্ষার প্রস্তুতি টিপসের
মধ্যে এটি দ্বিতীয় টিপস।
নিজস্ব নোট তৈরি ও নিয়মিত অনুশীলন স্মার্ট প্রস্তুতির নির্ভরযোগ্য হাতিয়ার
তুমি পাঠ্যবই পড়ে যা যা জানলা আর শিখলা সেগুলো নোট করো। গুরুত্বপূর্ণ
লেখাগুলো নোট করো। গনিত, পদার্থবিজ্ঞান, ইংরেজি,রসায়ন, জীববিজ্ঞান এগুলোর
গুরুত্বপূর্ণ সুত্র আর পড়াগুলো সব নোট করো।তোমার যেটা যেটা মনে হয় এগুলি
পড়ে যে এটা আসতে পারে বা এটা ইম্পর্ট্যান্ট সেগুলি নোটে লিখো।নোট করার জন্য
যে খাতাটা নিবা ঐ খাতাটা যেন মোটা আর বেশি পৃষ্ঠার হয়।প্রতিটা বিষয়ের জন্য
আলাদা আলাদা নোটখাতা বানাবা আর সেগুলোতে গুরুত্বপূর্ণ সব কিছু নোট করবা।
জরুরী সবকিছুই গুছিয়ে লিখবা যেন সেই লেখাগুলি পরের বার পড়ার পর বুঝতে তোমার
সমস্যা না হয়।একের পর এক সাজায়ে লেখবা।
আরো শোনো শুধু যে সবকিছু নোট করলেই হয়ে গেল সেটা কিন্তু না।এখানেই সব শেষ
হবে না। ঐ নোটগুলো তোমাকে পড়তে হবে। ভালোভাবে পড়তে হবে। প্রতিদিন পড়া শেষ
করে ঐ নোটগুলো নিয়ে বসবা। অল্প অল্প করে রোজ পড়বা।আর এই নোটগুলো যত্ন করে
রেখে দিবা। পরিক্ষার আগের দিন বা রাতে এই নোটগুলো তে চোখ বুলাবা।এই নোটগুলো
কিন্তু তোমার অনেক কাজে আসবে।এটা মনে রাখো।এই নোটগুলো তে সবকিছু যা যা
গুরুত্বপূর্ণ সব রেখে দিবা। সেগুলো সময়মতো চর্চা করতে ভুলবা না। নিয়মগুলো
চর্চা করবা। বিজ্ঞান শাখার পড়াগুলো তে কিন্তু অনেক নিয়ম আছে।একটুও ভুল করা
যাবে সেগুলিতে।তাই সেগুলি মন দিয়ে পড়বা। কি?মনে থাকবে তো?এসএসসি ব্যাচ ২০২৬
দের জন্য পরিক্ষার প্রস্তুতি টিপসের মধ্যে এটি তৃতীয় টিপস।
গাইডের খুঁটিনাটি অধ্যয়ন গভীর বোঝাপড়া তৈরির স্মার্ট সহায়ক
গাইড কে একদম অবহেলা করো না।গাইড কিন্তু সবকিছু বোঝানোর সহায়ক। গাইড থেকে
প্রশ্ন অতো আসেনা কিন্তু প্রশ্ন লেখার জন্য গাইডের সাহায্য অবশ্যই
প্রয়োজন।গাইডে সবকিছু সহজ আকারে বর্ননা করা থাকে।বই পড়ার পর তুমি কোনো একটা
কিছু না বুঝলে গাইড থেকে সাহায্য নিয়ে সেগুলোর সমাধান করতে পারবা।গাইড
তোমাকে প্রস্তুতি নিতে ভালোভাবে সাহায্য করবে।তাই বলো বোকার মতো পুরো গাইড
পড়িও না।তাহলে শুধু সময় অপচয় হবে।যা যা বুঝতেছো না বা যা যা লাগবে তাই তাই
গাইড থেকে পড়বা। বেশি গাইড পড়লে কিন্তু বই থেকে আর কিছু করতে পারবা না। মনে
রাখো তোমাকে গাইডের থেকে বেশি বই পড়তে হবে।বই তোমাকে সবচেয়ে বেশি সাহায্য
করবে পরিক্ষায়।
এরপর আরেকটা কথা বলি তা হলো শুধু মাত্র গাইড নিয়েই বসে থেকো না।গাইড তোমাকে
পুরোটা সাহায্য করতে পারবে না।তোমার পুরো মনোযোগ থাকতে হবে বইয়ের দিকে।বইয়ে
ফোকাস করো আর গাইড থেকে টুকিটাকি সাহায্য নাও। বেশি সমস্যা হলে স্যারের সাথে
সাহায্য নাও।তবে গাইডকেও নিজের পড়ার পাশাপাশি রাখিও। কিন্তু কম।তোমার
পরিক্ষার প্রস্তুতি হিসেবে প্রথমেই বইকে রাখো।বইয়ে যাবতীয় সব প্রয়োজনীয়
তথ্য পাবে তুমি।গাইডে নয়।গাইড শুধুমাত্র সাইড ক্যারেক্টার।তোমার জন্য মূল
বিষয় গাইড নয় বই। বই তোমার জন্য অধিক গুরুত্বপূর্ণ।আবারো বলতেছি গাইডকে মূল
অ্যাটেনশন বানাইও না।এতে করে পরিক্ষায় খুব সমস্যায় পড়তে পারো।বইকে আগে
রাখো। বেশি বেশি বই পড়ো। গাইড শুধুমাত্র সহায়ক। মূল বিষয় নয়।এসএসসি ব্যাচ
২০২৬ দের জন্য পরিক্ষার প্রস্তুতি টিপসের মধ্যে এটি চতুর্থ টিপস।
পাঠ্যপুস্তকের মূল বিষয় আন্ডারলাইন হলো চোখে রাখার সহজ কৌশল
মূলবই বা পাঠ্যবই তুমি শুধু পড়বা।বুঝবা।মনে রাখবা। প্রথম পৃষ্ঠা থেকে শুরু
করে বইয়ের শেষ পৃষ্ঠা পর্যন্ত পড়বা।সব শিখলা।মনে রাখলা কিন্তু পরে পরিক্ষার
সময় কি করবা? পরিক্ষার সময় তো পুরো বই রিভিশন করার সুযোগ পাবা না।তখন কি
হবে? এজন্য ই তোমার পাঠ্যবই রিডিং পড়ার পর ইম্পর্ট্যান্ট বিষয় গুলো
আন্ডারলাইন করে রাখবা যেন পরিক্ষার সময় পুরো বই আর রিভিশন করতে না হয়।
আন্ডার লাইনের জন্য লাল,নীল, হলুদ,সবুজ,গোলাপী রঙের লাইনিং মার্কার ব্যবহার
করতে পারো। এগুলো আকাইলে তোমার জন্য সুবিধা হবে। পরীক্ষার সময় কষ্ট করে পুরো
বই রিভিশন করতে হবে না। এজন্য ই আন্ডারলাইন করো।সব আকিও না। যেগুলো
গুরুত্বপূর্ণ সেগুলি শুধু আঁকো।
আন্ডারলাইন করলে তোমার পরিক্ষার সময় আর কষ্ট হবে না।এছাড়া সাধারণত এমনিতে
পড়তে বসলেও তোমার আর কষ্ট করে পুরো বই রিভিশন করার দরকার পড়বে না। যার ফলে
তুমি অল্প সময়েই অনেক বেশি পড়া নিমেষেই শেষ করে ফেলতে পারবা।নিজের এই
সুবিধার জন্য তুমি অবশ্যই যখন বই রিডিং পড়বা তখন তখন সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
আন্ডারলাইন করবা। আন্ডার লাইন যখন করবা তখন এমন কালি দিয়ে করবা যেন দেখতে
আলাদা লাগে বিষয়গুলি আর পরে পড়ার সময় যেন বুঝতে সুবিধা হয় তোমার।মনে রাখো
আন্ডারলাইন করলে পড়া কমপ্লিট করতে তোমার সুবিধা হবে এবং তোমার পরিক্ষার সময়
পড়ার জন্য সময় কভার হয়ে যাবে।এসএসসি ব্যাচ ২০২৬ দের জন্য পরিক্ষার
প্রস্তুতি টিপসের মধ্যে এটি পঞ্চম টিপস।
পাঠ্যপুস্তকের সুত্র আয়ত্ত চর্চার মাধ্যমে শক্ত ভিত্তি গঠন
তোমার পাঠ্যপুস্তকের অনেক গুলো বই আছে যেগুলোর বিভিন্ন সুত্র আছে যা তোমার
রিভিশন করা উচিত। পদার্থ বিজ্ঞান,রসায়ন,জীব বিজ্ঞান,গনিত এসবের অনেক সুত্র
আছে।এগুলি তোমার নিয়মিত চর্চা করতে হবে। তুমি চাইলে এগুলো কোনো কাগজে লিখে
দেয়ালের এমন জায়গায় টানাতে পারো যেখানে তোমার এই সুত্র গুলো ভালোভাবে বোঝা
যাবে এবং তোমার চোখে পড়বে। তুমি সেগুলো যখন খুশি তখন কিন্তু প্রতিদিন চর্চা
করবে যেন ভুলে না যাও।আর এই সুত্র গুলো চাইলে রোজ পড়া শেষ করে পড়ে ফেলতে
পারো।তবে অবশ্যই এগুলো রোজ পড়া।
প্রয়োজনীয় এই সুত্র গুলো তোমার সবসময়ের কাজে আসবে।আজীবন এগুলি কাজে আসবে
এসএসসির পাশাপাশি।তাই এগুলো কে যত্ন সহকারে নিজের কাছে রাখবে। শুধুমাত্র
রাখলেই হবে না এগুলো চর্চা ও করতে হবে।রোজ পড়বা যেন কোনো রকমের সমস্যায় না
পড়তে হয়। পরিক্ষায় যেন অনায়াসেই অংক দেখলে সুত্র মনে পড়ে যায়।তোমরা
অনেকেই এই সমস্যা ফেইস করো যে অংক দেখে বুঝতে পারছো কিভাবে করতে হবে কিন্তু
সুত্র টা আর মনে পড়ছে না।এমন অনেক এর ই হয়।এ সমস্যা এড়াতে রোজ সুত্র গুলো
চর্চা করবা।যেন পরিক্ষার সময় আর কোনো বিভ্রান্তি যে না পড়তে হয়।অংক দেখলেই
যেন সুত্র মনে পড়ে যায়।এসএসসি ব্যাচ ২০২৬ দের জন্য পরিক্ষার প্রস্তুতি
টিপসের মধ্যে এটি ষষ্ঠ টিপস।
বেসিক বিষয়গুলো আয়ত্ত করা পরীক্ষায় আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর মূল চাবিকাঠি
বেসিক বিষয় মানে হলো কোনো বিষয়ের মুল তত্ত্বগুলি। তোমার পাঠ্যপুস্তকের
প্রতিটি বিষয়ের মুল তত্ত্বগুলিতে বিশেষ মনোযোগ দাও।এই বেসিক তোমার আয়ত্তে
আসলে তোমার আর কোনো সমস্যা নাই।যেকোনো পরিক্ষাই তোমার জন্য সহজ হয়ে যাবে।
কিন্তু বেসিক আয়ত্ত করা কিন্তু সহজ না। তবে যদি একবার বেসিক আয়ত্ত করতে
পারো তাহলে আর কোনো সমস্যা তোমার থাকবে না।এই বেসিক ক্লিয়ার করতে হলে তোমাকে
অনেক পরিশ্রম করতে হবে।নিয়মিত পড়তে হবে।তাও মনোযোগ দিয়ে।পড়ার পাশাপাশি
লিখতে হবে। আরো জানতে হবে।পড়াকে বেশি সময় দিতে হবে।
বেসিক সহজ করার জন্য তোমাকে অনেক পরিশ্রম করতে হবে।তবে একবার আয়ত্ত করলে সব
সহজ।বেসিক বলতে দেখা যায় কোনো প্রশ্নের কি কেন কিভাবে এমন বিষয়গুলির কথা।এই
বিষয়গুলো একবার ক্লিয়ার করতে পারলে কোনো প্রশ্নেই তুমি আর আটকে যাবা না।তাই
বেসিক আয়ত্ত করো। বেশি করে পড়ো।বইকে বন্ধু বানাও।বইকে সময় দাও।বইয়ের
পিছে লেগে থাকো। বইয়ে যা যা আছে সব জানার চেষ্টা করো।নতুন কিছু জানতে
থাকো।মাথা স্থির করে পড়ো। চালিয়ে যাও।বেসিক কে ক্লিয়ার করো।এসএসসি ব্যাচ
২০২৬ দের জন্য পরিক্ষার প্রস্তুতি টিপসের মধ্যে এটি সপ্তম টিপস।
আগের বছরের পরিক্ষার প্রশ্নপত্র সমাধান বোর্ডপরিক্ষার প্রস্তুতির প্রমাণিত কৌশল
আগের বছরের প্রশ্নের সমাধান মানে হলো এসএসসি ২০২৫ এর প্রশ্নগুলোর সমাধান
করা।যদি তুমি এটা করো তাহলে সব বিষয়ে আরো ভালো ফলাফল করতে পারবে। এজন্য
তোমাকে তোমার কোনো বড় ভাই বা বোনের থেকে প্রশ্ন গুলো সংগ্রহ করতে হবে এবং
সেগুলো নিয়ে বসতে হবে। নিজের মতো করে সেগুলো দেখতে হবে।এমন ভাবে পড়বা যেন
এটা তোমার ই পরিক্ষা।আর তুমি পরিক্ষা দিচ্ছ।তাহলে তুমি উত্তর গুলো ভালোভাবে
বের করে ফেলতে পারবা।এটাও মনোবল ভেঙে পড়া থেকে জোড়া লাগানোর একটা
ট্রিক।
আগের পরিক্ষার্থী দের প্রশ্ন দেখতে বলার কারন হলো তাদের প্রশ্ন তুমি নিয়ে
দেখলে আর পড়ে দেখলে বুঝতে পারবা যে এসএসসি কতটা সহজ একটা পরিক্ষা।
এভাবে তোমার মন থেকে ভয় কেটে যাবে আর তুমি আরো সাহসী হয়ে উঠবে।এছাড়া তুমি
চাইলে নেট এ গিয়ে গুগল থেকে সার্চ করে বিভিন্ন বিভাগের প্রশ্ন দেখতে পারো।
সেখানে উত্তর ও দেওয়া আছে। এগুলো তোমার জন্য অনেক সাহায্যকারী হবে। নিজেকে
হালকা অনুভব হবে।এই প্রশ্নগুলোর উত্তর সেখানে থাকে। তুমি চাইলে নিজেও এগুলোর
সমাধান করতে পারো। সবকিছু সঠিকভাবে গড়াবে যদি এভাবে চলো। কিন্তু এর সাথে বই
পড়াটাও সমান তালে চালিয়ে যেতে হবে।মনে রাখো বই ছাড়া তোমার আর কোনো সমাধান
নাই।বই ই একমাত্র ভরসা তোমার পরিক্ষার জন্য।এসএসসি ব্যাচ ২০২৬ দের জন্য
পরিক্ষার প্রস্তুতি টিপসের মধ্যে এটি অষ্টম টিপস।
মোবাইলের ব্যাঘাত ছাড়াই পড়াশোনা বেশি শেখার স্মার্ট পদ্ধতি
তোমরা অনেকেই আছো পড়তে পড়তে ফোন দেখো। কিছুক্ষণ পড়ো আর বেশিক্ষণ ফোন
দেখো।এটা কিন্তু খুব বাজে একটা অভ্যাস। পড়ালেখা থেকে মন উঠে যাওয়ার একটা
বড় কারন হলো অতিরিক্ত ফোন দেখা।প্রথম কিছুক্ষণ মন দিয়ে পড়লা তারপর ফোন
নিয়ে ফোন ঘাটতে থাকলা এটা একদম ই অনুচিত।তোমার মন দিয়ে করা পড়ালেখা টাও
মনে থাকবে না আর কাজে আসবে না যদগ পড়তে পড়তে ফোন দেখো। অনেকেই আবার আছো
লেখো আর গান শোনো।এটাকে কি পড়াশোনা বলে?একদম ই না। এটাকে বলে
অমনোযোগীতা।যেটা পড়ালেখা থেকে মনোযোগ সরে যাওয়ার কারন।তোমরা যদি এটা
কনটিনিউ করতেই থাকো তাহলে তোমাদের পড়ালেখা ঠিকমতো চলবে না। পড়ার সময় অন্য
কোনো কাজ করা উচিত নয়।এমনকি খাওয়াও উচিত না।পড়ার সময় শুধু পড়তেই
হয়।অন্য আর কিছু নয়।মন, মস্তিষ্ক আর চোখ থাকবে শুধু পড়ার দিকে।
যদি ঠিকভাবে পড়ালেখা করে ভালো ভাবে পরীক্ষা দিয়ে একটা ভালো রেজাল্ট পেতে
চাও তাহলে অবশ্যই পড়ালেখা করার সময় মোবাইল ফোন থেকে দূরে থাকবা।যখন পড়তে
বসবা ফোনটা কে অন্য রুমে রেখে এসে পড়বা।আবার সময় দেখার নাম করে দৌড়ে গিয়ে
বিশ ত্রিশ মিনিট ফোন দেখিও না।যত ফোন দেখার ইচ্ছা সব মিটাইয়ো পড়া শেষ করার
পর।পড়তে পড়তে কোনো ফোন নয়।ফোনে হাত দিয়ে নেড়েও দেখবা না একদম।পড়ার সময়
পড়া। খাওয়ার সময় খাওয়া। ফোনের সময় ফোন। সবকিছু ঠিক ভাবে মেনে
চলবা।এগুলি এলোমেলো করলে তোমার ই ক্ষতি।তাই নিজের ভালোর জন্য পড়ার সময় ফোন
থেকে দূরে থাকবা।এসএসসি ব্যাচ ২০২৬ দের জন্য পরিক্ষার প্রস্তুতি টিপসের
মধ্যে এটি নবম টিপস।
শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা পরীক্ষার প্রস্তুতির অপরিহার্য কৌশল
পরিক্ষার আগে সুস্থ থাকা অতি গুরুত্বপূর্ণ। পরিক্ষার আগে নিজেদের অবশ্যই
সুস্থ রাখতে হবে নয়তো পরিক্ষার সময় অসুস্থ হয়ে পড়ে থাকলে পড়ালেখা ঠিক
মতো করতে পারবা না যার জন্য পরিক্ষা খারাপ হবে।তাই পরিক্ষার আগে নিজেকে
সবসময় সুস্থ রাখবা আর যদি অসুস্থ থাকো তাহলে নিজেকে অতি শিগগিরই সুস্থ করে
তোলো।নয়তো অনেক ভালো করে পড়ার পরেও এই অসুস্থতা ই তোমার পরিক্ষায় বাঁধা
হয়ে দাঁড়াবে। তোমার মনোযোগ সরিয়ে দিবে।নিজের সুস্থতা আগে জরুরি।তাই
পরিক্ষার আগে অবশ্যই সেসব কার্যকলাপ থেকে দূরে থাকবা যেগুলো তোমাকে অসুস্থ
করে দিতে পারে। সুস্থ শরীরে সুস্থ মস্তিষ্কে পরিক্ষা দিলে তোমার কষ্ট সার্থক
হবে।
পরিক্ষার আগে মানসিক চাপ কম রাখাটা আরো বেশি জরুরি।কারন তুমি ভালোভাবে
পড়ালেখা করলা কিন্তু তুমি এতটাই চিন্তা করলা যে সব পড়া এবং ইম্পর্ট্যান্ট
বিষয়গুলো তোমার মাথায় থাকলো না।এটা হলে কেমন হবে তুমি ই বলো?এই সমস্যাটায়
যদি না পড়তে চাও তাহলে নিজেকে মানসিক চাপ থেকে দূরে রাখো আর নিজেকে সবসময়
সুস্থ রাখো। তুমি ভালো ভাবে পড়ো আর নিজের খেয়াল রাখো। তুমি পারবাই।তাই ভয়
পেও না। অতিরিক্ত চিন্তা করো না। এসএসসি এত কঠিন না। তুমি সহজেই ভালো ফলাফল
করতে পারবে। কিন্তু পরিক্ষার আগে শারীরিক আর মানসিক ভাবে সুস্থ থাকাটা খুব
জরুরী।তাই নিজেকে সুস্থ রাখো আর মানসিক চাপ কমিয়ে ফেলো।এসএসসি ব্যাচ ২০২৬
দের জন্য পরিক্ষার প্রস্তুতি টিপসের মধ্যে এটি দশম টিপস।
এসএসসি ব্যাচ ২০২৬ দের জন্য পরিক্ষার প্রস্তুতি টিপস শেষ / কথা
তোমার মনে যত্ন সহকারে লুকিয়ে রাখা তোমার ঘুম হতে না দেওয়ার স্বপ্ন পূরণের
প্রথম ধাপ হলো এসএসসি।তাই নিজের সর্বোচ্চ চেষ্টা দিয়ে পরিক্ষা দাও।সফলতা
তোমার আসবেই। তুমি পারবে।তোমাকে পারতেই হবে। তোমরা অনেক দূরে চলে আসছো এসএসসি
ব্যাচ ২০২৬ এর আমার ছোট ছোট ভাই বোনেরা।ফেরার সব পথ বন্ধ হয়ে গেছে। তোমাদের
জিততেই হবে। চেষ্টা চালিয়ে যাও।তোমরা পারবেই। শুধু সৃষ্টিকর্তা এবং নিজের
ওপর ভরসা রাখো।তোমরা
পারবেই।আশা করি আমার আজকের লেখা এই আর্টিকেলটা থেকে তোমরা উপকৃত হইছো।যদি
ভালো লেগে থাকে তাহলে তোমাদের বন্ধুদের সাথে অবশ্যই শেয়ার করতে ভুলিও না।আর
যদি কিছু বলতে চাও অবশ্যই একটা মন্তব্য করবা। এতক্ষণ ধরে আমার পাশে থাকার
জন্য তোমাদের অসংখ্য ধন্যবাদ। আজকের মতো এই পর্যন্তই।দেখা হবে অন্য কোনো
আর্টিকেলে।বিদায়!



আপনি নিবোর্ন সাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url